Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

১৪ বোতল মদ ইস্যুতে মেহজাবীনের আইনি পদক্ষেপ

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম

১৪ বোতল মদ ইস্যুতে মেহজাবীনের আইনি পদক্ষেপ

অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

সম্প্রতি লাগেজে মদের বোতল পাওয়ার অভিযোগ ঘিরে আলোচনায় এসেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। গত বছরের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত কয়েকটি সংবাদে দাবি করা হয়, বিদেশ থেকে ফেরার সময় বিমানবন্দরে তার লাগেজে মদের বোতল পাওয়া যাওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। তবে এ অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন তিনি।

বিষয়টি নিয়ে সরাসরি সংবাদ সম্মেলন না করলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন মেহজাবীন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে অভিযোগ করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, সম্প্রতি তাকে জড়িয়ে যে মানহানিকর প্রচার চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি ইতোমধ্যে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন। তার দাবি, উল্লিখিত কোনো ঘটনায় তাকে কখনোই বিমানবন্দরে আটকানো হয়নি। এমনকি তার কোনো হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজও জব্দ করা হয়নি। তার লাগেজে অবৈধ কিছু পাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মেহজাবীন আরও বলেন, যেসব তথ্য ছড়ানো হচ্ছে সেগুলোর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেননি বলেও দাবি করেন তিনি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বা তার লাগেজ থেকে অবৈধ কিছু উদ্ধার হয়েছে—এমন কোনো ছবি, ভিডিও বা প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে কিনা।

পোস্টে তিনি লেখেন, বর্তমানে মানহানি যেন খুব স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার অভিযোগ, কোনো প্রমাণ ছাড়াই ক্লিকবেইট তৈরির উদ্দেশ্যে তার ছবি ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশ করা হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। 

নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোকে তিনি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন উল্লেখ করে বলেন, এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

উল্লেখ্য, প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের আগস্টে বিদেশ থেকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফেরার সময় মেহজাবীন চৌধুরীকে আটক করা হয়েছিল। সেখানে তার লাগেজে ১৪ বোতল মদ পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়। ওই সময় তার সঙ্গে নির্মাতা ও প্রযোজক স্বামী আদনান আল রাজীব এবং নির্মাতা শঙ্খ দাসগুপ্ত ছিলেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম