বড়লেখায় মেধাবী স্কুলছাত্রী মেয়েকে বাঁচাতে বাবার আকুতি
jugantor
বড়লেখায় মেধাবী স্কুলছাত্রী মেয়েকে বাঁচাতে বাবার আকুতি

  আব্দুর রব, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) থেকে  

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:৪৮:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

মৌলভী বাজার

আব্দুস সালামের অভাবের সংসার। কোনোমতে ঝালমুড়ি-আচার বিক্রি করেই চলছিল সংসারের চাকা। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে সালামের ঝালমুড়ি-আচার বিক্রি বন্ধ রয়েছে। এই অবস্থায় পরিবার নিয়ে কোনোমতে দিন চলছিল সালামের। কিন্তু হঠাৎ করেই যেন সালামের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো। তার ছোট মেয়ে মেধাবী স্কুলছাত্রী ছাদিয়া আক্তারের (১৫) হার্টের ভাল্ব নষ্ট হয়ে যায়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ছাদিয়াকে বাঁচাতে প্রয়োজন ৬ লাখ টাকা। কিন্তু যেখানে দুবেলা দু’মোঠো খেয়ে-পরে বেঁচে থাকাই কঠিন, সেখানে মেয়েকে বাঁচাতে ৬ লাখ টাকা কোথায় পাবেন আব্দুস সালাম? এই অবস্থায় চোঁখে-মুখে অন্ধকার দেখছেন তিনি। অর্থেন অভাবে তিনি মেয়েকে হাসপাতালেও ভর্তি করতে পারছেন না। তাই মেয়েকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানদের সহায়তা চেয়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলার পানিধারের বাসিন্দা ঝালমুড়ি-আচার বিক্রেতা আব্দুস সালামের মেয়ে নারীশিক্ষা স্কুলের দশম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী ছাদিয়া আক্তার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবার তাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে চিকিৎসকরা জানান ছাদিয়ার হার্টের ভাল্ব নষ্ট হয়ে গেছে। তার চিকিৎসায় প্রয়োজন ৬ লাখ টাকা। কিন্তু দরিদ্র সালামের পক্ষে ৬ লাখ টাকা যোগাড় করা সম্ভব নয়।

আব্দুস সালাম বলেন, এমনিতে অভাবের সংসার। ঝালমুড়ি-আচার বিক্রি করে কোনোমতে পরিবার চলছিল। করোনাভাইরাসের কারণে এখন তাও বন্ধ রয়েছে। আয়-রোজগার নেই। কোনোমতে বেঁচে আছি। অভাবের মধ্যে মেয়ের হার্টের ভাল্ব নষ্ট হয়ে গেছে। ডাক্তাররা বলছেন, বাঁচাতে হলে ৬ লাখ টাকা লাগবে। কিন্তু আমি এত টাকা কোথায় পাব? সমাজের বিত্তবানরা যদি একটু সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন তাহলে হয়তো আমার মেয়ের চিকিৎসা করাতে পারব।

বড়লেখায় মেধাবী স্কুলছাত্রী মেয়েকে বাঁচাতে বাবার আকুতি

 আব্দুর রব, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) থেকে 
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মৌলভী বাজার
বড়লেখা

আব্দুস সালামের অভাবের সংসার। কোনোমতে ঝালমুড়ি-আচার বিক্রি করেই চলছিল সংসারের চাকা। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে সালামের ঝালমুড়ি-আচার বিক্রি বন্ধ রয়েছে। এই অবস্থায় পরিবার নিয়ে কোনোমতে দিন চলছিল সালামের। কিন্তু হঠাৎ করেই যেন সালামের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো। তার ছোট মেয়ে মেধাবী স্কুলছাত্রী ছাদিয়া আক্তারের (১৫) হার্টের ভাল্ব নষ্ট হয়ে যায়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ছাদিয়াকে বাঁচাতে প্রয়োজন ৬ লাখ টাকা। কিন্তু যেখানে দুবেলা দু’মোঠো খেয়ে-পরে বেঁচে থাকাই কঠিন, সেখানে মেয়েকে বাঁচাতে ৬ লাখ টাকা কোথায় পাবেন আব্দুস সালাম? এই অবস্থায় চোঁখে-মুখে অন্ধকার দেখছেন তিনি। অর্থেন অভাবে তিনি মেয়েকে হাসপাতালেও ভর্তি করতে পারছেন না। তাই মেয়েকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানদের সহায়তা চেয়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলার পানিধারের বাসিন্দা ঝালমুড়ি-আচার বিক্রেতা আব্দুস সালামের মেয়ে নারীশিক্ষা স্কুলের দশম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী ছাদিয়া আক্তার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবার তাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে চিকিৎসকরা জানান ছাদিয়ার হার্টের ভাল্ব নষ্ট হয়ে গেছে। তার চিকিৎসায় প্রয়োজন ৬ লাখ টাকা। কিন্তু দরিদ্র সালামের পক্ষে ৬ লাখ টাকা যোগাড় করা সম্ভব নয়।

আব্দুস সালাম বলেন, এমনিতে অভাবের সংসার। ঝালমুড়ি-আচার বিক্রি করে কোনোমতে পরিবার চলছিল। করোনাভাইরাসের কারণে এখন তাও বন্ধ রয়েছে। আয়-রোজগার নেই। কোনোমতে বেঁচে আছি। অভাবের মধ্যে মেয়ের হার্টের ভাল্ব নষ্ট হয়ে গেছে। ডাক্তাররা বলছেন, বাঁচাতে হলে ৬ লাখ টাকা লাগবে। কিন্তু আমি এত টাকা কোথায় পাব? সমাজের বিত্তবানরা যদি একটু সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন তাহলে হয়তো আমার মেয়ের চিকিৎসা করাতে পারব।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন