মিঠামইন বিএনপির সভাপতি হত্যা
কাশিমপুর কারাগার থেকে জামিন করিয়ে সিরিয়াল কিলারদের পাঠান খোকা
Advertisement
এটিএম নিজাম, কিশোরগঞ্জ ব্যুরো
প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম
বিএনপির সভাপতি জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীর হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৩ ভাড়াটে খুনি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীর হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৩ ভাড়াটে খুনিকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
জানা গেছে, ওই তিন সিরিয়াল কিলার বরগুনা জেলার বামনা উপজেলার চালিতাবুনিয়া এলাকার মৃত সুলতানের ছেলে মো. হেলাল (২৫), লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার দুধরাজপুর এলাকার নূর হোসেনের ছেলে মো. মহিন উদ্দিন (৩২) ও একই উপজেলার নাগমুদ বাজার মধ্যপাড়া এলাকার রহমত উল্লাহ ওরফে খোকনের ছেলে মো. শাকিল হোসেন ওরফে শাহীন (২৫)।
আটকদের মধ্যে বরগুনা জেলার বামনা উপজেলার চালিতাবুনিয়া এলাকার মৃত সুলতানের ছেলে মো. হেলাল পুলিশের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুর জেলার কাশিমপুর কারাগারে ছিলেন। জাহাঙ্গীর হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড খোকা নামে তাদের অপরিচিত এক ব্যক্তি তাদের কাশিমপুর কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি করিয়ে এনে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে ওই বিএনপি নেতাকে হত্যার মিশনে পাঠান।
এদিকে পুলিশ হেফাজতে থাকা হেলালের এমন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি জানাজানি হওয়ার পরপরই এ ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে ওঠে মিঠামইন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোকাররম হোসেন খোকার ছবি। তাদের ধারণা সিরিয়াল কিলারদের অপরিচিত হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড ‘খোকা’ আর কেউ নয়- সে হচ্ছে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোকাররম হোসেন খোকা।
এদিকে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, হত্যাকাণ্ডের পর আটক তিন ভাড়াটে খুনিকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছেন- তাদের হায়ার করে আনা হয়েছে। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডের মূল মাস্টারমাইন্ডসহ জড়িত সব নেপথ্য নায়কদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে আসছে।
