Logo
Logo
×

Advertisement

আন্তর্জাতিক

প্রথমবারের মতো শীর্ষ বিশে নেই যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি

সবচেয়ে সুখী দেশ ফিনল্যান্ড, বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়

Advertisement

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ মার্চ ২০২৪, ০২:২১ পিএম

সবচেয়ে সুখী দেশ ফিনল্যান্ড, বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়

ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকি

Advertisement

বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ ফিনল্যান্ড। এ নিয়ে টানা সাত বছর ধরে এই খেতাব ধরে রেখেছে উত্তর ইউরোপের এ দেশটি। জাতিসংঘের স্পন্সর করা ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্টে এ কথা বলা হয়েছে। বুধবার এ রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে।

রিপোর্টে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৯তম। তবে ৩০ বছর বয়সিদের সুখী হওয়ার সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৮তম। অন্যদিকে প্রবীণদের- যাদের বয়স ৬০ বছর বা তারও বেশি- ক্যাটেগরিতে সুখী দেশের সূচকে বাংলাদেশ আছে ১২০ নম্বরে। এর একধাপ নিচে রয়েছে ভারত। মিয়ানমার ১০২ নম্বরে। পাকিস্তান ১২২ নম্বরে। নিম্ন মধ্য বয়সিদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৯। উচ্চ-মধ্য বয়সিদের ক্ষেত্রেও একই অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশে সবচেয়ে সুখী হলো যুবশ্রেণি। সবচেয়ে কম সুখী উচ্চ মধ্যবয়সিরা।

সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৯

কমপক্ষে এক দশক আগে এই রিপোর্ট প্রকাশ শুরু হয়। তখন থেকে এবারই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি নেই বিশ্বের সবচেয়ে সুখী ২০টি দেশের ভিতরে। যথাক্রমে এ দুটি দেশের অবস্থান ২৩তম ও ২৪তম। পক্ষান্তরে শীর্ষ ২০ সুখী দেশের মধ্যে উঠে এসেছে কোস্টারিকা ও কুয়েত। তাদের অবস্থান যথাক্রমে ১২ ও ১৩। 

অন্যদিকে ভারতের অবস্থান ১২৬তম। আগের বছরও তাদের অবস্থান এই সূচকে একই ছিল। নরডিক দেশগুলো সবচেয়ে সুখী ১০টি দেশের মধ্যে অবস্থান ধরে রেখেছে। এর মধ্যে ফিনল্যান্ডের পর আছে ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, সুইডেন। 

২০২০ সাল থেকে আফগানিস্তান রয়েছে তালেবানদের দখলে। রিপোর্ট অনুযায়ী, সেখানে মানবাধিকার পরিস্থিতিতে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এই দেশটি রয়েছে সবচেয়ে নিচে। মোট ১৪৩টি দেশের ওপর এই সূচক করা হয়েছে। তার শেষ অবস্থান অর্থাৎ ১৪৩ নম্বরে অবস্থান করছে আফগানিস্তান। সবচেয়ে সুখী দেশগুলোর মধ্যে এখন আর বিশ্বের কোনো বৃহৎ দেশের অবস্থান নেই। 

এতে বলা হয়েছে, শীর্ষ ১০ সুখী দেশের মধ্যে শুধু নেদারল্যান্ডস এবং অস্ট্রেলিয়ার আছে কমপক্ষে দেড় কোটি জনসংখ্যা। শীর্ষ ২০টি দেশের মধ্যে শুধু কানাডা ও ব্রিটেনের জনসংখ্যা কমপক্ষে তিন কোটি। 

২০০৬ সাল থেকে ২০১০ সাল সময়কালের পর সবচেয়ে দ্রুতগতিতে সুখ কমেছে আফগানিস্তানে। সবচেয়ে দ্রুতগতিতে তা বৃদ্ধি পেয়েছে লেবানন, জর্ডান, ইউরোপিয়ান দেশ সার্বিয়া, বুলগেরিয়া ও লাতভিয়ায়। ব্যক্তি বিশেষের জীবন সম্পর্কে সন্তুষ্টির মূল্যায়ন, মাথাপিছু জাতীয় প্রবৃদ্ধি, সামাজিক সাপোর্ট, সুস্থ জীবনের প্রত্যাশা, স্বাধীনতা, উদারতা ও দুর্নীতির ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে এই সূচক।

ফিনল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব হেলসিঙ্কির সংশ্লিষ্ট গবেষক জেনিফার ডি পাওলা বলেছেন, প্রকৃতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, কর্মজীবনে সুস্থ সমতা হলো ফিনল্যান্ডের মানুষের সুখী জীবনের মূলে। তাছাড়া দেশটির নাগরিকদের একটি সফল জীবন সম্পর্কে অধিক অর্জনযোগ্য অনুধাবন আছে। ফিনল্যান্ডের নাগরিকদের মধ্যে আছে শক্তিশালী কল্যাণমূলক সমাজ, রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের ওপর আস্থা, কম মাত্রায় দুর্নীতি, ফ্রি স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থা। তিনি আরও বলেন, ফিনিশ সমাজ বিশ্বাস, স্বাধীনতা ও উচ্চ মাত্রায় স্বায়ত্তশাসনের অনুভূতি দ্বারা পরিবেষ্টিত। 

বিশ্ব জুড়ে বেশির ভাগ অঞ্চলে এবার দেখা গেছে বয়স্ক সিনিয়রদের চেয়ে তরুণ প্রজন্ম বেশি সুখী। তবে তারা সবাই নয়। ২০০৬ থেকে ২০১০ সালের পর নাটকীয়ভাবে ৩০ বছরের কম বয়সি উত্তর আমেরিকান, অস্ট্রেলিয়ান এবং নিউজিল্যান্ডের নাগরিকদের গ্রুপের মধ্যে কমে গেছে সুখ। এসব স্থানে তরুণদের চেয়ে প্রবীণ প্রজন্ম বেশি সুখী। পক্ষান্তরে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে একই সময়ে সব বয়সিদের মধ্যে সুখ বৃদ্ধি পেয়েছে। পশ্চিম ইউরোপের লোকজনের সব বয়সি একই পরিমাণ সুখী। ইউরোপ বাদে প্রতিটি অঞ্চলে সুখী হওয়ার ক্ষেত্রে অসমতা দেখা দিয়েছে। একে এই রিপোর্টের লেখকরা উদ্বেগজনক প্রবণতা বলে বর্ণনা করেছেন।

Advertisement

সুখী দেশ ফিনল্যান্ড বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র জার্মানি

Advertisement

আরও পড়ুন

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

রয়টার্সের জরিপ মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কমছে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কমছে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভাগ্য পরীক্ষা, ঝুঁকিতে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভাগ্য পরীক্ষা, ঝুঁকিতে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ

সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, তবু ক্ষমতায় নেতানিয়াহু—কীভাবে?

সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, তবু ক্ষমতায় নেতানিয়াহু—কীভাবে?

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম