ঢাকার বাতাস আজও ‘অস্বাস্থ্যকর’
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৭ এএম
ফাইল ছবি।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাজধানী ঢাকার বাতাসের মানে আরো অবনতি ঘটেছে। বিশ্বের ১২৬ শহরের মধ্যে সবচেয়ে দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান আজ সপ্তম। ১৫৭ স্কোর নিয়ে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেস্কে (আইকিউএয়ার) ঢাকা শহরের বায়ুমান ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
অন্যদিকে বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। যার বায়ুমান স্কোর ২৯৪। বাতাসের এই মান নাগরিকদের জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, এদিন বিশ্বের বায়ুদূষণ শহরগুলোর তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। যার বায়ুমান স্কোর ২৯৪। বাতাসের এই মান নাগরিকদের জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়।
এ ছাড়া বায়ুমান স্কোর ২৩৫ নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি, ১৭৪ স্কোর নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা, ১৭৩ স্কোর নিয়ে তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারতের আরেক শহর মুম্বাই এবং পঞ্চম স্থানে থাকা মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের বায়ুমান স্কোর ১৭২।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয় বায়ুর মান। আর ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়।
স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়। বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো, বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।
২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বেড়ে গেছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।
