Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

ভক্তদের জন্য গায়ক রিংকুর দুঃসংবাদ

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৭:১৯ পিএম

ভক্তদের জন্য গায়ক রিংকুর দুঃসংবাদ

লোকসংগীতশিল্পী রিংকু। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

ক্লোজআপ ওয়ানখ্যাত জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী মশিউর রহমান রিংকু। দীর্ঘদিন ধরেই সংগীতাঙ্গন থেকে দূরে আছেন তিনি। শারীরিকভাবে অসুস্থ এই কণ্ঠশিল্পী সম্প্রতি জানিয়েছেন, চারবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর তিনি আর সংগীতাঙ্গনে ফিরতে পারবেন না বলে মনে করছেন। 

তিনি আরও জানান, পরিপূর্ণভাবে ফিরতে না পারলে গানে ফেরারও তার কোনো ইচ্ছা নেই। শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে বর্তমানে নিজ গ্রামের বাড়িতেই নিভৃতে সময় কাটছে এই শিল্পীর। 

সম্প্রতি ‘পথের গল্প’ নামের একটি ট্রাভেল ডকুমেন্টারিতে অংশ নিয়ে নিজের বর্তমান শারীরিক অবস্থা, সংগীতজীবন এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন রিংকু। সেখানেই এসব কথা তুলে ধরেন তিনি। 

রিংকু বলেন, ‘পুরোপুরি গানে ফেরার ইচ্ছা আমার নেই। ইচ্ছা করলেও সেই সম্ভাবনা নেই। কারণ চারবার স্ট্রোক হয়েছে। এর মধ্যে একবার-দুবার তো কেউ জানতই না। চারবার যখন স্ট্রোক হয়ে গেল, তখন আমি বুঝলাম সব আশা শেষ। এটা মানতে হবে, কারণ এটাই সত্য।’ 

সংগীত জগতে প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে তার ভাষ্য, ‘আসলে আমি যেভাবে ব্যাক করতে চাই, সেভাবে আর হবে না। পরিপূর্ণভাবে ব্যাক করতে না পারলে ব্যাক করার দরকার নেই। আমি মরে গেলেও গানগুলো তো থাকবে। একটাই আহ্বান আমার, গানগুলো যেন নষ্ট না হয়।’ 

শহুরে মানুষের সম্পর্ক ও ভালোবাসা নিয়েও এই লোকসংগীতশিল্পীর কণ্ঠে ঝরে আক্ষেপের সুর। তিনি মনে করেন, গ্রামের মানুষের ভালোবাসা অনেক বেশি আন্তরিক। রিংকুর কথায়, ‘শহরের মানুষের ভালোবাসা হচ্ছে কাজের জন্য ভালোবাসা। আর গ্রামের মানুষের ভালোবাসা অরিজিনাল। তারাই এখন আমার বন্ধু। একটা কথা আছে কাজ করলে কাজী, কাজ ফুরালে পাজি। ঠিক তেমন হচ্ছে শহরের মানুষের ভালোবাসা। 

যদি কারো কাজ করে দিতাম তাহলে ভালোবাসত, কাজ না করে দিলে আমি নেই বিষয়টি এমন আরকি। সেই সময়ের কোনো বন্ধুই নেই এখন। কেউ খোঁজ রাখে না। যদি কারো জন্য কিছু করে থাকি, সেটা আমি করেছি। কিন্তু কারো সিমপ্যাথি আমি চাই না।’ 

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই শারীরিকভাবে বেশ ভুগছেন রিংকু। শরীরের একপাশ অবশ হয়ে যাওয়ার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাপনও তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। সেই বাস্তবতা মেনে নিয়েই এখন গ্রামের মানুষদের সান্নিধ্যে দিন কাটছে তার। বর্তমানে গ্রামের সাধারণ মানুষের ভালোবাসা এবং সান্নিধ্যই তাকে বেঁচে থাকার শক্তি জোগাচ্ছে বলে জানান রিংকু। 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম