Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

এছাড়া অন্য কোনো উপায় ছিল না: ইরানি অভিনেত্রী

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৫, ০৯:০৪ পিএম

এছাড়া অন্য কোনো উপায় ছিল না: ইরানি অভিনেত্রী

Advertisement

‘কেয়া কুল হ্যায় হাম‘ ছবিতে অভিনয় করে বলিউডে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন ইরানি অভিনেত্রী মন্দানা কারিমি। বর্তমানে শোবিজ ছেড়ে অন্যপথ বেছে নিলেন অভিনেত্রী। 

ইন্টেরিয়ার ডিজাইনিং পেশা এবং শিক্ষকতায় মন দিতে অভিনয় ছাড়েন মন্দানা। তিনি বলেন, আমি এত অল্প বয়সে একজন মডেল হয়েছি এবং নিজেকে সমর্থন করতে হয়েছিল তবে আমি সর্বদা এ সত্যটি মিস করেছি যে, আমি স্কুলে ফিরে যেতে পারিনি।

তিনি আরও বলেন, আমার এক বন্ধু একটি ইন্টিরিয়ার ডিজাইনিং সংস্থার মালিক এবং সে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে তারা কী করে তা আমি দেখতে চাই কিনা। আমি যখন সবটা ঘুরে দেখলাম, তখন আমি এটি উপভোগ করতে শুরু করলাম।

৩৬ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী স্বীকার করেন, অভিনয় এমন একটি কাজ ছিল, যা আমি কখনই পছন্দ করিনি, এই শিল্পও নয়। আমি সেখানে যে সময় কাটিয়েছি তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ, তবে এটি এমন কিছু ছিল না, যার জন্য আমি ক্ষুধার্ত বা পাগল ছিলাম।

ইন্টেরিয়র ডিজাইনে এক বছরের কোর্স শেষ করার পর কারিমি মডেলিং এবং অভিনয়ের অফার ফিরিয়েছেন। তিনি জানান, অভিনয়ে টাকা কামানোর সুবর্ণ সুযোগ। এখনো আমার কাস্টিং ডিরেক্টর বন্ধুরা আমাকে অডিশনের জন্য ডাকে এবং আমাকে বলতে হবে যে আমার এত সময় নেই। আমার প্রকল্প, ইভেন্ট এবং আমার স্কুল রয়েছে, যার ওপর আমি বর্তমানে ফোকাস করছি।

অভিনেত্রী বলেন, আমি এখন অফিসে আমার কাজ শেষ করি, তারপরে বাড়িতে আসি এবং স্কুলে যাই …আমার জীবন অনেক বদলে গেছে; কিন্তু আমি এটা ভালোবাসি।’

লকআপের মঞ্চে মন্দনা জানিয়েছিলেন, স্বামী গৌরব গোপ্তার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর খুব কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। তখনই এক বলিউড পরিচালকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। তবে পরিচালকের নাম মুখে আনেননি নায়িকা। ‘ভাগ জনি’ নায়িকা বলেন, ওই পরিচালক মুখে সবসময় নারীশক্তি এবং নারীদের স্বাধিকারের বুলি আওড়ায়, অনেকের চোখে সে আইডল। 

সম্পর্কে থাকাকালীন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন মন্দনা। নায়িকা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বেঁকে বসে পরিচালক প্রেমিক। জানিয়ে দেন ‘ফের বাবা হওয়ার জন্য আমি তৈরি নই, তুমি ৩৩ বছর বয়সে এত জলদি গর্ভবতী হয়ে যাবে বুঝতে পারিনি’।

অভিনেত্রী কান্না চেপে বলেন, ‘তখন নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলাম। আমার নিজের বাড়ি বলেও কিছু ছিল না। গৌরবের সঙ্গে আইনি বিচ্ছেদও হয়নি তখন। প্রেমিক সন্তানকে মেনে নিতে রাজি ছিল না, আমার আর কোনো উপায় ছিল না গর্ভপাত করানো ছাড়া।

Advertisement

ডা. সাবরিনা

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম