Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

মারা গেছেন ‘একুশে পদকপ্রাপ্ত’ কণ্ঠশিল্পী মাহবুবা রহমান

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৬, ১২:০৩ পিএম

মারা গেছেন ‘একুশে পদকপ্রাপ্ত’ কণ্ঠশিল্পী মাহবুবা রহমান

কণ্ঠশিল্পী মাহবুবা রহমান। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

ঢাকার প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এর কণ্ঠশিল্পী মাহবুবা রহমান আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত এ গায়িকা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। মাহবুবা রহমান বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।

১৯৪৭ সালে তৎকালীন ‘অল ইন্ডিয়া রেডিও’র ঢাকা কেন্দ্র থেকে প্রথম তার গান প্রচারিত হয়। পঞ্চাশ ও সত্তর দশকের রেডিও এবং চলচ্চিত্রের অসংখ্য কালজয়ী গানের কারিগর ছিলেন তিনি। মূলত পল্লিগীতি ও আধুনিক গানে তার দখল ছিল ঈর্ষণীয়। সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক’-এ ভূষিত হয়েছিলেন।

এ দেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এ সমর দাসের সুরে তার গাওয়া ‘মনের বনে দোলা লাগে’ গানটি আজীবন শ্রোতাদের হৃদয়ে গেঁথে থাকবে। এরপর জহির রায়হানের ‘কখনো আসেনি’ ছবিতে খান আতাউর রহমানের সুরে ‘নিরালা রাতের প্রথম প্রহরে’ কিংবা ‘তোমাকে ভালোবেসে অবশেষে কী পেলাম’ এমন সব গান তাকে কিংবদন্তির আসনে বসিয়েছে।

জাগো হুয়া সাভেরা, আসিয়া, এ দেশ তোমার আমার, যে নদী মরুপথে, কখনো আসেনি, সূর্যস্নান, সোনার কাজল, নবাব সিরাজউদ্দৌলা, সাত ভাই চম্পার মতো ঢাকার প্রথম দিকের অনেক সিনেমায় প্লেব্যাক করেছেন তিনি। ১৯৫০ সালে তিনি আবুল হাসনাতের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে পারিবারিক অমতে হওয়া সেই বিয়ে টেকেনি।  

পরবর্তীতে ১৯৫৮ সালে প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও সংগীতজ্ঞ খান আতাউর রহমানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। এই দম্পতির ঘরে এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে, যাদের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রুমানা ইসলাম।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম