Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

নিজের দু:সময়ের কথা জানালেন ঐন্দ্রিলা

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:০৬ পিএম

নিজের দু:সময়ের কথা জানালেন ঐন্দ্রিলা

ঐন্দ্রিলা সেন। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

ভারতীয় বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা সেন সম্প্রতি এক পডকাস্টে বলেন, বাবার আকস্মিক মৃত্যু আমার ও আমার মায়ের জীবনকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছিল। এক সময় চরম হতাশার মুখোমুখি হয়ে আমরা আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।  সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে দুঃসহ সময়ের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে এই কথা বলেন অভিনেত্রী।

পডকাস্টে তিনি বলেন, কোলাঘাটের কাছে একটি শুটিংয়ে গিয়েছিলেন তিনি, সঙ্গে ছিলেন তার মা। শুটিংয়ের কিছুক্ষণ আগেই বাবার সঙ্গে কথা হয়েছিল।  হঠাৎ ফোন আসে-দুর্ঘটনার খবর।  দ্রুত কলকাতায় ফিরলেও আর বাবাকে জীবিত দেখা হয়নি।

২০১৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান ঐন্দ্রিলার বাবা শান্তনু সেন।  তখন ঐন্দ্রিলার বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর। 

নিজেদের পারিবারিক অবস্থার কথা বর্ণনা করতে গিয়ে ঐন্দ্রিলা বলেন, বাবাই ছিলেন পরিবারের সবকিছু।  আমরা জানতাম না এটিএম থেকে টাকা তুলতে হয় কীভাবে, বিদ্যুতের বিল কীভাবে দিতে হয়।  সবকিছুতেই বাবার ওপর নির্ভরশীল ছিলাম। 

বাস্তবতা মেনে নিতে অভিনেত্রীর সময় লেগেছে বহুদিন।  বাবার শোক কাটিয়ে উঠা কতটা কঠিন তা বোঝাতে তিনি বলেন, শ্মশানে বসেও আমি অবচেতনে বলেছিলাম, বাবাকে বলো বাবা সব এনে দেবে। 

বাবা মৃত্যুর হতাশা থেকেই একসময় তারা দুজনেই ভয়ংকর মানসিক সংকটে পড়ে যান বলে জানা তিনি।  পডকাস্টে ঐন্দ্রিলা বলেন, সেই সময় তাঁদের সামনে ভবিষ্যৎ বলে কিছু স্পষ্ট ছিল না-কীভাবে সংসার চলবে, কোথায় কী আছে, কিছুই জানা ছিল না।  একটা সময় আমি আর মা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, আমরা আত্মহত্যা করব।  অনেক কষ্টে সেই সময় থেকে বেরিয়ে এসেছি।

ঐন্দ্রিলার অভিনয়জীবনের শুরু রবি কিনাগী পরিচালিত ‘বন্ধন’ সিনেমার মাধ্যমে।  ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত জিৎ–কোয়েল অভিনীত এই ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে দেখা যায় তাকে। 

বর্তমানে ঐন্দ্রিলার হাতে ‘সাজঘর’ ও ‘চন্দ্রবিন্দু’সহ একাধিক চলচ্চিত্রের কাজ রয়েছে। 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম