Logo
Logo
×

Advertisement

রাজধানী

মোহাম্মদপুরে প্রকাশ্য ছিনতাই, রিকশা থামিয়ে অস্ত্রের মুখে লুট

Advertisement

Icon

হাজারীবাগ (ঢাকা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬, ০২:০৩ এএম

মোহাম্মদপুরে প্রকাশ্য ছিনতাই, রিকশা থামিয়ে অস্ত্রের মুখে লুট

সংগৃহীত

Advertisement

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে প্রকাশ্যে এক কলেজ শিক্ষার্থীকে ঘিরে সংঘবদ্ধ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটে সোমবার (১১ মে) বিকেল ৫টা ৩৭ মিনিটে চাঁন মিয়া হাউজিংয়ের ১ নম্বর গেইটের সামনে। পরে থানায় গেলে ভুক্তভোগীকে মামলা না নিয়ে মোবাইল হারানোর সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে বলা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী সিদ্দিক শ্রেষ্ঠ, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। পরিবারের অভিযোগ, কোচিং শেষ করে রিকশাযোগে বাসায় ফেরার পথে তিনি এ হামলার শিকার হন। রিকশা চাঁন মিয়া হাউজিং এলাকায় পৌঁছালে কালো প্যান্ট ও সাদা শার্ট পরা এক ব্যক্তি হঠাৎ রিকশার সামনে এসে দাঁড়ায়। এতে রিকশার চাকা তার গায়ে লাগলে তিনি যাত্রীকে গালাগালি শুরু করেন।

এ সময় আশপাশে আগে থেকেই অবস্থান করা মুখে মাস্ক পরা আরও চারজন সেখানে যোগ দেয়। তাদের মধ্যে দুইজন রিকশায় উঠে ধারালো ছুরি দেখিয়ে যাত্রীকে ভয় দেখায় এবং তার মোবাইল ফোন, টাকা ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। পরে তারা ব্যাগ তল্লাশি করে এনআইডি কার্ড, ব্যাংকের এটিএম কার্ডসহ সবকিছু নিয়ে নেয়। সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, ৫টা ৩৭ মিনিট ৪ সেকেন্ড থেকে ৫টা ৩৮ মিনিট ২১ সেকেন্ডের মধ্যে পুরো ঘটনাটি ঘটে এবং তারা মোবাইলের পাসওয়ার্ড পর্যন্ত জেনে নেয় বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীর বাবা নূরে আলম সিদ্দিক বলেন, ছিনতাইয়ের পর তিনি থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ তাকে মোবাইল হারানোর জিডি করার পরামর্শ দেয়। তার দাবি, তার ছেলের একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স, এয়ারবাডস, মানিব্যাগ, এনআইডি ও ব্যাংক কার্ড ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর থেকে তার ছেলে মানসিকভাবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে বলেও তিনি জানান।

এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে ‘দে ধাক্কা’ নামে একটি কিশোর গ্যাং গ্রুপ জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মোহাম্মদপুর বাঁশবাড়ি এলাকার শীর্ষ ছিনতাইকারী রাব্বি ওরফে ‘চৌদ্দ রাব্বি’ এবং ‘আগুন’ ওরফে ‘ধাক্কা আগুন’-এর নেতৃত্বে এই চক্র বাঁশবাড়ি, বাসস্ট্যান্ড, চাঁন মিয়া হাউজিং ও শিয়া মসজিদ এলাকায় সক্রিয়ভাবে ছিনতাই করে আসছে।

এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেসবাহ উদ্দিন বলেন, অভিযুক্তদের শনাক্তের কাজ চলছে এবং মালামাল উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগী থানায় আসার পর মামলা করতে বললেও তিনি জিডি করতে চান, তাই জিডি নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম