Logo
Logo
×

Advertisement

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কেন বারবার বিপাকে পড়ে ক্ষমতাসীন দল?

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪৪ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কেন বারবার বিপাকে পড়ে ক্ষমতাসীন দল?

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় মধ্যবর্তী নির্বাচন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ও তার দলের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরীক্ষা। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঠিক দুই বছর পর অনুষ্ঠিত এই ভোটে প্রতিনিধি পরিষদের সব ৪৩৫টি আসন এবং সিনেটের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আসনের জন্য নির্বাচন হয়। প্রেসিডেন্ট নিজে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করলেও তার প্রশাসনের জনপ্রিয়তা, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত এবং সামগ্রিক কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন করেন ভোটাররা।

মার্কিন নির্বাচনি ইতিহাসে দেখা গেছে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী দল মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রায়ই কংগ্রেসে আসন হারায়। অর্থনৈতিক সংকট, মূল্যস্ফীতি, যুদ্ধ, প্রশাসনিক বিতর্ক কিংবা বিরোধী দলের শক্তিশালী প্রচারণা—বিভিন্ন কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড থেকে শুরু করে বিল ক্লিনটন, বারাক ওবামা ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলেও ক্ষমতাসীন দলকে এ নির্বাচনে বড় ধরনের ধাক্কা সামলাতে হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের অন্যতম বড় পরাজয় ঘটে ১৮৯৪ সালে। সে সময় ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট গ্রোভার ক্লিভল্যান্ডের দল প্রতিনিধি পরিষদে ১২৫টি আসন হারায়। এর পেছনে বড় কারণ ছিল ১৮৯৩ সালের অর্থনৈতিক মন্দা। ওই সংকটে ব্যাংক ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়, বেকারত্ব বাড়ে এবং শিল্প উৎপাদন কমে যায়। পাশাপাশি পুলম্যান ধর্মঘট মোকাবিলায় সরকারের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা তৈরি হয়। নির্বাচনের পর প্রতিনিধি পরিষদে শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তোলে রিপাবলিকানরা।

১৯৩৮ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনেও বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট। তার ডেমোক্র্যাটিক পার্টি প্রতিনিধি পরিষদে ৭২টি এবং সিনেটে সাতটি আসন হারায়। মহামন্দা মোকাবিলায় রুজভেল্টের নেওয়া নিউ ডিল কর্মসূচি শুরুতে জনপ্রিয়তা পেলেও ১৯৩৭-৩৮ সালে অর্থনীতি আবারও সংকটে পড়ে। এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের বিচারকসংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ, যা ‘কোর্ট-প্যাকিং প্ল্যান’ নামে পরিচিত, রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দেয়। নিজ দলের অনেক নেতাও এর বিরোধিতা করেন। ফলে কংগ্রেসে সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাধার মুখে পড়েন রুজভেল্ট।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনেও ডেমোক্র্যাটদের বড় ক্ষতি হয়। প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যানের দল প্রতিনিধি পরিষদে ৫৬টি এবং সিনেটে ১২টি আসন হারায়। যুদ্ধ-পরবর্তী মূল্যস্ফীতি, শ্রমিক অসন্তোষ, আবাসনসংকট ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঘাটতি সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বাড়িয়ে দিয়েছিল। এর ফলে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নেয় রিপাবলিকানরা। তবে এই পরাজয় ট্রুম্যানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ শেষ করতে পারেনি। ১৯৪৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি আবারও জয়লাভ করেন।

১৯৫৮ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডুইট আইজেনহাওয়ারের দল প্রতিনিধি পরিষদে ৪৮টি এবং সিনেটে ১৩টি আসন হারায়। সে সময় অর্থনৈতিক মন্দা, বেকারত্ব ও শিল্প উৎপাদন কমে যাওয়ায় সরকারের ওপর চাপ তৈরি হয়েছিল। একই সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের স্পুটনিক উৎক্ষেপণের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।     

ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রভাব দেখা যায় ১৯৬৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনেও। প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসনের ডেমোক্র্যাটিক পার্টি প্রতিনিধি পরিষদে ৪৭টি এবং সিনেটে চারটি আসন হারায়। যুদ্ধের ব্যয় বৃদ্ধি, মার্কিন সেনাদের প্রাণহানি এবং দীর্ঘায়িত সংঘাত নিয়ে জনমনে অসন্তোষ বাড়ছিল। এর প্রভাব পড়ে ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনী ফলাফলে।

ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির পর ১৯৭৪ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন রিপাবলিকানদের জন্য বড় বিপর্যয় হয়ে আসে। রিচার্ড নিক্সনের পদত্যাগের পর প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন জেরাল্ড ফোর্ড। দায়িত্ব গ্রহণের এক মাসের মধ্যেই তিনি নিক্সনকে ক্ষমা করে দিলে দেশজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়। এর সঙ্গে অর্থনৈতিক মন্দা ও মূল্যস্ফীতি যুক্ত হয়ে রিপাবলিকানদের অবস্থান আরও দুর্বল করে। ওই নির্বাচনে দলটি প্রতিনিধি পরিষদে ৪৮টি এবং সিনেটে পাঁচটি আসন হারায়।

১৯৯৪ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন মার্কিন রাজনীতিতে ‘রিপাবলিকান বিপ্লব’ হিসেবে পরিচিত। প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের প্রথম মেয়াদে অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদে ৫৪টি এবং সিনেটে আটটি আসন হারায়। স্বাস্থ্যসেবা সংস্কার পরিকল্পনা নিয়ে বিতর্ক এবং কর ও সরকারি ব্যয়সংক্রান্ত অসন্তোষকে কাজে লাগায় বিরোধী রিপাবলিকানরা। নিউট গিংরিচের নেতৃত্বে ঘোষিত ‘কন্ট্রাক্ট উইথ আমেরিকা’ কর্মসূচিও তাদের বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর মধ্য দিয়ে চার দশকের বেশি সময় পর প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পায় রিপাবলিকান পার্টি।

২০১০ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনেও বড় ধাক্কা খায় ক্ষমতাসীন ডেমোক্র্যাটরা। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার দল প্রতিনিধি পরিষদে ৬৩টি এবং সিনেটে ছয়টি আসন হারায়। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের পর উচ্চ বেকারত্ব, ধীরগতির অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং স্বাস্থ্যসেবা সংস্কার বা ওবামাকেয়ার নিয়ে বিতর্ক সরকারের জনপ্রিয়তায় প্রভাব ফেলে। পাশাপাশি ‘টি পার্টি’ আন্দোলন রিপাবলিকানদের সংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নির্বাচনে পরাজয়ের মাত্রা বোঝাতে ওবামা নিজেই একে ‘শেলাকিং’ বলে অভিহিত করেছিলেন।

এর আগে ২০০৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনেও প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের রিপাবলিকান পার্টি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ে। ইরাক যুদ্ধ, হারিকেন ক্যাটরিনা মোকাবিলায় প্রশাসনের ব্যর্থতার অভিযোগ এবং দুর্নীতির বিতর্কের মধ্যে দলটি প্রতিনিধি পরিষদে ৩০টি ও সিনেটে ছয়টি আসন হারায়।

২০১৮ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি প্রতিনিধি পরিষদে ৪১টি আসন হারালেও সিনেটে দুটি আসন বাড়াতে সক্ষম হয়। এর ফলে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নেয় ডেমোক্র্যাটরা। পরে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন তদন্ত শুরু করে তারা। ২০১৯ সালে প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসিত হলেও সিনেটে খালাস পান ট্রাম্প।

২০২২ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনেও প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ডেমোক্র্যাটিক পার্টি প্রতিনিধি পরিষদে নয়টি আসন হারিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়। তবে সিনেটে একটি আসন বাড়াতে সক্ষম হয় দলটি। ওই নির্বাচনে মূল্যস্ফীতি, জ্বালানির উচ্চমূল্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে ওঠে। পাশাপাশি গর্ভপাতের অধিকার নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তও ভোটারদের মনোভাব পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে।

মধ্যবর্তী নির্বাচনে কেন আসন হারায় ক্ষমতাসীন দল?

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের পরাজয়ের পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলোর একটি হলো অর্থনৈতিক পরিস্থিতি। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, বেকারত্ব কিংবা জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেলে ভোটারদের মধ্যে সরকারের প্রতি অসন্তোষ তৈরি হয়। সাধারণত এসব সমস্যার দায় ক্ষমতাসীন দলের ওপরই বর্তায়। ১৮৯৪ সালের অর্থনৈতিক মন্দা, ১৯৫৮ সালের বেকারত্ব এবং ২০২২ সালের মূল্যস্ফীতি এর উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

যুদ্ধ ও পররাষ্ট্রনীতিও নির্বাচনের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলে। ভিয়েতনাম ও ইরাক যুদ্ধের কারণে তৈরি হওয়া জনঅসন্তোষ যথাক্রমে ১৯৬৬ ও ২০০৬ সালের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলকে দুর্বল করে দেয়। দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত, সামরিক ব্যয় এবং সেনাসদস্যদের প্রাণহানির বিষয়গুলো সরকারের জনপ্রিয়তায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এ ছাড়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় যে জনসমর্থন থাকে, দুই বছর পর তা অনেকটাই কমে যেতে পারে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থতা, প্রশাসনিক বিতর্ক এবং রাজনৈতিক মেরুকরণ বিরোধী দলকে শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ করে দেয়। ১৯৯৪ সালের ‘কন্ট্রাক্ট উইথ আমেরিকা’ এবং ২০১০ সালের ‘টি পার্টি’ আন্দোলন এর উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারানোও প্রেসিডেন্টের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিনিধি পরিষদ বা সিনেট বিরোধী দলের নিয়ন্ত্রণে চলে গেলে আইন প্রণয়ন, বাজেট অনুমোদন এবং প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে বিরোধী দলের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়াও সম্ভব হয় না।

নির্বাচনী ইতিহাসে কী বলছে পরিসংখ্যান?

ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, সান্তা বারবারার আমেরিকান প্রেসিডেন্সি প্রজেক্টের তথ্য অনুযায়ী, মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের দলের আসন হারানোর প্রবণতা মার্কিন রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের। ১৮৯৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত নির্বাচনের ফল পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, প্রতিনিধি পরিষদে ক্ষমতাসীন দলের আসন কমে যাওয়ার ঘটনা বারবার ঘটেছে।

তবে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের ফলাফল সব সময় একই রকম হয় না। ২০১৮ সালে ট্রাম্পের দল প্রতিনিধি পরিষদে আসন হারালেও সিনেটে শক্তি বাড়িয়েছিল। একইভাবে ২০২২ সালে বাইডেনের ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালেও সিনেটে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করে। অর্থাৎ মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের সামগ্রিক অবস্থান দুর্বল হলেও কংগ্রেসের দুই কক্ষে ফলাফল ভিন্ন হতে পারে।

ট্রাম্পের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন?

যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৬ সালের ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে মধ্যবর্তী নির্বাচন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম মধ্যবর্তী নির্বাচন হওয়ায় রাজনৈতিকভাবে এটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। এবারের নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের সব ৪৩৫টি আসনের পাশাপাশি সিনেটের ৩৫টি আসনে ভোট হচ্ছে।   

এই নির্বাচনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ রিপাবলিকানদের হাতে থাকবে, নাকি ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে। একই সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের পরবর্তী দুই বছরের আইন প্রণয়ন, বাজেট অনুমোদন এবং নীতিগত কর্মসূচি বাস্তবায়নের পথও অনেকাংশে নির্ধারিত হবে।

কংগ্রেসের কোনো একটি কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারালেও ট্রাম্প প্রশাসনকে আইন প্রণয়ন ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিরোধী দলের বাধার মুখে পড়তে হতে পারে। অন্যদিকে, রিপাবলিকানরা উভয় কক্ষে নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারলে প্রশাসনের নীতিগত কর্মসূচি বাস্তবায়ন তুলনামূলক সহজ হবে।

এ নির্বাচনের ফল ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে দুই দলের রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের গ্রহণযোগ্যতা কতটা রয়েছে, তার একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে এই নির্বাচনের মাধ্যমে।

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় পরাজয় প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতা প্রয়োগের সক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। তবে এমন পরাজয় মানেই রাজনৈতিক জীবনের অবসান নয়। হ্যারি ট্রুম্যান, বিল ক্লিনটন ও বারাক ওবামার অভিজ্ঞতা তার প্রমাণ। ফলে ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনও কেবল ট্রাম্প প্রশাসনের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের ভোট নয়; বরং যুক্তরাষ্ট্রের আগামী দিনের রাজনৈতিক ক্ষমতার ভারসাম্য নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। 

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

৯৬ বছরের ইতিহাসে যা হয়নি, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে এবার দেখা গেল সে নজির

৯৬ বছরের ইতিহাসে যা হয়নি, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে এবার দেখা গেল সে নজির

ট্রাম্পের বিরোধিতার মধ্যেই পঞ্চমবার কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর

ট্রাম্পের বিরোধিতার মধ্যেই পঞ্চমবার কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হলেন এল-সায়েদ, দিলেন ট্রাম্পকে খোঁচা

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হলেন এল-সায়েদ, দিলেন ট্রাম্পকে খোঁচা

ট্রাম্পের ক্ষমতার সীমা কতটা? ভোটের পরই আসল পরীক্ষা

আলজাজিরার মতামত ট্রাম্পের ক্ষমতার সীমা কতটা? ভোটের পরই আসল পরীক্ষা

মধ্যবর্তী নির্বাচনে হার, ট্রাম্পকে খোঁচা দিয়ে ইরানের স্পিকারের পোস্ট

মধ্যবর্তী নির্বাচনে হার, ট্রাম্পকে খোঁচা দিয়ে ইরানের স্পিকারের পোস্ট

ইরান যুদ্ধের কারণেই মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভরাডুবি, স্বীকারোক্তি ট্রাম্পের

ইরান যুদ্ধের কারণেই মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভরাডুবি, স্বীকারোক্তি ট্রাম্পের

আরও পড়ুন

৯৬ বছরের ইতিহাসে যা হয়নি, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে এবার দেখা গেল সে নজির

৯৬ বছরের ইতিহাসে যা হয়নি, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে এবার দেখা গেল সে নজির

ট্রাম্পের বিরোধিতার মধ্যেই পঞ্চমবার কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর

ট্রাম্পের বিরোধিতার মধ্যেই পঞ্চমবার কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কেন বারবার বিপাকে পড়ে ক্ষমতাসীন দল?

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কেন বারবার বিপাকে পড়ে ক্ষমতাসীন দল?

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হলেন এল-সায়েদ, দিলেন ট্রাম্পকে খোঁচা

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হলেন এল-সায়েদ, দিলেন ট্রাম্পকে খোঁচা

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম