‘এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার সময়ের সংস্কার প্রয়োজন’
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৬, ১০:২১ পিএম
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা প্রতি বছরের ডিসেম্বর মাসে না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের জীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনএসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতা; বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের ক্লাশ ও পরীক্ষা শেষ করলেও শিক্ষা বোর্ডগুলো এ দুটি পাবলিক পরীক্ষা সেই বছরের ডিসেম্বরে না নিয়ে পরবর্তী বছরের এপ্রিল ও জুন মাসে নিয়ে থাকে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, যা জাতীয়পর্যায়ে বড় ধরনের ক্ষতির কারণ। এ বিষয়ে কার্যকর সংস্কার প্রয়োজন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতা; বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের ক্লাশ ও পরীক্ষা শেষ করলেও শিক্ষা বোর্ডগুলো এ দুটি পাবলিক পরীক্ষা সেই বছরের ডিসেম্বরে না নিয়ে পরবর্তী বছরের এপ্রিল ও জুন মাসে নিয়ে থাকে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, যা জাতীয়পর্যায়ে বড় ধরনের ক্ষতির কারণ। এ বিষয়ে কার্যকর সংস্কার প্রয়োজন।
শিক্ষকরা হচ্ছেন জাতির কাইরোপ্র্যাকটিক চিকিৎসক (মেরুদণ্ড, ঘাড়, পিঠ, কোমর ও স্নায়ুতন্ত্র বিশেষজ্ঞ) যারা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা যদি জাতির মেরুদণ্ড হয়, তবে সেই মেরুদণ্ডকে সোজা রাখার দায়িত্ব শিক্ষকদের ওপরই বর্তায়। নানান সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও শিক্ষকদের নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
এহছানুল হক মিলন বলেন, আগামীর বাংলাদেশ গঠনের যে আহ্বান জানানো হয়েছে, তা কোনো ব্যক্তি বা সরকারের একক অ্যাজেন্ডা নয়; বরং এটি একটি জাতীয় অঙ্গীকার। এ লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষকদের ভূমিকা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, নিজেদের শিক্ষার্থীদের সন্তানতুল্য মনে করে তাদের গড়ে তুলতে হবে।
দেশের সার্বিক উন্নয়নে শিক্ষকদের সম্মিলিত ও গঠনমূলক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে এহছানুল হক মিলন বলেন, অতীতের সীমাবদ্ধতা পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। সবাইকে আগামীর উন্নত বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, নায়েমের মহাপরিচালক ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হক ও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নতুন জাতীয়করণকৃত কলেজের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
