ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় রুয়ান্ডা-কঙ্গোর শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৫, ০৯:৩৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বহুল প্রতিক্ষিত শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে রুয়ান্ডা ও গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র (ডিআর) কঙ্গো। ওয়াশিংটনে স্বাক্ষরিত এ চুক্তির লক্ষ্য—কয়েক দশক ধরে চলমান ধ্বংসাত্মক সংঘাতের অবসান ঘটানো এবং যুক্তরাষ্ট্রকে লাভজনক খনিজ সম্পদে প্রবেশাধিকার দেওয়া। খবর বিবিসির।
এই চুক্তিতে পূর্ব ডিআর কঙ্গোতে যুদ্ধরত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ‘বিচ্ছিন্নতা, নিরস্ত্রীকরণ, এবং শর্তসাপেক্ষ একীকরণ’ দাবি করা হয়েছে।
চুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার (২৭ জুন) বলেন, ‘আজ, সহিংসতা এবং ধ্বংসের অবসান ঘটছে। সমগ্র অঞ্চল আশা এবং সুযোগের একটি নতুন অধ্যায় শুরু করছে। ’
এছাড়া ট্রাম্প এই শান্তি চুক্তিতে একটি ‘গৌরবময় বিজয়’ বলে অভিহিত করেছেন।
এ সময় ওভাল অফিসে ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিও এবং ডিআর কঙ্গো এবং রুয়ান্ডার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে কঙ্গো এবং রুয়ান্ডার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা চুক্তিটি স্বাক্ষর করেন।
চলতি বছরের শুরুতে এম২৩ বিদ্রোহীরা পূর্ব ডিআর কঙ্গোর আঞ্চলিক রাজধানী গোমা, বুকাভু শহর এবং দুটি বিমানবন্দরসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ দখল করে। এর ফলে দশকের পর দশক ধরে চলা সংঘাত আরও তীব্র হয়। সাম্প্রতিক বিদ্রোহী হামলার পর হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন এবং লক্ষ লক্ষ বেসামরিক নাগরিক তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।
দুদেশের মধ্যে সংঘাত বৃদ্ধি পেলে কাতার উত্তেজনা প্রশমনের প্রচেষ্টা জোরদার করে বলে জানিয়েছেন চুক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন কূটনীতিক। তার মতে, উত্তেজনা প্রশমনের জন্য কাতার উভয় রাজধানীতে দূত পাঠিয়েছিল এবং কঙ্গো ও রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্টরা দোহায় বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থিত একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হয়েছিল।
