বাউফলে নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের ২ নেতার মারামারি
Advertisement
বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০:১৭ এএম
আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ ও সাদিকুজ্জামান রাকিব। ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পটুয়াখালীর বাউফলে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুপারভাইজার পদে অস্থায়ী নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই নেতার মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদের হলরুমে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুপারভাইজার পদে অস্থায়ী নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা চলাকালে কয়েকজন পরীক্ষার্থী পরস্পরের খাতা দেখে উত্তর লিখছিলেন। বিষয়টি উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ হলরুমের বাইরে থেকে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন।
পরীক্ষা শেষে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের সড়কে আব্দুল্লাহ আল ফাহাদের সঙ্গে পৌর ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব সাদিকুজ্জামান রাকিবের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়।
আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ বলেন, পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আমি পরীক্ষার হলে গিয়েছিলাম। তবে পরীক্ষা শুরুর আগেই হল ত্যাগ করি। পরে বাইরে থেকে দেখতে পাই, জামায়াতের কয়েকজন পরীক্ষার্থী একে অপরের খাতা দেখে উত্তর লিখছেন। তখন আমি হলের বাইরে থেকে ভিডিও ধারণ করি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পরীক্ষা শেষে সাদিকুজ্জামান রাকিব আমার ওপর হামলা চালান। আমি আত্মরক্ষার চেষ্টা করি।
অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে সাদিকুজ্জামান রাকিব বলেন, পরীক্ষার দৃশ্য ভিডিও করায় পরীক্ষার্থীদের অসুবিধা হয়েছে। এতে ছাত্রদলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে আমি মনে করি। বিষয়টি জানতে চাইলে ফাহাদ আমার ওপর চড়াও হন।
বাউফল থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই নেতার মধ্যে তর্কাতর্কির ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে থানায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
