Logo
Logo
×

Advertisement

অর্থনীতি

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে অনিশ্চয়তা কেন, জমা অর্থ কবে পাবেন গ্রাহক?

Advertisement

Icon

বিবিসি বাংলা

প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ১০:১৬ এএম

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে অনিশ্চয়তা কেন, জমা অর্থ কবে পাবেন গ্রাহক?

Advertisement

‘ব্যাংকগুলো একেক সময় একেক বাহানা দেয়, আমাদের হয়রানির কোনো শেষ নাই । প্রায় দুই বছর ধরে তিন ব্যাংকে তিন কোটির উপরে টাকা আটকে আছে আমার।’

এভাবেই বলছিলেন চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লা এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ। ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের তিনটি শাখায় তিন কোটি টাকার আমানত থাকলেও গত দেড় বছরে মাত্র সাত লক্ষ টাকা তুলতে পেরেছেন বলে দাবি এই ব্যবসায়ীর।

‘পাঁচ অগাস্টের পর থেকে অনেক আন্দোলন করছি- মন্ত্রী, উপদেষ্টা, গভর্নরসহ ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে নানাভাবে আবেদন জানিয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না,’ বলেন আজাদ।

সম্প্রতি এসব ব্যাংকের গ্রাহকরা আমানতের অর্থ ফেরতসহ নানা দাবিতে চট্টগ্রাম, রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করেছেন।

চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ এবং আগ্রাবাদ এলাকায় ব্যাংকগুলোর বেশ কয়েকটি শাখা অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই বড় আকারের খেলাপি ঋণের কারণে সংকটে রয়েছে শরিয়াভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক। দিনের পর দিন নানা কর্মসূচি পালন করেও জমা টাকা তুলতে না পারার অভিযোগ রয়েছে এসব ব্যাংকের অনেক গ্রাহকের।

নড়বড়ে অবস্থায় থাকা এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং এসআইবিএল-কে রাষ্ট্রিয় উদ্দ্যোগে একিভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠন করা হলেও পরিস্থিতি খুব একটা বদলায়নি।

বরং ব্যাংকগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব, একীভূত থাকতে অনাগ্রহ এবং আইনি মারপ্যাচে রাষ্ট্রীয় এই উদ্যোগ শেষমেষ কাজে আসবে কিনা এমন সন্দেহও তৈরি হয়েছে।

অর্থনীতিবিদ এবং ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে শুরু থেকেই ভুল পথে হেটেছে সরকার।

‘আমরা ভেবেছিলাম নতুন সরকার এসে এই পলিসিগুলো আবার রিভিউ করবে। কিন্তু এই সরকারও এগুলোকে নিয়েই এগোচ্ছে। কোনো কারণে যদি এটা ফেইল করে তাহলে টোটাল রিফর্ম প্রক্রিয়ার ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে যাবে’, বলেন বিআইবিএম এর সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী।

যদিও একীভূতকরণের এই পদক্ষেপ এখনই ভেস্তে যাওয়ার কোনো শঙ্কা নেই বলেই জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা কেন?

বাংলাদেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বড় ‘অপারেশন’ হিসেবে পরিচিত ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’।

পাঁচটি রুগ্ন ব্যাংককে বাঁচানোর উদ্দেশ্য নিয়ে গত বছরের ডিসেম্বরে শুরু হওয়া এই উদ্যোগের ভিত্তি এখন বেশ নড়বড়ে বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদ এবং ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টরা।

এই প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে যেতে মাত্র পাঁচ মাসের মাথায় সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড বা এসআইবিএল-এর আনুষ্ঠানিক আবেদন এবং অন্যান্য অংশীদারদের অস্বস্তির কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ব্যাংকিং খাত সংস্কারে নতুন পাশ হওয়া ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন ২০২৬’ এর একটি ধারা নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ক।

এক্ষেত্রে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম কাঙ্ক্ষিত গতি না পাওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ চিহ্নিত করছেন বিশেষজ্ঞরা।

যার মধ্যে আমানতকারীদের আস্থার সংকট সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। এছাড়া পাঁচটি ব্যাংকের ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতি, কর্মী বাহিনী এবং ম্যানেজমেন্ট পদ্ধতিকে এক সুতোয় গাঁথা সম্ভব হয়নি বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞদের অনেকে।

ব্যাংকগুলো মার্জার করার ক্ষেত্রে যৌক্তিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেই এখন এ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট বা বিআইবিএম এর অধ্যাপক ড. আহসান হাবীব।

‘আপনি পাঁচটা একত্রিত করলেন একটার ৯০ শতাংশ ডিফল্ট আরেকটার তো ৪০ শতাংশ। যার বেশি সে হয়তো এই পদক্ষেপে খুশি হচ্ছে কিন্তু যার কম সে তো ভাবছে অন্যের দায় কেন আমি নিতে যাবো’, বলেন তিনি।

এ ছাড়া অপেক্ষাকৃত দুর্বল অন্য ব্যাংকগুলোকেও এই উদ্যোগের আওতায় না এনে প্রশ্ন তৈরির সুযোগ রেখে দেওয়া হয়েছে বলেই মনে করেন আহসান হাবীব।

তিনি বলছেন, ‘আমরা এই সুযোগগুলো প্রথম থেকে করে দিয়েছি। অন্তর্বর্তী সরকার যখন এই পাঁচটি ব্যাংককে একত্রিত করছিল তখনও এই প্রশ্নগুলো এসেছিল কিন্তু তখন তারা কেন এটা আমলে নেয়নি?’

আইন নিয়ে যে বিতর্ক

ব্যাংকিং খাতে এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত এবং বিতর্কিত বিষয় হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে পাশ হওয়া ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন ২০২৬’।

এই আইনের বেশ কয়েকটি ধারা সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক এর সফলতার পথেও প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে বলেই মনে করেন ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টদের অনেকে।

মূলত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ব্যাংক খাতের সংস্কারে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ ২০২৫’ জারি করেছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

কিন্তু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে এই অধ্যাদেশটি ‘বিল’ আকারে পাশ হওয়ার পর সেখানে আনা কিছু পরিবর্তন নিয়ে নানা আলোচনা ও বিতর্ক চলছে।

ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী যে বিল উত্থাপন করেছেন সেখানে এমন কিছু ধারা যুক্ত করা হয়েছে যা সাবেক মালিকদের ফেরার সুযোগ করে দিয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকে দেওয়া একটি লিখিত বক্তব্যে এ নিয়ে উদ্বেগও জানিয়েছে ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস বা বিএবি।

যেখানে পাশ হওয়া নতুন আইনের ১৮(ক) ধারা নিয়েই মূল আলোচনা। দাবি করা হচ্ছে, এই ধারার মাধ্যমে একীভূত হওয়া বা ‘রেজল্যুশন’ প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকগুলোতে পুরোনো মালিকদের ফেরার আইনি পথ তৈরি করা হয়েছে।

যারা ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন, তারা যদি আবারও মালিকানায় ফিরে আসেন, তবে ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ফেরানো অসম্ভব হয়ে পড়বে বলেই মনে করে বিএবি।

সংশোধিত আইনের শর্ত পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করে সাবেক মালিকদের ফেরার সুযোগ হবে না বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর তাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন বলে জানান বিএবি সভাপতি।

এদিকে, এই ধারা ব্যবহার করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে বেরিয়ে যেতে বাংলাদেশ ব্যাংকে আনুষ্ঠানিক আবেদনও করেছে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড বা এসআইবিএল।

গত ২৭শে এপ্রিল এই সংক্রান্ত একটি আবেদনে সম্মিলিত কাঠামো থেকে বেরিয়ে আবারও স্বতন্ত্র শরিয়াহ ব্যাংক হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আইনের এই ধারা নিয়ে বিতর্ক তৈরির সুযোগ রয়েছে বলেই মনে করেন বিআইবিএম এর অধ্যাপক ড. আহসান হাবীবও।

কিন্তু এর মাধ্যমে অপরাধীরা যে নিশ্চিত ভাবে ব্যাংকগুলোতে আবার ঢুকে পড়বে এমনটি নয় বলেই মত তার।

তিনি বলেন, ‘যদি কোনো ব্যাংক ফেইল করে তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে ক্যাপিটালটা কার কাছ থেকে নিবেন, তাদের কাছ থেকেই তো নিতে হবে। আমরা কল্পনা করছি যে বিনিয়োগকারিরা সবাই খারাপ কিন্তু এখানে ছোট ছোট ইনভেস্টররাও তো রয়েছেন।’

এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং সরকারের দায়িত্বশীল ভূমিকার কথা বলছেন আহসান হাবীব।

‘যারা ক্রিমিনাল তাদের তো আইন দিয়ে ডিল করার সুযোগ রয়েছে, এখন অবশ্যই এটি নির্ভর করবে পুরো বিষয়টিকে আপনি কিভাবে বাস্তবায়ন করছেন’, বলেন তিনি।

শুরু থেকেই ভুল পথে

২০২৫ সালের ২১শে ডিসেম্বর একীভূত করা হয় এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং এসআইবিএল-কে।

ওই সময় ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ১ লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকা। যার মধ্যে খেলাপি ঋণের হার ছিল ৪৮ শতাংশ থেকে ৯৭ শতাংশ পর্যন্ত।

তারল্য সংকটে গ্রাহকদের জমানো টাকা ফেরত দেওয়ার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেছিল ব্যাংকগুলো।

এমন প্রেক্ষাপটে মূলত রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টিতে সাধারণ আমানতকারীদের রক্ষার উদ্দেশ্যে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

বহুল আলোচিত এই ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ধরা হয় ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা।

যাত্রা শুরুর পর গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে নেওয়া হয় বেশ কিছু পদক্ষেপও।

কিন্তু একীভূতকরণের পর গত পাঁচ মাসে পরিস্থিতির উন্নতি যতটা হওয়ার কথা ছিল, তা হয়নি। বরং প্রশাসনিক জটিলতা, নতুন করে পুঁজির সংস্থান না হওয়া এবং আন্তঃব্যাংক সমন্বয়হীনতা সাধারণ গ্রাহকদের আস্থা ফেরাতে পারেনি।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী বলছেন, একীভূতকরণ প্রক্রিয়া শুরু থেকেই ভুল পথে এগিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘মার্জার সবসময়ই একটা ভলান্টারি প্রক্রিয়া, এখানে তো সেটা মানা হয়নি। এখানে নিজেদের খেয়ালখুশি মতো ধরে মার্জ করা হয়েছে, এটা তো জোর করে হয় না।’

একীভূত করার কতগুলো অর্থনৈতিক ধাপ ও ধরন রয়েছে যেগুলো এক্ষেত্রে বিবেচনায় রাখা হয়নি বলেও মনে করেন তৌফিক আহমদ চৌধুরী।

‘ভালোর সঙ্গে খারাপের মার্জার হতে পারে কিন্তু সবগুলো খারাপ একসাথে মার্জ করলে তো ফলাফল জিরোই থাকবে। এগুলো খুব ভালো ফল দিবে বলে আমার মনে হয় না’, বলেন তিনি।

ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা বা অপরাধ ঠেকাতে সার্বিক ব্যর্থতার দায় রাষ্ট্রকেই নিতে হবে বলে মত বিআইবিএম এর অধ্যাপক ড. আহসান হাবীবের।

তিনি বলছেন, ‘আমাদের মতো দেশে যদি কোনো ব্যাংক কমার্শিয়ালি ফেইল করে তাহলে তার দায় গ্রাহকদেরকেও দিতে পারি কিন্তু যে দেশে ব্যাংকের খারাপ করার ক্ষেত্রে সামগ্রিক অথরিটি দায়ী থাকে বা ফাইনান্সিয়াল ক্রাইম থাকে সেই দায়িত্ব সরকারকেও নিতে হবে, কারণ ক্রাইম ঠেকানোর দায়িত্ব সাধারণ মানুষের নয়।’

এক্ষেত্রে গ্রাহকদের স্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই সমস্যা সমাধানের দিকে এগোতে হবে এবং গ্রাহকদেরও ধৈর্য্য ধারণ করার পরামর্শ আহসান হাবীবের।

যদিও দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই পাঁচ ব্যাংকের চলমান একীভূতকরণ প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার কথা একাধিকবার জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘এখনও পর্যন্ত এই ব্যাংকের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। কোনো দেশি বা বিদেশি বিনিয়োগকারীও এখানে বিনিয়োগ করার মতো আগ্রহ দেখায়নি।’

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকে চাকরি, আবেদন ৫৫ বছর বয়সেও

স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকে চাকরি, আবেদন ৫৫ বছর বয়সেও

মায়ের চিকিৎসার জন্য কান্না করা সেই গ্রাহক পেলেন টাকা

মায়ের চিকিৎসার জন্য কান্না করা সেই গ্রাহক পেলেন টাকা

টাকা তুলতে পারছেন আমানতকারীরা, রয়েছে অসন্তোষ

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক টাকা তুলতে পারছেন আমানতকারীরা, রয়েছে অসন্তোষ

টাকা তুলতে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে আবেদনের ঢল

টাকা তুলতে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে আবেদনের ঢল

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা গভর্নরের

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা গভর্নরের

একীভূত ৫ ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর

একীভূত ৫ ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর

আরও পড়ুন

২২ অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে লেনদেনে সতর্কতা

২২ অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে লেনদেনে সতর্কতা

আজকের স্বর্ণের দাম: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজকের স্বর্ণের দাম: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুই মাসে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা বিদেশি ঋণ পরিশোধ করেছে সরকার

দুই মাসে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা বিদেশি ঋণ পরিশোধ করেছে সরকার

বাংলা কিউআরে লেনদেনে বড় সুখবর

বাংলা কিউআরে লেনদেনে বড় সুখবর

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম