Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

পাখি শিকারের অভিযোগে স্বামীর ঘর ছাড়লেন গৃহবধূ

Advertisement

Icon

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৭ পিএম

পাখি শিকারের অভিযোগে স্বামীর ঘর ছাড়লেন গৃহবধূ

প্রতীকী ছবি

Advertisement

হবিগঞ্জের মাধবপুরে স্বামীর বিরুদ্ধে পাখি শিকারের অভিযোগ তুলে প্রায় তিন বছর ধরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন তানিয়া আক্তার নামে এক গৃহবধূ। 

তার অভিযোগ, স্বামী বধু মিয়া বিভিন্ন প্রজাতির পাখি শিকার করে বাড়িতে নিয়ে আসতেন। এর প্রতিবাদ করেও কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় তিনি স্বামীর বাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন। 

তবে বধু মিয়া এখন পাখি শিকার করেন না বলে দাবি করেছেন।

তানিয়া আক্তারের বাবার বাড়ি উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের কমলপুর গ্রামে। তার অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই বধু মিয়া বিভিন্ন কৌশলে পাখি শিকার করতেন। সংসারের চেয়ে পাখি শিকারের প্রতিই তার আগ্রহ বেশি ছিল। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করেও কোনো সুফল পাননি তিনি। পরে ক্ষোভ ও দুঃখে প্রায় তিন বছর আগে বাবার বাড়িতে চলে আসেন।

তানিয়া জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ ও বিষটোপ ব্যবহার করে পাখি শিকার করা হয়। তার স্বামীও এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বালিহাঁস, ডাহুক, শালিক ও জালালি কবুতরসহ বিভিন্ন পাখি শিকার করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হয় বলে তার অভিযোগ।

তিনি বলেন, আমার স্বামী সবসময় পাখি শিকার করেন এবং ওইসব পাখি বাড়িতে এনে রাখেন। বিষয়টি আমার কাছে খুব খারাপ লাগে। তিনি সন্তানদেরও খোঁজখবর রাখেন না। আমার ও সন্তানদের ভরণপোষণও দিচ্ছেন না। আমি চাই, তিনি নিজেকে সংশোধন করে স্বাভাবিক জীবনযাপন করুক এবং বন্যপ্রাণী ধ্বংসের কাজ থেকে বিরত থাকুক।

তবে বধু মিয়া জানান, একসময় শখের বসে তিনি পাখি শিকারে আগ্রহী ছিলেন। এখন তিনি আর পাখি শিকার করেন না। পারিবারিক বিষয় নিয়ে মনোমালিন্যের কারণে তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে গেছেন। স্ত্রীকে ঘরে ফেরাতে তিনি একাধিকবার চেষ্টা করেছেন বলেও জানান।

এদিকে একই গ্রামের বাসিন্দা ও পাখিপ্রেমী সাংবাদিক মুজাহিদ মুসি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে একটি পোস্ট দেন। এরপর ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে আলোচনায় আসে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম