Logo
Logo
×

Advertisement

আন্তর্জাতিক

নাগরিকত্বের আগেই ভোটার তালিকায় সোনিয়া গান্ধীর নাম!

Icon

কলকাতা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৯ পিএম

নাগরিকত্বের আগেই ভোটার তালিকায় সোনিয়া গান্ধীর নাম!

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর নাম ভোটার তালিকায় উঠেছিল কি না, তা নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় নতুন মোড় এসেছে। দিল্লির দ্বারকা এলাকার বিশেষ আদালত আগের নিম্ন আদালতের আদেশ বাতিল করে বিষয়টি নতুন করে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে নতুন করে শুনানি হওয়ার কথা। সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে এফআইআর দায়ের করে তদন্তের আবেদন করেছিলেন আইনজীবী বিকাশ ত্রিপাঠী।

তার অভিযোগ, ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকায় সোনিয়া গান্ধীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। অথচ তিনি ভারতীয় নাগরিকত্ব পান ১৯৮৩ সালের ৩০ এপ্রিল। অর্থাৎ অভিযোগ অনুযায়ী, নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রায় তিন বছর আগেই তার নাম ভোটার তালিকায় উঠেছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে তদন্তের আবেদন করা হয়। অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট বৈভব চৌরাসিয়া সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছিলেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, অভিযোগকারীর পক্ষ থেকে তদন্তের মতো যথেষ্ট উপযুক্ত প্রমাণ দেওয়া হয়নি।

এরপর ওই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চতর আদালতের দ্বারস্থ হন বিকাশ ত্রিপাঠী। সোমবার বিশেষ বিচারক বিশাল গোগনে আগের আদেশটি বাতিল করে দেন। তার মতে, নিম্ন আদালতের আদেশে সিদ্ধান্তের পক্ষে যথেষ্ট কারণ দেখানো হয়নি। অভিযোগের মূল বিষয় যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি বলেও আদালত মনে করেছে।

আদালত আরও জানিয়েছে, এ ধরনের আবেদনের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট থানার অবস্থানও বিবেচনা করা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু আগের শুনানিতে সেই প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। ফলে মামলাটি আবার নিম্ন আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগকারীর আইনজীবী পবন নারাংয়ের দাবি, ১৯৮০ সালে নয়াদিল্লি কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় সোনিয়া গান্ধীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। পরে ১৯৮২ সালে সেই নাম বাদ দেওয়া হয় এবং ১৯৮৩ সালে আবার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকার একটি নথির ভিত্তিতেই এই প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

এই অভিযোগ প্রথম প্রকাশ্যে আনেন বিজেপি নেতা অমিত মালবীয়। ২০২৫ সালে তিনি সমাজমাধ্যমে ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকার একটি ছবি প্রকাশ করে দাবি করেছিলেন, তখনও সোনিয়া গান্ধী ভারতীয় নাগরিকত্ব পাননি। বিজেপির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছিল, ১৯৮২ সালে তার নাম বাদ যাওয়ার পর ১৯৮৩ সালে আবার ভোটার তালিকায় নাম ওঠে।‌ তবে ওই নথি এবং অভিযোগের সত্যতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও আদালতের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি। সোমবারের নির্দেশের অর্থও সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়। আদালত শুধু আগের খারিজের সিদ্ধান্ত বাতিল করে অভিযোগটি আইন অনুযায়ী নতুন করে বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বরের শুনানির দিকে এখন নজর রয়েছে। সেখানে তদন্তের আবেদন গ্রহণ করা হবে কি না এবং এফআইআর নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নতুন করে বিবেচনা করবে সংশ্লিষ্ট আদালত।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

মোদির পতন কবে, জানালেন দীপকে

মোদির পতন কবে, জানালেন দীপকে

বাবরি মসজিদ ভাঙার দৃশ্য দেখে কেঁদেছিলাম: সোনিয়া গান্ধী

বাবরি মসজিদ ভাঙার দৃশ্য দেখে কেঁদেছিলাম: সোনিয়া গান্ধী

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ‘সেফ হারবার’ সুবিধা বাতিলের কথা কেন ভাবছে ভারত সরকার?

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ‘সেফ হারবার’ সুবিধা বাতিলের কথা কেন ভাবছে ভারত সরকার?

‘সরকারের আশা বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায়ই শেখ হাসিনাকে ফেরত দেবে ভারত’

‘সরকারের আশা বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায়ই শেখ হাসিনাকে ফেরত দেবে ভারত’

দীপাবলিতে প্রত্যেক কর্মীকে ১ লাখ রুপি বোনাস দিলেন ব্যবসায়ী

দীপাবলিতে প্রত্যেক কর্মীকে ১ লাখ রুপি বোনাস দিলেন ব্যবসায়ী

কৃষিজমির আগুন, আতশবাজি— দূষণে নাজেহাল দিল্লি

কৃষিজমির আগুন, আতশবাজি— দূষণে নাজেহাল দিল্লি

আরও পড়ুন

মোদির পতন কবে, জানালেন দীপকে

মোদির পতন কবে, জানালেন দীপকে

বাবরি মসজিদ ভাঙার দৃশ্য দেখে কেঁদেছিলাম: সোনিয়া গান্ধী

বাবরি মসজিদ ভাঙার দৃশ্য দেখে কেঁদেছিলাম: সোনিয়া গান্ধী

কে এই আইজেনকোট, তার ফিলিস্তিন নীতি কী?

কে এই আইজেনকোট, তার ফিলিস্তিন নীতি কী?

পাকিস্তান ভেঙে ১২ প্রদেশ হচ্ছে?

পাকিস্তান ভেঙে ১২ প্রদেশ হচ্ছে?

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম