ব্যবসার প্রলোভন দেখিয়ে সাত লাখ টাকার মাছ নিয়ে উধাও
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে যৌথভাবে মাছের ব্যবসার প্রলোভন দেখিয়ে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের চিংড়ি মাছ আত্মসাতের অভিযোগে মো. ছিয়াম হোসেন (২২) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তার হেফাজত থেকে আত্মসাৎ করা মাছ বিক্রির ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, মামলার বাদী তরিকুল হক খান ওরফে রবিন সৌদি আরব প্রবাসী। সৌদি আরবে অবস্থানকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছিয়াম হোসেনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে ছিয়াম নিজেকে মাছ ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে তরিকুলকে যৌথভাবে মাছের ব্যবসার প্রস্তাব দেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর তরিকুল দেশে ফেরার পর ছিয়াম তার সঙ্গে সরাসরি দেখা করে একই প্রস্তাব দিলে তিনি এতে সম্মত হন।
পরে গত ১ অক্টোবর তারা বাগেরহাটের একটি মাছের আড়ত থেকে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ২২ কার্টন চিংড়ি মাছ কেনেন। মাছগুলো একটি বাসে করে ঢাকায় পাঠিয়ে তারা অন্য একটি বাসে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
পরদিন ২ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে বাসটি রাজধানীর ধোলাইপাড় এলাকায় পৌঁছালে কৌশলে বাস থেকে নেমে পালিয়ে যান ছিয়াম। একই সঙ্গে বন্ধ করে দেন নিজের মোবাইল ফোন। পরে সায়েদাবাদ বাস কাউন্টারে পৌঁছে তরিকুল খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা মাছের কার্টনগুলো একটি ট্রাকে করে নিয়ে গেছে।
এরপর ৩ অক্টোবর সকালে তরিকুল জানতে পারেন, গাজীপুরের চান্দনা এলাকায় স্থানীয় লোকজন ছিয়ামকে আটক করে রেখেছেন। খবর পেয়ে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের একটি দল দুপুর ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১২ কার্টন মাছ বিক্রির ২ লাখ ১২ হাজার ৯০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
ডিসি আকতার হোসেন জানান, ছিয়ামের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে ময়মনসিংহের নান্দাইল থেকে আরও ২ লাখ ৫৪ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে তার কাছ থেকে মাছ বিক্রির ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেফতার ছিয়াম হোসেনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
