Logo
Logo
×

Advertisement

ডাক্তার আছেন

কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট ও হার্ট অ্যাটাকের মধ্যে পার্থক্য

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫০ পিএম

কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট ও হার্ট অ্যাটাকের মধ্যে পার্থক্য

ফাইল ছবি

Advertisement

হার্ট অ্যাটাকের কথা কমবেশি সবারই জানা। তবে অভিনেতা নানা পাটেকরের মৃত্যুর পর চিকিৎসকদের প্রাথমিক বক্তব্যে উঠে এসেছে, তিনি কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত হয়েছিলেন। গোয়ায় নিজের বাড়ি থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে টানা ৪৫ মিনিট ধরে সিপিআর দিয়েও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

হার্ট অ্যাটাক ও কার্ডিয়াক অ্যারেস্টকে অনেকেই একই ধরনের সমস্যা মনে করেন। অথচ দুটি আলাদা শারীরিক অবস্থা এবং উভয়ই অত্যন্ত বিপজ্জনক। হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করে রোগীকে বাঁচানোর সুযোগ থাকে। অন্যদিকে, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হলে হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। তখন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা না নিলে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা দ্রুত কমে যায়। নানা পাটেকরের ক্ষেত্রে এমন পরিস্থিতিই হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়।

কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট কী: কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে হার্ট আর পাম্প করতে পারে না। ফলে গোটা শরীরে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। রক্তের মাধ্যমে মস্তিষ্কে অক্সিজেন পৌঁছোয়। অক্সিজেন পৌঁছোনো বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে রোগী কোমায় চলে যেতে থাকেন। অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় এবং শেষ পর্যন্ত সংজ্ঞা হারান রোগী। এ ক্ষেত্রে হার্ট কাজ করা পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে পারে। রোগী কয়েক সেকেন্ডে জ্ঞান হারাতে পারেন। কাজেই কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হলে রোগীকে বাঁচানো মুশকিল হয়ে পড়ে।

হার্ট অ্যাটাকে কী হয়: হার্টে রক্ত চলাচল যদি বন্ধ হতে থাকে, তা হলে হৃদপেশির সঙ্কোচন ও প্রসারণে সমস্যা হয়। হার্ট তখন ঠিকমতো পাম্প করে রক্তসঞ্চালন করতে পারে না। তখনই হয় হার্ট অ্যাটাক। আবার হৃৎপিণ্ডের করোনারি ধমনীর মধ্যে যদি কোনো কারণে ব্লকেজ হয়ে যায়, তখনো রক্ত চলাচল বাধা পায়। ফলে হৃৎস্পন্দন অনিয়মিত হয়ে যেতে থাকে। রোগীর বুকে ব্যথা হয়, শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, হার্ট ও মস্তিষ্কে অক্সিজেনের প্রবাহ কমে গিয়ে জ্ঞান হারাতে পারেন রোগী। এ অবস্থাই হলো হার্ট অ্যাটাক। তবে হার্ট পুরোপুরি অকেজো হয়ে যায় না, তার কার্যক্ষমতা কমে আসে মাত্র। সঠিক সময়ে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারলে বাঁচানো সম্ভব।

হার্ট অ্যাটাক আচমকা হতে পারে। তবে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার এক মাস আগে থেকেই শরীর নানা লক্ষণ দেখিয়ে সাবধান করতে থাকে। যেমন বুকের মধ্যে একটা চাপা ব্যথা হবে, আচমকা কোনও কারণ ছাড়া বমি হতে পারে।

কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের লক্ষণ আগে থেকে বোঝা যায় না। একাধিক বার হার্ট অ্যাটাক, অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন, ওষুধের ওভারডোজ় এবং কিছু ক্ষেত্রে জিনগত কারণে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হতে পারে।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট ও হার্ট অ্যাটাকের মধ্যে পার্থক্য

কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট ও হার্ট অ্যাটাকের মধ্যে পার্থক্য

ফুসফুসের যক্ষ্মা: কতটা ছোঁয়াচে, কখন বাড়ে সংক্রমণের ঝুঁকি

ফুসফুসের যক্ষ্মা: কতটা ছোঁয়াচে, কখন বাড়ে সংক্রমণের ঝুঁকি

প্রতিটি জেলায় ক্যানসার কেমোথেরাপি ডে-কেয়ার সেন্টার: এখনই ভাবার সময়

প্রতিটি জেলায় ক্যানসার কেমোথেরাপি ডে-কেয়ার সেন্টার: এখনই ভাবার সময়

থাইরয়েড ক্যানসারের ৫ সতর্কসংকেত, যা অবহেলা করবেন না

থাইরয়েড ক্যানসারের ৫ সতর্কসংকেত, যা অবহেলা করবেন না

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম