রাকসু হল জিএসের ছাত্রত্ব বাতিলের সুপারিশ প্রত্যাহারের দাবি শিক্ষার্থীদের
Advertisement
রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৭ পিএম
আরিফুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ও শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আরিফুল ইসলামের ছাত্রত্ব সাময়িক বাতিলের সুপারিশ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে অস্ত্রের মহড়া, সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও শিক্ষার্থীদের কক্ষে ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর দেওয়া এক স্মারকলিপিতে এসব দাবি জানান ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
আবেদনে বলা হয়, গত ৪ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীর অস্ত্রের মহড়া এবং দেশীয় অস্ত্রের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। এতে ক্যাম্পাসে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক চলাচলে বাধা তৈরি হয়। এর প্রতিবাদে প্রতিনিধি ও সচেতন শিক্ষার্থী হিসেবে জিএস আরিফুল ইসলাম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে সেদিন সন্ধ্যায় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শহীদ জিয়াউর রহমান হলে প্রবেশ করে হামলা চালান। আরিফুলকে না পেয়ে তার কক্ষ ভাঙচুর করা হয়। এ সময় দায়িত্ব পালনরত ৮ থেকে ১০ জন সাংবাদিকের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সাংবাদিকেরা মারাত্মকভাবে আহত হন।
আবেদনে আরও বলা হয়, গত ৯ অক্টোবর প্রকাশিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে প্রকৃত হামলাকারী ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে উলটো আরিফুল ইসলামের ছাত্রত্ব সাময়িক বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, অস্ত্রের মহড়া ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করায় তাকে শাস্তির মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
এই বিষয়ে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, আরিফুলকে উসকানিদাতা উল্লেখ করে তার ছাত্রত্ব বাতিলের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। এ বিষয়ে আমাদের আপত্তির জায়গা আছে; কারণ আহসান হাবিব একের পর এক উসকানিমূলক পোস্ট করতে থাকেন। আর প্রতিটি পোস্ট আমাকে নিয়ে। এই বিষয় নিয়ে আমি বা কেউ কোনো পোস্ট বা মন্তব্য কিছুই করেনি। শেষের দিকে আরিফুল একটা পোস্ট করেছে। এই জন্য তাকে সর্তক করা যেতে পারে বা বাসায় চিঠি দিতে পারে, কিন্তু ছাত্রত্ব বাতিলের সুপারিশ করা এটা আমার কাছে কোনোভাবে যৌক্তিক মনে হচ্ছে না।
