শেরপুরে কমতে শুরু করেছে ঢলের পানি
Advertisement
শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬, ০২:১০ পিএম
চেল্লাখালী নদীর ভাঙন অংশ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। ছবি: যুগান্তর
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
শেরপুরে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ে ঢলের পানি কমতে শুরু করেছে। জেলার সবগুলো পাহাড়ি নদীর পানি বিপদ সীমানার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল ৯টা পর্যন্ত সংগৃহীত রেকর্ড অনুযায়ী চেল্লাখালি নদীর পানি বিপদ সীমানার ৭২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই নদীর পানি নাকুগাঁও পয়েন্টে ৩.৭৮ মিটার নিচ দিয়ে এবং নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ২.৭৭ মিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি এবং শ্রীবরদী উপজেলার সোমেশ্বরী নদীর পানি অনেক কমে গেছে। ফলে প্লাবিত হওয়া নিম্নাঞ্চলের পানিও নামতে শুরু করেছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে চেল্লাখালী নদীর ভাঙন অংশ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আরিফা সিদ্দিকা, শেরপুর সদর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসানসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত কুমার ধর যুগান্তরকে বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদীর বিভিন্ন স্থানে নদীর পাড়ের রাস্তার যে ফাটল দেখা দিয়েছে সে বিষয়েও রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে।
শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন যুগান্তরকে বলেন, সকালে (বৃহস্পতিবার) চেল্লাখালী নদীর ভাঙন স্থান পরিদর্শন করেছি। পানি অনেকটাই কমে গেছে। ভাঙা অংশ দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে যেসব ফসলের জমি এবং ঘরবাড়ির ক্ষতি হয়েছে সেসব এলাকার মানুষের মাঝে শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে। নদীর পানি কমে গেলেও আমরা ঢল প্রবণ পাহাড়ি নদীর সার্বক্ষণিক মনিটরে রেখেছি। ক্ষতিগ্রস্ত নদীর বাঁধ মেরামত বা সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বুধবার (১৩ মে) সকাল থেকে টানা বৃষ্টির কারণে নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার কিছুটা ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল আংশিক প্লাবিত হয়।
