এইচএসসির খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন ৫ লাখ ছাড়াল
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৩ এএম
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি করা ছবি।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত দেড় লাখের বেশি শিক্ষার্থী এসব আবেদন করেছেন। আবেদনের নির্ধারিত সময় ৭ নভেম্বর পর্যন্ত থাকায় এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছেন আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।
তিনি বলেন, এ পর্যন্ত দেড় লাখের বেশি শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। তাদের আবেদনে খাতার সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়িয়েছে। আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।
এর আগে, গত ১ নভেম্বর থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ শুরু হয়।
এদিকে, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। অন্যদিকে, অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন। এ বছর পরীক্ষায় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ।
খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করবেন যেভাবে
ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য শিক্ষার্থীদের https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে নির্ধারিত ঘরে পরীক্ষার রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখে বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। এরপর ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
পরবর্তী ধাপে একটি মোবাইল নম্বর দিতে হবে। পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশের পর ওই নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে। এরপর স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফল দেখা যাবে। যেসব বিষয়ের ফল পুনর্নিরীক্ষণ করতে চান, সেগুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি দিতে হবে। দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্য আবেদন করতে হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে মোট ফি-এর পরিমাণ দেখা যাবে। বিকাশ, নগদ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের রকেট, উপায় ও সোনালী সেবার মাধ্যমে এ ফি পরিশোধ করা যাবে। ফি পরিশোধের বিস্তারিত নিয়ম ওয়েবসাইটের ‘হেল্প’ অপশনে পাওয়া যাবে।
ফি পরিশোধের পর পুনরায় আবেদন পোর্টালে প্রবেশ করে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। একবার আবেদন জমা দেওয়ার পর নতুন করে অন্য কোনো বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একই পদ্ধতিতে আবেদন করা যাবে। তবে সেক্ষেত্রে আবার মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
অন্যদিকে, ফি পরিশোধের আগে আবেদন পরিবর্তন বা সংশোধনের প্রয়োজন হলে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো বাদ দিয়ে নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে। তবে একবার ফি জমা দেওয়ার পর আবেদন করা বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না। কোনো অবস্থাতেই পরিশোধ করা ফি ফেরত দেওয়া হবে না।
শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, খাতা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য সরাসরি বা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমেই আবেদন করতে হবে।

-6aeaba54bb907.jpg)