সার্ভার জটিলতা কাটল, ৮ দিন পর বেনাপোলে পুরোদমে বাণিজ্য শুরু
Advertisement
বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম
সার্ভার জটিলতা কাটিয়ে বেনাপোল বন্দরে পুরোদমে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটির আট দিন পর বেনাপোল স্থলবন্দরে পুরোদমে শুরু হয়েছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। শনিবার সীমিত পরিসরে বাণিজ্য শুরু হলেও সার্ভার জটিলতায় স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। পরে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে সীমিত আকারে পণ্য আমদানি-রপ্তানি চলে।
রোববার দুপুরের দিকে সার্ভার জটিলতা কাটিয়ে আবারও পুরোদমে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি থাকলেও বেলা ১২টা পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এরপর দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত ভারত থেকে ৭৬টি ট্রাকে পণ্য আমদানি এবং বাংলাদেশ থেকে ৪১টি ট্রাকে পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) মো. রুহুল আমিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে ১৭ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল। তবে এ সময়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক ছিল।
বেনাপোল কাস্টম হাউসের কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা রোমেন মিত্র জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ছুটির মধ্যেও সীমিত পরিসরে কার্যক্রম চালুর চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে সার্ভার জটিলতার কারণে শনিবার (২৪ অক্টোবর) স্বাভাবিকভাবে বাণিজ্য শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কিছু পচনশীল পণ্য খালাস করা হয়। ওই দিন ভারত থেকে ৬২টি ট্রাকে পণ্য আমদানি এবং বাংলাদেশ থেকে ৩৬টি ট্রাকে পণ্য রপ্তানি হয়।
বেনাপোল আমদানি-রপ্তানি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, টানা ছুটির কারণে সীমান্তের দুই পাশে পণ্যজট তৈরি হয়েছিল। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হওয়ায় এবং প্রায় দুই হাজার হ্যান্ডলিং শ্রমিক কাজে যোগ দেওয়ায় পণ্যজট কমতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ী, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও কাস্টমস কর্মকর্তারা পণ্য খালাসে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) মো. রুহুল আমিন জানান, ছুটির কারণে কর্মস্থলের বাইরে থাকা বন্দর ও কাস্টমসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজে যোগ দিয়েছেন। ব্যবসায়ীরা যাতে দ্রুত আমদানি করা পণ্য খালাস করতে পারেন, সেজন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।
