টাইফুন ‘চাম্পি’
তাইওয়ানে নিহত ১, জাপানে বিদ্যুৎহীন ৮ হাজারের বেশি পরিবার
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম
প্রবল বাতাস ও বৃষ্টির কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধারের কাজ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
প্রবল ঝড় ও বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত তাইওয়ান ও জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপপুঞ্জ। টাইফুন চাম্পির আঘাতে তাইওয়ানে এখন পর্যন্ত একজনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন অন্তত ১৭১ জন। অন্যদিকে, ঝড়ের প্রভাবে জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় ওকিনাওয়া দ্বীপপুঞ্জে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছেন ৮ হাজার ৪০০ পরিবারের বেশি মানুষ।
তাইওয়ানের ফায়ার ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা পর্যন্ত টাইফুন চাম্পির কারণে একজনের মৃত্যু এবং ১৭১ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর আগে আহতের সংখ্যা ছিল ৯৪। অর্থাৎ, নতুন করে আহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আহতদের অনেকেই যানবাহন-সম্পর্কিত দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যাওয়া, পিছলে বা হোঁচট খেয়ে পড়ে যাওয়া এবং বিলবোর্ড কিংবা গাছের মতো ঝড়ে হেলে পড়া বা ভেঙে পড়া বস্তুর আঘাতে আহত হওয়ার ঘটনা রয়েছে।
আহতদের মধ্যে বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন নয়জন। তাদের মধ্যে পাঁচজন ভিয়েতনামের, দুজন ইন্দোনেশিয়ার এবং দুজন মালয়েশিয়ার নাগরিক।
ওকিনাওয়ায় বিদ্যুৎহীন ৮ হাজার ৪০০ পরিবার
টাইফুন চাম্পির প্রভাবে জাপানের দক্ষিণতম দ্বীপপুঞ্জ ওকিনাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার ৪০০ পরিবার বিদ্যুৎহীন ছিল।
এর আগে দিনের শুরুর দিকে বিদ্যুৎবিহীন পরিবারের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৬৩০। পরে তা বেড়ে দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে।
ওকিনাওয়া ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি জানিয়েছে, প্রবল বাতাস ও বৃষ্টির কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধারের কাজ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করতে কর্মীদের বেগ পেতে হচ্ছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, তাইওয়ানের উত্তর-পূর্ব উপকূল ঘেঁষে অগ্রসর হওয়ার পর টাইফুন চাম্পি জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপপুঞ্জের কাছ দিয়ে অতিক্রম করতে পারে।
ঝড়টির প্রভাবে তাইওয়ানে হতাহত ও দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ছে। একই সঙ্গে জাপানের ওকিনাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগও বেড়েছে।
তথ্যসূত্র: বিবিসি


