Logo
Logo
×
   

সরকার

ফুলদী নদীর ওপর সেতু নির্মাণে সরকারের আন্তরিকতার কমতি নেই: প্রতিমন্ত্রী হাবিব

Icon

গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ১০:৫২ এএম

ফুলদী নদীর ওপর সেতু নির্মাণে সরকারের আন্তরিকতার কমতি নেই: প্রতিমন্ত্রী হাবিব

ছবি: যুগান্তর

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ফুলদী নদীর ওপর বহুল প্রত্যাশিত সেতু নির্মাণে সরকারের আন্তরিকতার কোনো কমতি নেই বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহণ ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। 

শুক্রবার (২২ মে) বিকাল ৫টায় গজারিয়া উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন রসুলপুর খেয়াঘাট এলাকায় সম্ভাব্য সেতু নির্মাণস্থল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি ও জনপ্রতিনিধিদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর। বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা যাচাই-বাছাই শেষে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য আমাদের এখানে নিয়ে এসেছেন। আমরাও তাকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে চাই। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অর্থায়নসহ বিভিন্ন বিষয় জড়িত রয়েছে। সবকিছু বাস্তবতার আলোকে যাচাই-বাছাই করা হবে। ফুলদী নদীর ওপর সেতু নির্মাণে সরকারের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই।

হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, ২০০২ সালে তৎকালীন সরকারের সময় এ নদীর ওপর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে দীর্ঘ সময়েও প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতি বেড়েছে। আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যেই এ সেতু নির্মাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ সময় মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন বলেন, প্রতিমন্ত্রী, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা সরেজমিনে সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে এসেছেন। এতে স্পষ্ট বোঝা যায়, জনগণের দীর্ঘদিনের এ দাবি বাস্তবায়নে সরকারের আন্তরিকতার অভাব নেই।

উল্লেখ্য, ২০০২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ফুলদী নদীর ওপর সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। তবে দীর্ঘ ২৪ বছর পেরিয়ে গেলেও প্রকল্পটির বাস্তবায়ন হয়নি। সম্প্রতি সরকারের উচ্চপর্যায়ের এ পরিদর্শনের পর নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন গজারিয়া উপজেলার দুটি ইউনিয়নের অন্তত ৩০ হাজার ভুক্তভোগী মানুষ।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসান, বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান, মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, পুলিশ সুপার মো. মেহনাহাজুল আলম, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডা. হামিদা মুস্তফাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতারা।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .