Logo
Logo
×

Advertisement

শিক্ষাঙ্গন

৪১ বছরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

Advertisement

Icon

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২২ নভেম্বর ২০১৯, ০৬:২০ পিএম

৪১ বছরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

৪১ বছরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

Advertisement

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীন বাংলার প্রথম প্রতিষ্ঠিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়টি চার দশক পেরিয়ে ৪১ বছরে পদার্পণ করেছে।

১৯৭৯ সালের ২২ নভেম্বর কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহের মধ্যবর্তী স্থানে শান্তিডাঙ্গার দুলালপুরে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মরহুম জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।

প্রতিষ্ঠাকালীন পূর্ণ আবাসিকতার কথা থাকলেও চার দশকেও পূর্ণ আবাসিকতার পরিচয় লাভ করেনি বিশ্ববিদ্যালয়টি।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বাংলা সাহিত্যের প্রাণ পুরুষ মীর মোশাররফ হোসেন, বাউল সম্রাট লালন সাঁইজি, গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কাঙাল হরিনাথের স্মৃতি বিজড়িত সাংস্কৃতিক রাজধানীখ্যাত কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহে ১৭৫ একরের এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৮টি অনুষদের অধীনে ৩৪টি বিভাগ ও একটি ইন্সটিটিউট ও একটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ রয়েছে।

১৪ হাজার ৪৪৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। পাশাপাশি এমফিল গবেষক ২৮৫ এবং পিএইচডি গবেষক রয়েছে ৩৫৭ জন। মোট শিক্ষক ৪০০ জন, ৪৬৪ জন কর্মকর্তা, ১৭০ সহায়ক কর্মচারী এবং ১৮১ জন সাধারণ কর্মচারী নিয়ে চলছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

১২তম ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারী, প্রো-ভিসি হিসেবে প্রফেসর ড. শাহিনুর রহমান এবং ট্রেজারার হিসেবে প্রফেসর ড. সেলিম তোহা।

বিশ্ববিদ্যায়টির শৈশব মোটেও ভাল কটেনি। ১৯৭৯ সালে যাত্রা শুরু করলেও একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮৫ সালে। এ সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টি কুষ্টিয়া থেকে গাজীপুর বোর্ড বাজারে স্থানান্তর হয়।

এরপর ২টি অনুষদের অধীনে ৪টি বিভাগে ৮ জন শিক্ষক ও ৩০০ শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়টি। ১৯৯০ সালে ফের কুষ্টিয়া স্থানান্তরিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়টি।

১৯৯২ সাল পর্যন্ত কুষ্টিয়ার পিটিআই এবং প্যারামেডিকেল ভবনে অস্থায়ী কার্যক্রম চলে। ১৯৯২ সালের ১ নভেম্বর মাটির সড়ক আর সবুজ গাছপালার মাঝে গড়ে উঠে দুটি ভবন। এরপর থেকেই শান্তিডাঙ্গার দুলালপুরে স্থায়ী ঠিকানা হয় বিশ্ববিদ্যালয়টির।

শুক্রবার জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, পায়রা ও বেলুন উড়ানো, কেক কাটা, শোভাযাত্রা, আলোচনাসভাসহ উন্মুক্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নেচে গেয়ে পালিত হয়েছে ৪১তম বিশ্ববিদ্যালয়ের দিবস।

সকাল সাড়ে ৯টায় প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। নেতৃত্ব দেন ভিসি ড. রশিদ আসকারী। সঙ্গে ছিলেন প্রো-ভিসি, ট্রেজারার ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আবদুল লতিফ।

স্ব-স্ব ব্যানারে শোভাযাত্রায় অংশ নেয় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, বিভাগীয় সভাপতি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আলোচনা সভায় ভিসি প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারী বলেন, ‘আজ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ৪১তম বর্ষে পদার্পণ করল। ৪০ বছরে নানা চড়াই-উৎরাই পার করলেও সাফল্যের মুকুটে অনেক নতুন পালক যুক্ত হয়েছে। বর্তমান প্রশাসনের হাত ধরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান চর্চা, জ্ঞান বিতরণ ও নতুন জ্ঞান সৃষ্টিতে নবজন্ম লাভ করেছে।’

Advertisement

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

Advertisement

আরও পড়ুন

চুয়েটে আবারও শাটডাউন

চুয়েটে আবারও শাটডাউন

এক সপ্তাহের নোটিশে শিক্ষার্থী উচ্ছেদ অমানবিক: জাতীয় ছাত্রসভা

এক সপ্তাহের নোটিশে শিক্ষার্থী উচ্ছেদ অমানবিক: জাতীয় ছাত্রসভা

বয়সকে সংখ্যা বানিয়ে ৫২ বছরে এইচএসসি পাশ শেফালীর

বয়সকে সংখ্যা বানিয়ে ৫২ বছরে এইচএসসি পাশ শেফালীর

এইচএসসি ফলাফল এক শিক্ষার্থীর বিপরীতে ১২ শিক্ষক, তবুও ফেল

এক শিক্ষার্থীর বিপরীতে ১২ শিক্ষক, তবুও ফেল

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম