পল্টন-গুলিস্তান-নর্থ সাউথ রোড হকারমুক্ত ঘোষণা
Advertisement
হাজারীবাগ ও সবুজবাগ (ঢাকা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১২ এএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাজধানীর পল্টন মোড় থেকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট হয়ে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।
বৃহস্পতিবার পল্টন থেকে গুলিস্তান পর্যন্ত সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালায় সংস্থাটি। অভিযান পরিদর্শন করে ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম জানান, ঘোষিত মূল সড়কে হকার বসতে পারবে না। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রশাসক এক ঘণ্টার বেশি সময় পল্টন মোড় থেকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার কার্যক্রম তদারকি করেন। এ সময় তিনি বলেন, বিভিন্ন হকার সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। তারা স্বেচ্ছায় মূল সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। সড়ক ও ফুটপাতে নগরবাসীর চলাচলে স্বস্তি ফেরাতে সবার সহযোগিতা চান তিনি।
তবে গুলিস্তানের রমনা ভবনসংলগ্ন পূর্ব পাশের ফুটপাতে সীমিতসংখ্যক নিবন্ধিত হকার নির্ধারিত জায়গায় বসতে পারবেন। সে ক্ষেত্রেও পথচারীদের চলাচলের জায়গা খালি রাখতে হবে। নির্ধারিত স্থান, সময় ও সংখ্যার বাইরে কিংবা নিবন্ধন ছাড়া হকারদের বসতে দেওয়া হবে না বলে জানান প্রশাসক।
হকারদের নিবন্ধন ফি কমানোর দাবির বিষয়ে আবদুস সালাম বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে ৩ সেপ্টেম্বর ডিএসসিসি প্রশাসক গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত সড়কে হকার বসতে না দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবারের ঘোষণায় পল্টন মোড় থেকে জিরো পয়েন্ট হয়ে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক নির্দিষ্ট করা হয়েছে। আর এদিন দখলমুক্ত করার অভিযান তদারকি করা হয়েছে পল্টন মোড় থেকে জিরো পয়েন্ট অংশে।
চলতি বছর হকারদের নিবন্ধন ও নির্ধারিত স্থানে ব্যবসার সুযোগ দিতে হকার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা করা হয়েছে। এর আওতায় রমনা ভবনসংলগ্ন লিংক রোড এলাকায় পুনর্বাসনের জন্য মে মাসে ১০০ হকারকে ডিজিটাল পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ সিটির আরও কয়েকটি স্থান হকারদের ব্যবসার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার প্রশাসক রমনা ভবনের পূর্ব পাশের ফুটপাতে ঠিক কতজন নিবন্ধিত হকার বসতে পারবেন, সে সংখ্যা জানাননি।
অভিযানকালে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খয়বর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডোর মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ সংস্থাটির কর্মকর্তা এবং হকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
