মাতৃত্বের পরের শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন ক্যাটরিনা
Advertisement
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
মা হওয়ার পর নিজের চেহারায় আসা পরিবর্তন এবং তা নিয়ে চলা নানা আলোচনার মুখে এ বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ।
সম্প্রতি ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়া’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাতৃত্বকালীন ত্বকের যত্ন, নিজের পরিচর্যা এবং সৌন্দর্য নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গিতে কীভাবে পরিবর্তন এসেছে, তা নিয়ে আলোচনা করেন এই তারকা।
মাতৃত্ব কীভাবে তার ত্বক ও শরীরের যত্নের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে ক্যাটরিনা জানান, গর্ভাবস্থার পর তার ত্বক আগের চেয়ে অনেক বেশি সংবেদনশীল হয়ে পড়েছে। ফলে কোন প্রসাধন সামগ্রী তার ত্বকের উপযোগী, তা বুঝে ওঠা বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
প্রসাধন ব্র্যান্ড ‘কে বিউটি’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা এই অভিনেত্রী জানান, এ সময় তিনি এমন পণ্য খোঁজ করতেন যা ত্বককে প্রশমিত ও পুনরুজ্জীবিত করে। ব্র্যান্ডটির একটি ক্রিমের চূড়ান্ত পরীক্ষার সময় তিনি লক্ষ্য করেন যে এটি ব্যবহারের পর তার ত্বক অনেক বেশি শান্ত ও সতেজ অনুভূত হচ্ছে। এ ছাড়া ত্বকের প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর বা ‘স্কিন ব্যারিয়ার’ সুস্থ রাখার ওপরও তিনি বিশেষ জোর দেন।
মডেলিং ও অভিনয়ে আসার পর সৌন্দর্যের সংজ্ঞা তার কাছে কীভাবে বদলেছে, সে কথাও জানিয়েছেন ক্যাটরিনা।
ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের সৌন্দর্যের মাপকাঠি ও প্রচলিত ধারণাগুলোর কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, এখন তার কাছে সেরা লুক পাওয়ার অর্থ হলো ভেতর থেকে সুস্থ ও ভালো বোধ করা।
সামগ্রিক সুস্থতার জন্য তিনি বেশ কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের কথা উল্লেখ করেন—যেমন সুষম ডায়েট মেনে চলা, সক্রিয় থাকা, নিয়মিত ধ্যান করা, সকালবেলা এক ঘণ্টা ফোন থেকে দূরে থাকা এবং দিনের শুরুতে প্রাকৃতিক আলো গায়ে লাগানো।
তার মতে, মানুষ যখন ভেতর থেকে সুস্থ বোধ করে, তখন সেই আত্মবিশ্বাস বাইরেও স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।
ব্যক্তিগত জীবন ও পরিবার
২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে অভিনেতা ভিকি কৌশলের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ক্যাটরিনা। তারকা দম্পতি হিসেবে ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রাখতেই পছন্দ করলেও মাঝে মধ্যে অনুরাগীদের সঙ্গে জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাগ করে নেন তারা।
সম্প্রতি প্রথম সন্তানের মা হওয়ার পর থেকেই নিজের শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে এই অভিনেত্রীকে নানা আলোচনা-সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছে, যার জবাবে ক্যাটরিনার এই সচেতন ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রশংসিত হচ্ছে।

