Logo
Logo
×

Advertisement

শিক্ষাঙ্গন

নিয়োগে অনিয়ম

যবিপ্রবির সাবেক উপাচার্যসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করছে দুদক

Advertisement

Icon

যবিপ্রবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৫ পিএম

যবিপ্রবির সাবেক উপাচার্যসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করছে দুদক

Advertisement

শিক্ষক ও কর্মকর্তা নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেনসহ সাতজনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) কমিশন মামলা দুটির অনুমোদন প্রদান করে।

একই দিন রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

অভিযুক্তদের মধ্যে প্রথম মামলাটিতে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন ছাড়া আসামি হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার (আবাসিক) ডা. নুসরাত জামান ও সাবেক রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব।

অপর মামলাটির আসামিরা হলেন—পুষ্টি ও খাদ্যপ্রযুক্তি (এনএফটি) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ওমর ফারুক, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শিমুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক মো. মাহমুদুল হাসান এবং সহকারী অধ্যাপক তানভীর আহমেদ।

মামলার বিষয়ে জানতে যবিপ্রবির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীবের চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ায় তার সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে পুষ্টি ও খাদ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ওমর ফারুক বলেন, দুদক মামলা করবে বলে শুনেছি। বিভাগে গিয়ে সার্বিক বিষয়টি বিস্তারিত জানতে পারব।

বিভাগের অপর সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শিমুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ার যে অনিয়ম, সেটি আমিই প্রথম চিহ্নিত করেছিলাম। প্ল্যানিং কমিটির কাজ ছিল কেবল আবেদন যাচাই করে ভাইভার জন্য কার্ড দেওয়া। চূড়ান্ত নিয়োগের দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে নিয়োগ বোর্ডের। অথচ যে অনিয়ম আমি ধরিয়ে দিলাম, এখন আমাকেই ফাঁসানো হচ্ছে।

সহকারী অধ্যাপক তানভীর আহমেদ বলেন, 'আমাদের এনএফটি বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের প্ল্যানিং কমিটির কাজ ছিল বিজ্ঞপ্তির শর্ত অনুযায়ী প্রার্থীর পরীক্ষা দেওয়ার প্রাথমিক কার্ড দেওয়া। চূড়ান্ত নিয়োগের এখতিয়ার ছিল নিয়োগ বোর্ডের। আমরা শুধু যোগ্যতা দেখে কার্ড দিয়েছি, নিয়োগ দিইনি। নিয়োগ দেওয়ার দায়িত্ব নিয়োগ বোর্ডের। এখানে আমাদের কোনো কাজ নেই।'

এদিকে অভিযুক্ত সহকারী অধ্যাপক মো. মাহমুদুল হাসান বহু আগেই চাকরি ছেড়ে বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করায় তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে মেডিকেল অফিসার ডা. নুসরাত জামানের ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

মাদকসহ আটক খুবির ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

মাদকসহ আটক খুবির ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

নিয়োগে অনিয়ম যবিপ্রবির সাবেক উপাচার্যসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করছে দুদক

যবিপ্রবির সাবেক উপাচার্যসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করছে দুদক

ছুটির দিনেও চুয়েটে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ছুটির দিনেও চুয়েটে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

‘সংগঠন হিসেবে শিবির যেসব কর্মকাণ্ডের দায় নিতে পারত না, তা করত আম্মার’

‘সংগঠন হিসেবে শিবির যেসব কর্মকাণ্ডের দায় নিতে পারত না, তা করত আম্মার’

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম