ড. খন্দকার মারুফ
উন্নত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫১ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
‘একটি স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ, প্রযুক্তিনির্ভর এবং উন্নত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।
তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দ্রুতই দেশে প্রতিষ্ঠিত হবে টেকসই গণতন্ত্র, উন্নয়ন, আইনের শাসন এবং মানবাধিকারে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। যা বিশ্ববাসী অবাক বিস্ময়ে দেখবে।
ড. খন্দকার মারুফ রোববার (৪ অক্টোবর) দাউদকান্দি উপজেলার রায়পুর কেসি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
জাতীয় স্বর্ণ পদকপ্রাপ্ত মৎস্য প্রকল্প স্থানীয় ‘রহমত ফিশারিজ’ এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
ড. খন্দকার মারুফ বলেন, দেশে অতীতে প্রতিষ্ঠিত বহুদলীয় ও সংসদীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং টেকসই উন্নয়ন সবই বিএনপির অর্জন। শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার সুযোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমান সমৃদ্ধ দেশ গঠনে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
ড. খন্দকার মারুফ বলেন, প্রতিকূল ও ধ্বংসাত্মক অবস্থা থেকে প্রতিবারই দেশকে উত্তরণ ঘটিয়েছে বিএনপি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়া এবং বেগম খালেদা জিয়ার সরকার দেশে টেকসই উন্নয়ন এবং বহুদলীয় সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করেছে। বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে এগিয়ে নিতে দিনরাত নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. হজরত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য ও ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন আনন্দ।
স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোমেন ভূঁইয়া।
ড. খন্দকার মারুফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সূচিত সুস্থ ধারার রাজনীতিকে জনগণ বিপুল সমর্থন জানাচ্ছে। দেশকে এগিয়ে নিতে প্রতিহিংসার রাজনীতির পরিবর্তে সুস্থ ধারার উন্নয়নের রাজনীতি, আইনের শাসন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সিট দখল, সন্ত্রাস, রাহাজানি হয় না। সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে, শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন হয়। বিএনপি সরকার সব পাবলিক পরীক্ষা নকলমুক্ত করে শিক্ষাক্ষেত্রে ইতিহাস গড়েছে।
বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার শিক্ষাঙ্গণে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং ঢালাওভাবে পাসের হার বাড়িয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমূলে ধ্বংস করেছে। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে তারা কোনো কাজই করেনি। ইচ্ছে করে শিক্ষাঙ্গণকে অশান্ত ও বিপর্যস্ত করেছে। কারণ দেশের মানুষ ভালো থাকুক, এটি তারা কখনও চায়নি।
ড. মারুফ বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বর্তমান সরকারের শিক্ষাঋণ এবং উচ্চশিক্ষার জন্য বিশেষ সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর এবং ছেলেদের জন্য স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
তিনি আগামী দিনে নিজেদের সুশিক্ষিত ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
ড. খন্দকার মারুফ বক্তব্যে জনগণের জানমাল এবং শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনটির সহিংসতা ঠেকাতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে থাকতে তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রতি দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
উপস্থিত ছিলেন, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এম. এ. লতিফ ভূঁইয়া, সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম, দাউদকান্দি পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, ভিপি শাহাবুদ্দিন ভূঁইয়া, শাহ্ আলম সরকার, রোমান খন্দকার, ইব্রাহীম খলিল ও রিমন খন্দকার প্রমুখ।
