৭ বছর পর ফিরছিলেন দেশে, আকাশপথেই থেমে গেল ফখরুলের যাত্রা
Advertisement
বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:০২ পিএম
ফখরুল ইসলাম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নিজের ভবিষ্যৎ গড়তে ও পরিবারের সচ্ছলতা আনতে পাড়ি জমিয়েছিলেন ইতালিতে। দীর্ঘ ৭ বছরের প্রবাস জীবন শেষে আপনজনদের কাছে ফিরতে তুর্কি এয়ার লাইনসের একটি ফ্লাইটে দেশের উদ্দেশে রওনা দেন।
কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে বাড়ি ফেরা আর হলো না বড়লেখার ইতালি প্রবাসী ফখরুল ইসলামের। আকাশপথেই থেমে গেল একটি স্বপ্নময় জীবনের যাত্রা। টগবগে উদ্যমী যুবক ফখরুল ইসলাম বড়লেখা পৌরশহরের মহুবন্দ গ্রামের আব্দুল অকিদের ছেলে।
ইতালি থেকে বাংলাদেশে ফেরার পথে বিমানে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে জর্জিয়ায় জরুরি অবতরণ করে তুর্কি বিমানটি। সেখানেই দেওয়া হয় চিকিৎসা; কিন্তু সোমবার (১৪ জুলাই) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন রেমিট্যান্সযোদ্ধা ফখরুল ইসলাম।
তার মৃত্যুর খবরে নিজ এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া। বাড়িতে বাবা-মা ও আত্মীয়স্বজনের মাতমে বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে। স্বজনরা এখন মৃত ফখরুল ইসলামের লাশের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন। তারা দ্রুত লাশ দেশে নিয়ে আসার ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ইতালিতে বসবাস ও কর্মজীবন শেষে ফখরুল ইসলাম তুর্কি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দেশে ফিরছিলেন। যাত্রাপথে বিমানের মধ্যেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় জর্জিয়ায় জরুরি অবতরণ করে বিমানটি। তবে চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
এই আকস্মিক মৃত্যুর খবরে বড়লেখার মহুবন্দ গ্রামজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও এলাকাবাসী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। যে মানুষটি পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে বিদেশের মাটিতে বছরের পর বছর পরিশ্রম করেছেন, সেই মানুষটির নিথর দেহই এখন ফিরছে স্বজনদের কাছে।
ফখরুল ইসলামের মামা লাল মিয়া মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে যুগান্তরকে বলেন, সোমবার রাতেই জানতে পারেন জর্জিয়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এখন লাশ দেশে আনার ব্যাপারে বিভিন্নজনের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। এ ব্যাপারে তিনি সরকারের বিশেষ করে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সহযোগিতা কামনা করছেন।
