দিল্লিতে টানা এক মাস ২০ হাজার প্যারামিলিটারি রাখবে মোদি সরকার
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া ও অন্যান্য সংগঠনের বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন প্রায় ২০ হাজার আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য অন্তত এক মাস অবস্থান করবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, আসন্ন উৎসবের মৌসুমের বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়ে এত বিপুলসংখ্যক সদস্যকে দিল্লিতে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সময় বাজার ও অন্যান্য জনসমাগমস্থলে মানুষের ভিড় বেড়ে যায়।
এদিকে দিল্লিতে বিক্ষোভের জন্য নতুন করে তিনটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলো হলো রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান ও সিবিডি ময়দান। এত দিন বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান হিসেবে ব্যবহৃত শহরের উচ্চনিরাপত্তাবেষ্টিত কেন্দ্রীয় এলাকায় অবস্থিত যন্তর মন্তরকে এ তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। নতুন বিক্ষোভস্থলগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থার বিস্তারিত পর্যালোচনা সম্পন্ন হয়েছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রাসহ বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার নেতারা আজ সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আবেদন জমা দিতে সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল নিয়ে যান।
বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে অননুমোদিত জমায়েত ঠেকানো এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দিল্লির সীমান্ত, রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল ও অন্যান্য স্পর্শকাতর স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। শহরের প্রবেশপথগুলোতে যানবাহনে তল্লাশি বাড়িয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি হোটেল, গেস্ট হাউস, লজ ও ধর্মশালায় পরিচয় যাচাই অভিযানও জোরদার করা হয়েছে।
আধাসামরিক বাহিনীর পাশাপাশি দিল্লি পুলিশের হাজারো সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। নয়াদিল্লি জেলাকে ২০টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন যুগ্ম কমিশনার, উপকমিশনার ও অতিরিক্ত উপকমিশনাররা।
এদিকে আজকের বিক্ষোভের কৌশলে আরও বিস্তৃত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া। রাজনৈতিক কর্মসূচির পরিবর্তে এটিকে ‘গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ’ হিসেবে তুলে ধরে শিক্ষার্থী ও নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশেষ নিবিড় পর্যালোচনা (এসআইআর) কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভটি শুরু হলেও পরে তা শিক্ষার্থী ও নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণে আরও বিস্তৃত করার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়।
