Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

তিনি ছিলেন আমাদের ‘সাউন্ডট্র্যাক’: প্রিয়াংকা চোপড়া

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৭ পিএম

তিনি ছিলেন আমাদের ‘সাউন্ডট্র্যাক’: প্রিয়াংকা চোপড়া

বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া ও সদ্য প্রয়াত আশা ভোসলে। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

নব্বই দশকে তুমুল জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছিলেন আশা ভোসলে। বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া তাকে ‘শৈশবের সংগীতসঙ্গী’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তিনি ছিলেন আমাদের সাউন্ডট্র্যাক। 

তার মৃত্যুতে বলিউড, সংগীতজগত ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহশিল্পী, সুরকার ও চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বরা সামাজিক মাধ্যমে তাকে স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

সুরকার এ আর রহমান শোক প্রকাশ করে বলেন, আশা ভোসলে ছিলেন ভারতীয় সংগীতের ইতিহাসে এক অনন্য প্রতিভা। তার ভাষায়— তার কণ্ঠ ছিল অসাধারণভাবে বহুমুখী, এবং তিনি ভারতীয় সংগীতকে বিশ্বমঞ্চে নিয়ে যেতে বড় ভূমিকা রেখেছেন।

নতুন প্রজন্মের গায়িকা হার্ষদীপ কৌর তাকে সংগীতের প্রতিষ্ঠান হিসেবে আখ্যা দিয়ে লেখেন, ভালোবাসার কণ্ঠ আর আমাদের মাঝে নেই… তিনি ছিলেন সংগীতের একটি প্রতিষ্ঠান।

গায়িকা আলকা ইয়াগনিক নারী প্লেব্যাক গায়িকাদের জন্য তার অবদান তুলে ধরে বলেন, তিনি নারী প্লেব্যাক শিল্পীদের জন্য স্বাধীনতার প্রতীক ছিলেন।

গায়ক উদিত নারায়ণ তাকে প্রজন্মের অনুপ্রেরণা হিসেবে স্মরণ করেন। সুরকার ও গায়ক বিশাল দাদলানি তার মৃত্যুতে একে 'যুগের অবসান' হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তার মতো কণ্ঠ আর কখনো পাওয়া যাবে না।

গায়ক সেলিম মার্চেন্ট তাকে সংগীত শিক্ষার জীবন্ত পাঠশালা হিসেবে উল্লেখ করেন। চলচ্চিত্র নির্মাতা করণ জোহর বলেন, তার কণ্ঠ বলিউড সিনেমার আবেগের ভিত্তি ছিল। তিনি লেখেন—তারপর সিনেমার সংগীত আর কখনো একই রকম শোনাবে না।

রাজনৈতিক অঙ্গনে মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে তাকে 'অমর কণ্ঠ' ও 'একটি মহান যুগের স্তম্ভ' হিসেবে উল্লেখ করেন। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ বলেন, তার মতো বহুমুখী শিল্পী আর কখনো আসবেন না। মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী অশীষ শেলার এই মৃত্যুকে সংগীত জগতের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে অভিহিত করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্ত ও শিল্পীরা একটি যুগের অবসান, কিংবদন্তি ও অমর কণ্ঠ শব্দগুলো ব্যবহার করে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

আশা ভোসলের মৃত্যুতে ভারতীয় চলচ্চিত্র সংগীতের একটি সোনালি অধ্যায়ের অবসান ঘটেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম