Logo
Logo
×

Advertisement

সারাদেশ

চিত্রাপাড়ের গোলফলে নতুন সম্ভাবনার হাতছানি

Advertisement

Icon

শফিকুল ইসলাম সাফা, চিতলমারী

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম

চিত্রাপাড়ের গোলফলে নতুন সম্ভাবনার হাতছানি

বিক্রির জন্য জড়ো করা গোলফল

Advertisement

চিত্রাপাড়ের মিনি সুন্দরবনে গোলফলে নতুন সম্ভাবনার হাতছানি দিচ্ছে। প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা মিনি সুন্দরবনের বিভিন্ন গাছপালা থেকে আয়ের উৎস হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

বিশেষ করে নদীর দুইপাড়ে জন্ম নেওয়া গোলগাছ বড় আয়ের উৎস হতে পারে। এখানকার গোল ফলের চাহিদা বাড়ছে দিন দিন। গ্রামের গণ্ডি পেরিয়ে ফলটি শহরে লোকদের কাছে কদর বাড়ছে বলে জানান অনেকে। এছাড়া গোলগাছ থেকে রস বের করে উন্নত মানের গুড় তৈরি করা সম্ভব বলেও আশার বাণী শোনালেন অনেকে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সুন্দরবনের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় শত কিলোমিটার দূরে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার সীমান্ত ঘেঁষে বয়ে গেছে চিত্রা নদী। এই নদীর দুইপাড়ে জেগে ওঠা বিস্তীর্ণ চর ও আশপাশের গ্রামজুড়ে প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নিয়েছে সুন্দরবনের বিভিন্ন গাছপালা। চিত্রার দুইপাড়ে এখন যতদূর চোখ যায় শুধু সবুজের হাতছানি।

এখানে সুন্দরী, কেওড়া, গরান, গোলপাতাসহ অসংখ্য প্রজাতির গাছ মাথা তুলে জানান দিচ্ছে নতুন বনের উপস্থিতি। বিশেষ করে এ বনে গোলগাছের সংখ্যাই বেশি। বর্তমানে এসব গাছে ঝুলছে গোলফলের কাঁদি।

এ ফলের কাঁদি থেকে রস বের করে উন্নতমানের গুড় তৈরি করা সম্ভব বলে জানালেন অনেকে। এটি স্বাস্থ্যসম্মত হওয়ায় গোলের গুড়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের অনেক জেলার শত শত মানুষ জীবিকা নির্বাহ করছে গোলগাছের গুড় তৈরি করে। চিত্রাপাড়ে অসংখ্য গোলগাছ থাকায় এখানকার লোকেরা গোল ফল থেকে গুড় তৈরিসহ এ বন থেকে বাড়তি অর্থ আয় করতে পারেন- এমনটিই জানালেন বিশেষজ্ঞরা।

এ বিষয়ে বাগেরহাট সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. শাহিন কবির জানান, চিত্রাপাড়ের মিনি সুন্দরবনে সম্ভাবনাময় দিক রয়েছে। এখানে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠেছে সুন্দরবনের বিভিন্ন পাছ-পালা। পাশাপাশি এখানকার গোলগাছ থেকে গুড় তৈরিসহ নানাভাবে উপার্জন করা সম্ভব। এখানকার জীববৈচিত্র্য রক্ষা করার জন্য সবাইকে সচেতন হবার আহবান জানান তিনি।  

 

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. সিফাত-আল-মারুফ জানান, গোলফল অনেকের কাছে খুবই প্রিয় খাবার। তালের আদলে এর ভেতর শাস রয়েছে- এটি খেতে ভিন্নতর স্বাদ পাওয়া যায়। এছাড়া এর থেকে খাঁটি রস বের করে পরিবেশসম্মত গুড় তৈরি করা সম্ভব। সুন্দরবন উপকূলীয় দাকোপ অঞ্চলে কৃষি অফিসের মাধ্যমে চাষিদের গুড় তৈরিতে প্রশিক্ষণ ও নানা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এখানকার চাষিরা যদি কেউ বাণিজ্যিকভাবে গোল থেকে গুড় তৈরি করতে চান তাদের নানাভাবে সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

সুন্দরবনের গহীন থেকে ১৪ মোবাইল ফোন উদ্ধার

সুন্দরবনের গহীন থেকে ১৪ মোবাইল ফোন উদ্ধার

সুন্দরবনে ১৫ অপহরণ, আতঙ্কে জেলে-মহাজন

সুন্দরবনে ১৫ অপহরণ, আতঙ্কে জেলে-মহাজন

তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে মঙ্গলবার খুলছে সুন্দরবন

তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে মঙ্গলবার খুলছে সুন্দরবন

অবাধ্য নোনাজলে বজায় থাকুক প্রশান্তির সুর

অবাধ্য নোনাজলে বজায় থাকুক প্রশান্তির সুর

বিশ্ব বাঘ দিবস আজ

বিশ্ব বাঘ দিবস আজ

সুন্দরবনে নয় বছরে বেড়েছে ১৯ বাঘ

বিশ্ব বাঘ দিবস আজ সুন্দরবনে নয় বছরে বেড়েছে ১৯ বাঘ

আরও পড়ুন

বাড়ির আঙিনায় টবে গাঁজা চাষ, আটক ১

বাড়ির আঙিনায় টবে গাঁজা চাষ, আটক ১

সুন্দরবনের গহীন থেকে ১৪ মোবাইল ফোন উদ্ধার

সুন্দরবনের গহীন থেকে ১৪ মোবাইল ফোন উদ্ধার

ফের চালু হলো জারিয়ার লোকাল ট্রেন

ফের চালু হলো জারিয়ার লোকাল ট্রেন

দখল-ভরাটে মৃতপ্রায় ‘উজান গঙ্গাপুর খাল’, বিপাকে কৃষক

দখল-ভরাটে মৃতপ্রায় ‘উজান গঙ্গাপুর খাল’, বিপাকে কৃষক

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম