সাবেক যুবলীগ নেতাকে হত্যার ঘটনায় চাচাকে আসামি করে মামলা
Advertisement
ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
মো. আল-আমিন সৈকত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে সাবেক যুবলীগ নেতা মো. আল-আমিন সৈকতকে (৪৩) হত্যার ঘটনায় তিন দিন পর চাচাসহ ২৩ জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। বুধবার বিকালে নিহতের স্ত্রী তানিয়া খানম বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন।
মামলার এজাহারে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০-১৫ জনকে আসামি করা হয়। এজাহারে নিহতের চাচা ও তিন চাচাত ভাইসহ অন্যরা তার পরিবারেরই সদস্য বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। তবে মামলা করার পর পুলিশ কোনো আসামিকে আটক করতে পারেনি। তারা সবাই পলাতক।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার (২৩ আগস্ট) রাত পৌনে ১২টায় ভৈরব বাজার টিনপট্টিতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আসামিরা আল-আমিন সৈকতকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করলে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আল-আমিন ভৈরব পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর, পৌর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ভৈরব চেম্বারের সাবেক পরিচালক, জেলা সার সংগঠন বিএফএর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া ভৈরব বাজারের তার একটি আবাসিক হোটেল আছে। তিনি সার ও রাইস মিল ব্যবসায় জড়িত ছিলেন।
নিহতের স্ত্রী ও মামলার বাদী তানিয়া খানম বলেন, আমার স্বামীর সঙ্গে তার চাচা ও চাচাত ভাইদের বিরোধ ছিল। তারাসহ তাদের সন্ত্রাসীদের নিয়ে আমার স্বামীকে কুপিয়ে খুন করেছে। মৃত্যুর আগে আমার স্বামী এসব কথা বলে গেছে। আমার আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে পরামর্শ করে তিন দিন পর মামলা দায়ের করি। আমার স্বামীর হত্যার খুনিদের কঠোর বিচার দাবি করছি।
ভৈরব থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান জানান, ঘটনার তিন দিন পর নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে বুধবার বিকালে মামলাটি দায়ের করেন। আসামিদের ধরতে পুলিশ চেষ্টা করছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
