Logo
Logo
×

Advertisement

বিনোদন

৩৫ বছর আলাদা থেকেও বিচ্ছেদ নয়—নানা পাটেকরের দাম্পত্য জীবন নিয়ে যা জানা গেল

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৪ পিএম

৩৫ বছর আলাদা থেকেও বিচ্ছেদ নয়—নানা পাটেকরের দাম্পত্য জীবন নিয়ে যা জানা গেল

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

বলিউড অভিনেতা নানা পাটেকরের মৃত্যুর পর আলোচনায় উঠে এসেছে তার দীর্ঘদিনের দাম্পত্য জীবন, স্ত্রী নীলকান্তি পাটেকরের নীরব সংগ্রাম এবং তাদের সম্পর্কের নানা অজানা অধ্যায়।পর্দায় নানা পাটেকর ছিলেন দৃঢ় ব্যক্তিত্বের এক শক্তিশালী অভিনেতা। কিন্তু পর্দার বাইরের জীবনেও ছিল ভালোবাসা, সন্তান হারানোর গভীর শোক, দাম্পত্যের টানাপোড়েন এবং দীর্ঘদিন আলাদা থেকেও সম্পর্কের সুতো ধরে রাখার এক জটিল গল্প।

নানা পাটেকরের স্ত্রী নীলকান্তি নিজেও মারাঠি নাট্যজগৎ ও চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ। অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা, নিজের যোগ্যতায় পরিচিতি অর্জন এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা কঠিন অভিজ্ঞতা—সব মিলিয়ে তার জীবনও কম ঘটনাবহুল নয়।

থিয়েটারের মঞ্চে পরিচয়, সেখান থেকেই ভালোবাসা

নানা পাটেকর ও নীলকান্তির প্রথম পরিচয় মারাঠি থিয়েটারের সূত্রে। তখন নীলকান্তি একটি ব্যাংকে কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করতেন। চাকরির পাশাপাশি অভিনয়ের প্রতি তার ছিল গভীর আগ্রহ। থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত থাকতে গিয়েই নানার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর ধীরে ধীরে সেই সম্পর্ক গড়ায় ভালোবাসায়।

১৯৭৮ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছিল আশা, স্বপ্ন আর একসঙ্গে পথ চলার প্রতিশ্রুতি নিয়ে। কিন্তু তাদের দাম্পত্যজীবনে যেমন ছিল সুখের মুহূর্ত, তেমনই নেমে এসেছিল এমন এক শোক, যা কোনো বাবা-মায়ের পক্ষেই সহজে সামলে ওঠা সম্ভব নয়।

বিয়ের পর তাদের একটি পুত্রসন্তান জন্ম নেয়। কিন্তু মাত্র আড়াই বছর বয়সেই মারা যায় তাদের প্রথম সন্তান। ছোট্ট সন্তানকে হারানোর সেই বেদনা তাদের জীবনের অন্যতম কঠিন অধ্যায় হয়ে থাকে। পরে তাদের দ্বিতীয় ছেলে মালহার পাটেকরের জন্ম হয়।

সন্তান হারানোর শোক, সংসারের দায়িত্ব এবং সময়ের সঙ্গে বদলে যাওয়া সম্পর্ক—সবকিছু মিলিয়ে তাদের ব্যক্তিগত জীবনের পথ কখনোই পুরোপুরি মসৃণ ছিল না।

পদার্থবিদ্যায় পড়াশোনা, আইআইটির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ

নীলকান্তির অভিনয়জীবনের পেছনেও রয়েছে অন্য রকম একটি গল্প। পুনেতে জন্ম তার। বাবা কেন্দ্রীয় আবগারি দপ্তরে কর্মরত থাকায় ছোটবেলায় তাকে বিভিন্ন শহরে থাকতে হয়েছে। ঘন ঘন শহর বদলের মধ্যেই কেটেছে তার বেড়ে ওঠার দিনগুলো।

পড়াশোনায়ও ভালো ছিলেন নীলকান্তি। তিনি পদার্থবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা করেন। বাবার ইচ্ছায় আইআইটির প্রবেশিকা পরীক্ষাতেও বসেছিলেন। পরীক্ষায় উত্তীর্ণও হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু জীবনের পথ বেছে নেওয়ার সময় তার মন পড়ে ছিল অভিনয় ও থিয়েটারের দিকে।

প্রচলিত অর্থে নিরাপদ ও প্রতিষ্ঠিত পেশার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অভিনয়ের প্রতি নিজের ভালোবাসাকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন নীলকান্তি। শেষ পর্যন্ত মারাঠি থিয়েটারকেই নিজের সৃজনশীল জগতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ করে তোলেন তিনি।

এই সিদ্ধান্তই পরবর্তী সময়ে তাকে একজন দক্ষ মঞ্চাভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি এনে দেয়।

অভিনয়ে নিজের পরিচয় গড়েছিলেন নীলকান্তি

মারাঠি থিয়েটারে নিয়মিত কাজ করতে করতে অভিনয়শিল্পী হিসেবে নিজের দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন নীলকান্তি। ১৯৭৩ সালে মহারাষ্ট্র রাজ্য নাট্য প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর বিভাগে স্বর্ণপদক জেতেন তিনি। এই সম্মান তার অভিনয়প্রতিভার স্বীকৃতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

পরবর্তী সময়ে মঞ্চের পাশাপাশি মারাঠি চলচ্চিত্রেও কাজ শুরু করেন নীলকান্তি। ১৯৮৯ সালে পরিচালক ও অভিনেতা সচিন পিলগাঁওকরের ছবি _আত্মবিশ্বাস_-এ প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। ছবিতে সচিন পিলগাঁওকরের বিপরীতে দেখা গিয়েছিল তাকে। এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য মহারাষ্ট্র সরকারের শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কারও পান নীলকান্তি। 

দীর্ঘ সময় অভিনয়জগৎ থেকে দূরে থাকার পর আবারও পর্দায় ফিরে আসেন নীলকান্তি। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে নির্মিত _ছাবা_ ছবিতে তাকে দেখা যায়। ভিকি কৌশল ও রাশমিকা মান্দান্না অভিনীত এই ছবিতে তিনি ধারাউ চরিত্রে অভিনয় করেন। তার এই প্রত্যাবর্তন পুরোনো দর্শকদের কাছে নতুন করে তাকে আবিষ্কারের সুযোগ তৈরি করে।

একই ছাদের নিচে নয়, তবু আইনিভাবে স্বামী-স্ত্রী

নানা পাটেকর ও নীলকান্তির সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই কৌতূহল রয়েছে। কারণ, তারা বিবাহিত থাকলেও বহু বছর ধরে আলাদা বসবাস করছিলেন। বিভিন্ন সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তাদের এই আলাদা থাকার সময়কাল প্রায় ৩৫ বছর।

তবে আলাদা থাকলেও তারা আইনিভাবে বিবাহবিচ্ছেদ করেননি। অর্থাৎ, তাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আলাদা থাকা এবং আইনি বিচ্ছেদ—দুটি বিষয় এক নয়।

এক সাক্ষাৎকারে নিজেদের সম্পর্কের বিষয়ে নানা পাটেকরকে উদ্ধৃত করে _দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস_ জানিয়েছিল, তাদের জীবনে একসময় অনেক সুখের মুহূর্ত ছিল। তারা একে অপরের পাশে থেকেছেন, কঠিন সময়ও একসঙ্গে সামলেছেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তাদের মধ্যে এমন কিছু মতপার্থক্য তৈরি হয়, যা আর মেটানো সম্ভব হয়নি। ধীরে ধীরে তারা একে অপরের কাছ থেকে দূরে সরে যান।

নানার বক্তব্যের মর্ম ছিল, তারা তখনও বিবাহিত, কিন্তু আলাদা থাকেন।    

কেন তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, সে বিষয়ে নানা সময়ে নানা আলোচনা হয়েছে। নানা নিজে তাদের স্বভাব ও চিন্তাভাবনার পার্থক্যের কথা বলেছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের সব খুঁটিনাটি প্রকাশ্যে আসেনি।

প্রথম সন্তানকে হারানোর শোক, সম্পর্কের দূরত্ব

নানা ও নীলকান্তির দাম্পত্যজীবনের আলোচনায় তাদের প্রথম সন্তানকে হারানোর ঘটনাটিও বারবার উঠে আসে। মাত্র আড়াই বছরের শিশুকে হারানো যে কোনো পরিবারের জন্যই গভীর মানসিক আঘাত। তাদের জীবনেও এই ঘটনা ছিল এক মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা।

তবে সন্তানের মৃত্যু তাদের আলাদা হয়ে থাকার সিদ্ধান্তে কতটা প্রভাব ফেলেছিল, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্যভাবে প্রতিষ্ঠিত কোনো ব্যাখ্যা নেই। তাই ব্যক্তিগত শোকের ঘটনাকে তাদের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার একমাত্র কারণ হিসেবে দেখাও ঠিক হবে না।

পরবর্তী সময়ে তাদের দ্বিতীয় ছেলে মালহার পাটেকর তাদের পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠেন। নানা ও নীলকান্তির ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও তাদের পারিবারিক সম্পর্কের সব দিকই যে প্রকাশ্যে এসেছে, এমন নয়।

দীর্ঘদিন আলাদা থাকার পরও তারা আইনি বিচ্ছেদের পথে হাঁটেননি। এই সিদ্ধান্তের পেছনে তাদের নিজস্ব উপলব্ধি, ব্যক্তিগত পরিস্থিতি কিংবা পারিবারিক বিবেচনা কাজ করে থাকতে পারে। কিন্তু তারা নিজেরা যতটুকু বলেছেন, তার বাইরে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো কঠিন।

মানিশা কৈরালার সঙ্গে নানার সম্পর্ক: বন্ধুত্ব, না কি প্রেম?

নানা পাটেকরের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনায় আরেকটি নাম বারবার উঠে আসে—অভিনেত্রী মানিশা কৈরালা।

নব্বইয়ের দশকে নানা ও মানিশার সম্পর্ক নিয়ে বলিউডে বিস্তর জল্পনা ছড়িয়েছিল। ‘অগ্নি সাক্ষী’, ‘খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল’সহ একাধিক ছবিতে তাদের একসঙ্গে দেখা যায়। ১৯৯৬ সালে মুক্তি পাওয়া এই দুটি ছবিতে তাদের অভিনয় দর্শকদের নজর কাড়ে। পরে ১৯৯৮ সালে ‘যুগপুরুষ’ছবিতেও একসঙ্গে কাজ করেন তারা।

পর্দায় তাদের উপস্থিতি, কাজের সূত্রে ঘনিষ্ঠতা এবং পরস্পরের সঙ্গে বোঝাপড়াকে কেন্দ্র করে তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়। সে সময় বলিউডের বিনোদন সংবাদমাধ্যমেও তাদের কথিত প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা চলেছিল।

তবে পুরোনো প্রতিবেদন কিংবা পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন বর্ণনা থেকে এমন কোনো নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায় না, যার ভিত্তিতে বলা যায় যে নানা পাটেকর ও মানিশা কৈরালা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন।

 ‘অগ্নি সাক্ষী’র লেখক কী বলেছিলেন তাদের সম্পর্ক নিয়ে?

২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে নানা পাটেকর ও মানিশা কৈরালার সম্পর্ক নিয়ে পুরোনো আলোচনা নতুন করে সামনে আসে। ‘অগ্নি সাক্ষী’

 ছবির লেখক রণবীর পুষ্প তাদের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে কথা বলেন।

ছবির কাজের সময় নানা ও মানিশার মধ্যে ঘনিষ্ঠতা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া ছিল বলে জানান তিনি। তার স্মৃতিচারণ অনুযায়ী, দৃশ্যের অভিনয় নিয়ে দুজন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতেন। চরিত্র ও দৃশ্য কীভাবে ফুটিয়ে তোলা যায়, তা নিয়ে তাদের এই বোঝাপড়া পর্দার অভিনয়েও প্রতিফলিত হয়েছিল বলে তার মনে হয়েছিল।

তবে তাদের সম্পর্ককে প্রেমের সম্পর্ক হিসেবে ব্যাখ্যা করেননি রণবীর পুষ্প।

তাদের মধ্যে বন্ধুত্বের বাইরে অন্য কোনো সম্পর্কের ইঙ্গিত তিনি পেয়েছিলেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, সে সময় তাদের সম্পর্ককে তিনি কখনো সেভাবে দেখেননি। পরে সংবাদমাধ্যমে তাদের কথিত প্রেম নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন পড়লেও ব্যক্তিগতভাবে এমন কিছু দেখেননি, যা তাকে নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করাতে পারে যে তাদের সম্পর্ক বন্ধুত্ব ও পেশাগত বোঝাপড়ার চেয়ে বেশি কিছু ছিল।

বিবাহবিচ্ছেদ নয়, আলাদা জীবন—নীলকান্তির সঙ্গে নানার সম্পর্কের শেষ অধ্যায়

নানা পাটেকরের প্রকাশ্য জীবনের পরিচিতি যত বিস্তৃত ছিল, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তিনি ততটাই সংযত ছিলেন। তার অভিনয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থান, বিভিন্ন চলচ্চিত্রে উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বারবার। কিন্তু পরিবার ও দাম্পত্যের ব্যক্তিগত বিষয়গুলো নিয়ে তিনি সাধারণত খুব বেশি কথা বলেননি।

বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, নানা ও নীলকান্তি আলাদা থাকলেও তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি। তার প্রকাশ্য জীবনীমূলক তথ্যেও নীলকান্তিকে স্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং তাদের বৈবাহিক অবস্থাকে বিবাহিত হিসেবেই দেখানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

সম্পর্ক ভালো ছিল না, তবু স্ত্রীর বেতনেই চলত নানার সংসার?

সম্পর্ক ভালো ছিল না, তবু স্ত্রীর বেতনেই চলত নানার সংসার?

নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে তনুশ্রীর করা হেনস্থার অভিযোগ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছিল যেভাবে

নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে তনুশ্রীর করা হেনস্থার অভিযোগ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছিল যেভাবে

নানা পাটেকরের প্রয়াণে ‘অপমৃত্যু’র মামলা দায়ের করল পুলিশ

নানা পাটেকরের প্রয়াণে ‘অপমৃত্যু’র মামলা দায়ের করল পুলিশ

নানা পাটেকরের জনপ্রিয় ৫ সিনেমা

নানা পাটেকরের জনপ্রিয় ৫ সিনেমা

গাড়ি কেনার দেড় কোটি টাকায় যেভাবে কৃষকদের ভাগ্য বদলে দিয়েছিলেন নানা পাটেকর

গাড়ি কেনার দেড় কোটি টাকায় যেভাবে কৃষকদের ভাগ্য বদলে দিয়েছিলেন নানা পাটেকর

কত সম্পত্তির মালিক ছিলেন নানা পাটেকর

কত সম্পত্তির মালিক ছিলেন নানা পাটেকর

আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্রে আটক কাশ্মীরি পরিচালক আরফাত জামিনে মুক্ত

যুক্তরাষ্ট্রে আটক কাশ্মীরি পরিচালক আরফাত জামিনে মুক্ত

সম্পর্ক ভালো ছিল না, তবু স্ত্রীর বেতনেই চলত নানার সংসার?

সম্পর্ক ভালো ছিল না, তবু স্ত্রীর বেতনেই চলত নানার সংসার?

নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে তনুশ্রীর করা হেনস্থার অভিযোগ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছিল যেভাবে

নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে তনুশ্রীর করা হেনস্থার অভিযোগ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছিল যেভাবে

নানা পাটেকরের প্রয়াণে ‘অপমৃত্যু’র মামলা দায়ের করল পুলিশ

নানা পাটেকরের প্রয়াণে ‘অপমৃত্যু’র মামলা দায়ের করল পুলিশ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম