Logo
Logo
×

Advertisement

সারাদেশ

যুবলীগ নেতাকে চোখ বেঁধে নির্যাতন

Advertisement

Icon

ফরিদপুর ব্যুরো

প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:২৬ পিএম

যুবলীগ নেতাকে চোখ বেঁধে নির্যাতন

Advertisement

ফরিদপুরে ডিবি পুলিশের হাতে আটক থাকা অবস্থায় যুবলীগের এক নেতাকে চোখ বেঁধে নির্যাতন এবং পুলিশ পরিদর্শকের সাথে কথোপকথনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

 এ ঘটনায় জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত সোমবার রাতে ফেসবুকে ভিডিওটি আপলোড করা হয়। 

ভিডিওতে দেখা গেছে, জিনসের প্যান্ট ও কোট পরা এক ব্যক্তির হাতে হাতকড়া। দুই চোখ গামছা দিয়ে বাঁধা। তার সামনে চেয়ারে বসা এক ব্যক্তি বলছেন, ‘তোর কী হইছে? কে মারছে? আমি তো তোগের লোক না। তোগের লোক হলে থানায় থাকতে পারতাম। আমি এমপি নিক্সন চৌধুরীর লোক।’ 

আরাফাতের দাবি, চোখ বাঁধা ওই ব্যক্তি তিনি। আর চেয়ারে বসা ব্যক্তিটি ছিলেন ডিবির সাবেক ওসি আহাদুজ্জামান।

আরাফাত বলেন, গত ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ভাঙ্গার কাউলিবেড়া এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে এবং ১০ ফেব্রুয়ারি জামিনে বের হন। হাতকড়া পরিয়ে গাড়ির মধ্যে চারজন পুলিশ সদস্য আমাকে মারধর করেন। পুখুরিয়া এলাকায় আমাকে ডিবি পুলিশের গাড়িতে তুলে দেয়া হয়। তখন আমার চোখ বেঁধে ফেলা হয়। নানাভাবে ভয় দেখানো হয়। বলা হয়, ‘তোকে ক্রসফায়ারে দেব। সকালের সূর্য তুই দেখতে পারবি না। আজই তোর শেষ রাত।’ 

পরে আমাকে চেয়ারে পিছমোড়া করে বাঁধা হয়। এরপর আমার দুই পায়ে বেতের লাঠি দিয়ে অন্তত ৩০ মিনিট পেটানো হয়। ১০ মিনিট বিরতি দিয়ে আবার পেটানো হয়। পরে সেখানে আসেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের তৎকালীন ওসি আহাদুজ্জামান।

আরাফাত বলেন, আমাকে নির্যাতন করে ভিডিও করেছে যে সব কমর্কতারা আমি তাদের বিচার চাই, যাতে আর কোনো আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা এভাবে নির্যাতনের শিকার না হয়। 

আহাদুজ্জামান ২০১৯ সালের ১৭ নভেম্বর থেকে ২০২০ সালের ১২ মার্চ পর্যন্ত জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি ছিলেন। পরে তাকে সদরপুর উপজেলার চন্দ্রপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হিসেবে বদলি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই আছেন।

আহাদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, আমি আরাফাতকে চোখ বাঁধা অবস্থায় পেয়েছি। তাকে মারধর করা হয়েছে কিনা জানি না। এর আগে আরাফাত আমাকে বলেছিলেন, আমি নাকি এমপি নিক্সন চৌধুরীর লোক। এর উত্তরে আমি বলেছি, ‘নিক্সন চৌধুরীর লোক হলে আমি থানাতেই থাকতে পারতাম’। এ বিষয়ে তিনি আর কিছু জানেন না বলে দাবি করেন।

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) জামাল পাশাকে আহ্বায়ক করে মঙ্গলবার রাতে পুলিশের তরফ থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল ইসলাম ও ভাঙ্গা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজী রবিউল ইসলাম।

Advertisement

ফরিদপুর ছাত্রলীগ

Advertisement

আরও পড়ুন

গাজীপুরসহ ১৮ জেলার যানজট নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনার দাবি

গাজীপুরসহ ১৮ জেলার যানজট নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনার দাবি

‘আমি এখন বিএনপি নেতা’, সাংবাদিককে ইউএনও

‘আমি এখন বিএনপি নেতা’, সাংবাদিককে ইউএনও

থানায় ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাগবিতণ্ডার ঘটনায় পুলিশের জিডি

থানায় ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাগবিতণ্ডার ঘটনায় পুলিশের জিডি

‘বেহেশতের গ্যারান্টি দিতে পারব না, তবে উন্নয়নের গ্যারান্টি দিতে চাই’

‘বেহেশতের গ্যারান্টি দিতে পারব না, তবে উন্নয়নের গ্যারান্টি দিতে চাই’

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম