Logo
Logo
×

Advertisement

সোশ্যাল মিডিয়া

কেএফসির তরুণীর ভিডিও বার্তায় সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড়

Advertisement

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম

কেএফসির তরুণীর ভিডিও বার্তায় সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড়

ভিডিও থেকে নেওয়া এই তরুণীর ছবিটি এআই দিয়ে পরিমার্জিত

Advertisement

যে কাজটিকে আপনি আপনার স্বপ্নের গন্তব্য মনে করেন না, সেখানে হয়তো জাঁকজমক বা গ্ল্যামারের কিছু নেই। তবে নিজের পথ বেছে নিয়ে যেকোনো কাজ করার মধ্যেও এক ধরনের শক্তি ও মর্যাদা লুকিয়ে থাকে।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনই এক ভিডিও আলোচনার ঝড় তুলেছে। কেএফসিতে কর্মরত এক তরুণীর ভিডিওতে দেখা যায়—তিনি কাজের ফাঁকে বসে বার্গার খাচ্ছেন। আর সেই ফুটেজের ওপর ভেসে উঠছে একটি ছোট কিন্তু শক্তিশালী বার্তা: ‘স্বপ্নের কাজ না পাওয়া পর্যন্ত যেকোনো কাজই শুরু করে দিন। মনে রাখবেন, অহংকার কখনো আপনার ব্যাংক বিল বা খরচ মেটাবে না।’

নিজের অ্যাকাউন্টে এই বার্তার মাধ্যমে তিনি কম বয়সী তরুণীদের স্বাবলম্বী হতে, নিজের উপার্জনে দাঁড়াতে এবং সৎ কোনো কাজ করতে কখনোই লজ্জা না পাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। সত্যি বলতে, তার এই একটা বাক্যই অনেক কিছু বুঝিয়ে দেয়।

ভিডিওটি অবশ্য এমন কোনো ভান করছে না যে, প্রতিটি মানুষের স্বপ্নই কোনো ফাস্টফুড কাউন্টারের পেছনে কাজ করা। বরং এটি খুব সহজ একটি সত্যকে সামনে এনেছে—কখনো কখনো আপনার এখনই অর্থের প্রয়োজন হতে পারে, আর আপনার কাঙ্ক্ষিত ‘স্বপ্নের ক্যারিয়ার’ হয়তো একটু পরেই শুরু হতে পারে।

নিখুঁত ও সেরা সুযোগের আশায় হাত গুটিয়ে বসে না থেকে, হাতের কাছে থাকা কাজটিতে যোগ দেওয়াটা অনেক বুদ্ধিমানের কাজ। এতে অন্তত দৈনন্দিন খরচ চলে, নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি হয় এবং নিজের কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছানোর লড়াইয়ে আপনি এক ধাপ এগিয়ে থাকেন।

তরুণীর এই বার্তাটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের হৃদয়ে গভীরভাবে সাড়া ফেলেছে। ভিডিওর কমেন্ট বক্সে শুভেচ্ছা ও প্রশংসার জোয়ার ভেসে যাচ্ছে।

একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘একদম ঠিক বলেছ রানি! সবাইকে কথাটা শুনিয়ে দাও।’ আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ইদানিং শোনা সবচেয়ে খাঁটি কথা এটা।’ অনেকেই তাকে ভালোবাসার ইমোজি দিয়ে ভরিয়ে দিয়েছেন, আবার কেউ কেউ বলেছেন—তিনি ইতোমধ্যেই একজন সফল নারী হয়ে ওঠার পথ তৈরি করে ফেলেছেন। আরও একজন লিখেছেন, ‘তোমাকে নিয়ে আমরা ভীষণ গর্বিত!’

দর্শকদের এই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করে, সমাজের চোখ এখন কতটা বদলাচ্ছে। যেসব কাজকে একসময় অস্থায়ী বা কারও মেধার তুলনায় ‘ছোট’ বলে তুচ্ছ করা হতো, সেগুলোকে মানুষ এখন ভিন্ন নজরে দেখতে শুরু করেছে। কারণ, সততার সঙ্গে নিজের রুটি-রুজি উপার্জনের মধ্যে কোনো লজ্জা বা অপমান থাকতে পারে না।

আজ হয়তো আপনি কেএফসিতে কাজ করছেন, কাল হয়তো খাবার ডেলিভারির কাজ করবেন, কিংবা নিজের পড়ালেখার সঙ্গে মিল নেই এমন কোনো ভিন্ন কাজ করবেন। তার মানে এই নয় যে, আপনি জীবনের দৌড়ে ব্যর্থ হয়ে গেছেন।

বরং কখনো কখনো...

এটি কেবল সেই সাধারণ একটি কাজ, যা আপনার কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছানোর ভ্রমণের খরচ জুগিয়ে যাচ্ছে।

আর ঠিক যেমনটি সেই তরুণীর ভিডিওতে বলা হয়েছে—অহংকার কখনো আপনার ব্যাংক বিল পরিশোধ করবে না।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, শিক্ষক-অফিস সহায়ককে অব্যাহতি

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, শিক্ষক-অফিস সহায়ককে অব্যাহতি

শিশুদের নয়, সোশ্যাল মিডিয়াকে বাগে আনুন

ইইউ নেতাদের প্রতি ১৩০ সংস্থা ও বিশেষজ্ঞের আহ্বান শিশুদের নয়, সোশ্যাল মিডিয়াকে বাগে আনুন

শিশুদের অনলাইন সুরক্ষায় কঠোর নীতিমালার আহ্বান, ইইউকে চিঠি ১৩২ সংস্থার

শিশুদের অনলাইন সুরক্ষায় কঠোর নীতিমালার আহ্বান, ইইউকে চিঠি ১৩২ সংস্থার

1980s photo prompt : ভাইরাল ছবি বানাতে ব্যবহার করুন এই ১০ নির্দেশনা

1980s photo prompt : ভাইরাল ছবি বানাতে ব্যবহার করুন এই ১০ নির্দেশনা

সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিংয়ে ৮০-এর দশকের লুক, যেভাবে এটি তৈরি করবেন

সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিংয়ে ৮০-এর দশকের লুক, যেভাবে এটি তৈরি করবেন

১৬ বছরের কম বয়সিদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে আইনি নিষেধাজ্ঞা চায় পাকিস্তানের এক প্রদেশ

১৬ বছরের কম বয়সিদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে আইনি নিষেধাজ্ঞা চায় পাকিস্তানের এক প্রদেশ

আরও পড়ুন

ফেসবুক পোস্টে রুমিন ফারহানা ‘আল্লাহর অশেষ রহমত বিএনপির ট্যাগ বহন করতে হচ্ছে না’

‘আল্লাহর অশেষ রহমত বিএনপির ট্যাগ বহন করতে হচ্ছে না’

হাসনাতের ‘গণভিক্ষা কর্মসূচি’ নিয়ে হামিমের সমালোচনা

হাসনাতের ‘গণভিক্ষা কর্মসূচি’ নিয়ে হামিমের সমালোচনা

সাদিক কায়েমকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য রফিকুল ইসলাম মাদানীর

সাদিক কায়েমকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য রফিকুল ইসলাম মাদানীর

রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল অভিযোগ প্রমাণসহ সামনে আনুন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দায় চাপানো নয়

অভিযোগ প্রমাণসহ সামনে আনুন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দায় চাপানো নয়

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম