Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: মধ্যপ্রাচ্যে কি মার্কিন আধিপত্যের বিদায় ঘণ্টা বাজল?

Advertisement

খালিদ হাসান

খালিদ হাসান

প্রকাশ: ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০২:৪১ পিএম

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: মধ্যপ্রাচ্যে কি মার্কিন আধিপত্যের বিদায় ঘণ্টা বাজল?

Advertisement

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের চলমান সংঘাতের মধ্যেই সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিসই করেছে। নতুন এ চুক্তি ওয়াশিংটনের নেতৃত্বাধীন মধ্যপ্রাচ্যের প্রচলিত নিরাপত্তা কাঠামোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় ‘মক্কা যৌথ প্রতিরোধ চুক্তি’ নামে এ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান, সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

চুক্তির মূল বিষয় হলো— তিন দেশের যে কোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এর মাধ্যমে সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঐতিহাসিক সম্পর্ক, ভ্রাতৃত্ববোধ, ইসলামি সংহতি, অভিন্ন কৌশলগত স্বার্থ এবং দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ভিত্তিতে এ চুক্তি করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিন দেশ নিজেদের যৌথ নিরাপত্তা জোরদার এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ বৃহত্তর অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে।

ওয়াশিংটনের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চুক্তিটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, মধ্যপ্রাচ্যের তিন প্রভাবশালী মুসলিম রাষ্ট্র নিজেদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আরও বেশি কৌশলগত স্বনির্ভরতার দিকে এগোচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান ভরসা যুক্তরাষ্ট্র। সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবকাঠামো ও সম্পদও রয়েছে। কিন্তু ইরানের সঙ্গে সংঘাত, উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলা এবং মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা দেশগুলোকে নিজেদের নিরাপত্তাব্যবস্থাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

চুক্তিটি এমন এক সময়ে হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের প্রভাব পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে। ইরান সৌদি আরবসহ বিভিন্ন উপসাগরীয় দেশে হামলা চালিয়েছে। ইয়েমেনের হুথিদের হামলার আশঙ্কাও সৌদি আরবের নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

ফলে ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভরতার পাশাপাশি আঞ্চলিক শক্তিগুলো নিজেদের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর পথ বেছে নিচ্ছে।

রাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের বেকার ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসির মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক গবেষক ক্রিস্টিয়ান কোটস উলরিখসেন বলেন, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা অংশীদারত্ব কতটা নির্ভরযোগ্য, তা নিয়ে সন্দেহ বাড়ছে।

তার মতে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত, যুদ্ধ পরিচালনার ধরন এবং একের পর এক সমঝোতার চেষ্টা— সবকিছুই সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। ফলে এসব দেশ নিজেদের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও বৈচিত্র্যময় করার চেষ্টা করছে।

তবে উলরিখসেন মনে করেন, নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলোর লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে দেওয়া নয়; বরং যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি অতিরিক্ত কৌশলগত ও নীতিগত বিকল্প তৈরি করা।

তিন দেশের শক্তি এক জায়গায়

নতুন এই জোটের মাধ্যমে তিন দেশের আলাদা সামরিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে একসঙ্গে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তুরস্কের রয়েছে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা শিল্প ও ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক বাহিনী। সৌদি আরব বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল রপ্তানিকারক এবং বিপুল আর্থিক সক্ষমতার অধিকারী। আর পাকিস্তান একমাত্র মুসলিম পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র।

বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্কের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও শিল্প সক্ষমতা, সৌদি আরবের অর্থনৈতিক শক্তি ও আঞ্চলিক প্রভাব এবং পাকিস্তানের সামরিক অভিজ্ঞতা ও কৌশলগত প্রতিরোধ ক্ষমতা—এই তিনটি একসঙ্গে বড় ধরনের আঞ্চলিক শক্তি তৈরি করতে পারে।

তবে এটি ন্যাটোর মতো পূর্ণাঙ্গ পারস্পরিক প্রতিরক্ষা জোট নয়। বরং সামরিক সহযোগিতা, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, প্রতিরক্ষা শিল্প, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৌশলগত সমন্বয়ের জন্য একটি কাঠামো হিসেবে কাজ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


সৌদি আরবের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ

চুক্তিটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সৌদি আরবের নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টা।

দশকের পর দশক ধরে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনে এসেছে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে বিদেশি সরবরাহের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে নিজেদের প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলতে চায় রিয়াদ।

তুরস্কের সঙ্গে প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা সৌদি আরবকে সেই লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করতে পারে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও নিরাপত্তাব্যবস্থার ওপর সৌদি আরবের একচেটিয়া নির্ভরতা কিছুটা কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির বিশ্লেষক সিনা তুসি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ইরানবিরোধী যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো বদলে যাওয়ার এটি অন্যতম প্রথম বড় ভূরাজনৈতিক ইঙ্গিত।

তার মতে, বিষয়টি আনুষ্ঠানিক সামরিক জোট গঠনের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে, এটি দেখাচ্ছে—মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে হিসাব-নিকাশ করছে।

বিশেষ করে সৌদি আরবের ক্ষেত্রে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কয়েক দশক ধরে ওয়াশিংটন ও রিয়াদের মধ্যে শক্তিশালী নিরাপত্তা অংশীদারত্ব রয়েছে। কিন্তু মক্কা চুক্তি ইঙ্গিত দিচ্ছে, সৌদি আরব এখন নিজেদের নিরাপত্তা অংশীদারত্ব আরও বিস্তৃত করতে চাইছে।

সিনা তুসির ভাষায়, ওয়াশিংটনের ওপর প্রধানত নির্ভর করার পরিবর্তে সৌদি আরব নিজেদের নিরাপত্তা অংশীদারত্ব বাড়াচ্ছে এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতার ভিত্তি তৈরি করছে। এটিই চুক্তিটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হতে পারে।


ইরান ঘিরে অভিন্ন উদ্বেগ

তিন দেশের নিরাপত্তা উদ্বেগের বড় একটি অংশ ইরান ঘিরে।

তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে ইরানের সরাসরি সীমান্ত রয়েছে। অন্যদিকে সৌদি আরবের সঙ্গে ইরানের দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে। ফলে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ও আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে তিন দেশেরই আলাদা মাত্রায় উদ্বেগ রয়েছে।

চুক্তির ফলে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো সামরিক জোট তৈরি হয়েছে—এমন ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তবে তিন দেশ নিজেদের নিরাপত্তা সমন্বয় বাড়ালে ইরানের আঞ্চলিক কর্মকাণ্ড মোকাবিলায় তাদের সম্মিলিত সক্ষমতা বাড়বে।


ইসরাইলের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

চুক্তিটি সরাসরি কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয় বলে তুরস্কের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের নীতির সঙ্গে তিন দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের বিষয়টি অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরাইলের সামরিক কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করে আসছেন। পাকিস্তানও গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান এবং তথাকথিত ‘বৃহত্তর ইসরাইল’ ধারণার বিরোধিতা করেছে।

অন্যদিকে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হলেও গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরাইলের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছে। ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়ে রিয়াদও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্পষ্ট পথের দাবি জানিয়ে আসছে।

এ কারণে নতুন প্রতিরক্ষা সমন্বয়কে ইসরাইলের আঞ্চলিক প্রভাব বৃদ্ধির বিরুদ্ধে একটি পরোক্ষ ভারসাম্য তৈরির প্রচেষ্টা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।


যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে কী প্রভাব পড়তে পারে

সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হতে পারে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থায়। এতদিন এই অঞ্চলে নিরাপত্তার প্রধান স্তম্ভগুলোর একটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি এবং আরব মিত্রদের সঙ্গে ওয়াশিংটনের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক।

কিন্তু সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মতো বড় মুসলিম রাষ্ট্র নিজেদের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ালে আঞ্চলিক নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের একক প্রভাব কিছুটা কমতে পারে।

বিশেষ করে সৌদি আরব যদি একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বজায় রাখে, তাহলে রিয়াদের কৌশলগত বিকল্প আরও বাড়বে। ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন না করেও সৌদি আরব নিজেদের নিরাপত্তার জন্য অন্য শক্তিগুলোর ওপর নির্ভরতা বাড়াতে পারবে।

এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা—মধ্যপ্রাচ্যের মিত্ররা এখন আর শুধু ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভর করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাইছে না।


নতুন নিরাপত্তা কাঠামোর সূচনা?

আঞ্চলিক বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তিটি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন ধরনের নিরাপত্তা কাঠামোর সূচনা করতে পারে। তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের পাশাপাশি মিসরের সঙ্গেও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদারের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

এর অর্থ হলো, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঝখানে থাকা আঞ্চলিক শক্তিগুলো নিজেদের নিরাপত্তা নিজেদের হাতে আরও বেশি নেওয়ার চেষ্টা করছে।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মধ্যপ্রাচ্য নীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারক ব্রেট ম্যাকগার্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘আজ (৭ আগস্ট) সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে নতুন একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এতে ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের মতো শর্ত রাখা হয়েছে—‘তিনটি রাষ্ট্রের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে তাদের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।’ মধ্যপ্রাচ্য এখন এক পরিবর্তনশীল ও নতুন বাস্তবতার যুগে প্রবেশ করছে।’

বিশ্লেষকদের মতে, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি সেই পরিবর্তনেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন। এর মাধ্যমে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান নিজেদের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের আঞ্চলিক সংকটে আরও বেশি কৌশলগত স্বাধীনতা অর্জনের চেষ্টা করছে।

তবে এই জোট সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বা ইসরাইলবিরোধী সামরিক জোটে পরিণত হবে কিনা, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। বরং বর্তমান চিত্রে এটি তিন দেশের নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তায় নিজেদের প্রভাব শক্তিশালী করার একটি উদ্যোগ।

তবু ওয়াশিংটনের জন্য বার্তাটি স্পষ্ট—মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তার হিসাব দ্রুত বদলে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি ও মিত্রতা এখনো গুরুত্বপূর্ণ হলেও সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান নিজেদের মধ্যে যে নতুন কৌশলগত সমন্বয় গড়ে তুলছে, তা ভবিষ্যতে এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ও প্রভাবের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

সূত্র: আল-জাজিরা, বিবিসি

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম