ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাইমা সেন বললেন, ঋতুর সঙ্গে প্রথম দেখা হয়েছিল যখন আমি ‘চোখের বালি’ শুটিং করছিলাম। প্রথম আলাপেই আমরা বন্ধু হয়ে গিয়েছিলাম। মনে আছে, অনেক গল্প করেছিলাম। মনেই হয়নি সেদিন আমাদের প্রথম দেখা। ওর সঙ্গে পরবর্তী সময়ে কাজ হয়েছে একের পর এক। ‘নিশিযাপন’, ‘অনুরণন’।
তিনি বলেন, ওর পাশে থাকলে খুব স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। বলা ভালো, নিরাপত্তাবলয়ের মধ্যে রয়েছি বলে মনে হয়। কাজের প্রতি ওর নিষ্ঠা, দেখে শেখার মতো। এখনো কাজ-অন্তপ্রাণ ঋতু। এত বছর পরও তার কাজের পরিমাণ কমেনি। আর ঋতু সেটি চায়ও না।
এ অভিনেত্রী বলেন, মানুষ হিসেবে খুবই সৎ। সবসময় সবার কথা ভাবে, সবাইকে সাহায্য করে। পাশে থাকে। আমি জানি, ঋতু সবসময় আছে। যে কোনো বিষয়ে, প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে, একটা ফোন করলেই ওকে পাওয়া যায়। এত বড় তারকা হওয়ার পরও ওর পা থাকে মাটিতেই। ওর ব্যবহারেও তা কখনো প্রকাশ পায় না। কখনো ওর ব্যবহারে কোনো অহংবোধ দেখা যায় না। ও প্রকৃত অর্থেই বড় তারকা। সেই তকমা ফেলে রেখে সবার সঙ্গে মেশে। রাইমা সেন বলেন, সবাইকে সম্মান দিয়ে কথা বলে। ওর এই গুণগুলোর জন্যই সবার এত প্রিয় মানুষ ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। খারাপ কোনো দোষ ওর মধ্যে দেখিনি। ও সবার কথা ভাবে। আর হ্যাঁ, আমরাও একে অপরকে ভালো বুঝি।
তিনি বলেন, আমরা একসঙ্গে থাকলে খুব মজা হয়। আমরা পরনিন্দা-পরচর্চাও করি। আমাদের একই দিনে জন্মদিন হওয়ায় এই দিনে আমরা দেখা করি বা বাড়িতেই খাওয়াদাওয়া হয়। মুম্বাইয়ে আমার বাড়িতে আসে, আমি ওর বাড়িতে যাই।
তিনি বলেন, আসলে ঋতুপর্ণা খুবই খাঁটি মনের মানুষ। আমার মনে আছে, আমরা বাবুদার (সন্দীপ রায়) একটি ছবিতে কাজ করেছিলাম— ‘নিশিযাপন’-এর আউটডোর শুটিং ছিল কালিম্পঙে। ঋতু আর আমি বেরিয়ে পড়তাম ঘুরতে, প্রচুর মোমো খেয়েছিলাম। খুব মজা হয়েছিল শুটিংয়ে। আমাদের ওপর রীতিমতো রেগে গিয়েছিলেন ইউনিটের সবাই। কিন্তু এই ছবির স্মৃতি আমার মনে রয়ে যাবে আজীবন।
এ অভিনেত্রী বলেন, অনেক দিন কাজ হয়নি ঋতুর সঙ্গে, কিন্তু আমাদের বন্ধুত্ব একই আছে। যখনই দেখা হয়, আমরা জমিয়ে গল্প করি। আজ ঋতুপর্ণার জন্মদিনে আমি চাইব, ও সারাজীবন এমনই থাকুক। প্রতিটি মানুষকে এভাবেই ভালোবাসুক। আরও সাফল্য আসুক ওর জীবনে। সুস্থ থাকুক। আর আরও যেন সুন্দর সুন্দর মুহূর্ত আমরা একসঙ্গে কাটাতে পারি।

