Logo
Logo
×

Advertisement

ইসলাম ও জীবন

হজের মৌসুমে কোন দিনগুলোতে ওমরাহ করা মাকরুহ?

Advertisement

Icon

ইসলাম ও জীবন ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬, ০৪:৫৩ পিএম

হজের মৌসুমে কোন দিনগুলোতে ওমরাহ করা মাকরুহ?

হজের যে দিনগুলোতে ওমরাহ করা মাকরুহ। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

আল্লাহর ঘর কাবা শরিফ জিয়ারত করা প্রতিটি মুমিনের হৃদয়ের গভীর আকাঙ্ক্ষা। হজ ও ওমরাহ শুধু একটি সফর নয়; এটি আত্মশুদ্ধি, গুনাহ মাফ এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের এক অনন্য সুযোগ। বিশেষ করে ওমরাহ এমন একটি ইবাদত, যা বছরের প্রায় সব সময়ই পালন করা যায় এবং এর ফজিলত সম্পর্কে কুরআন-হাদিসে রয়েছে অসংখ্য উৎসাহব্যঞ্জক বর্ণনা। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে— হজের মৌসুমে কোন দিনগুলোতে ওমরাহ করা মাকরুহ?

হজের পাঁচ দিনে ওমরাহ করা মাকরুহ

জিলহজ মাসের ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ তারিখে ওমরাহ করা মাকরুহ তাহরিমি। এ দিনগুলো মূলত হজের গুরুত্বপূর্ণ আমলের জন্য নির্ধারিত। তাই এসব দিনে ওমরাহ করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

তবে জিলহজ মাসের বাকি দিনগুলোতে এবং বছরের অন্য যেকোনো সময় ওমরাহ করা জায়েজ ও ফজিলতপূর্ণ আমল। যার মক্কায় পৌঁছার সামর্থ্য রয়েছে, তার জন্য জীবনে অন্তত একবার ওমরাহ করা সুন্নতে মুআক্কাদাহ। আর সামর্থ্য অনুযায়ী বারবার ওমরাহ করা মুস্তাহাব।

ওমরাহর ফজিলত সম্পর্কে হাদিস

হজরত আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন—

الْعُمْرَةُ إِلَى الْعُمْرَةِ كَفَّارَةٌ لِمَا بَيْنَهُمَا، وَالْحَجُّ الْمَبْرُورُ لَيْسَ لَهُ جَزَاءٌ إِلَّا الْجَنَّةُ

‘এক ওমরাহ থেকে আরেক ওমরাহ পর্যন্ত সময়ের গুনাহের জন্য তা কাফফারাস্বরূপ। আর কবুল হজের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া আর কিছু নয়।’ (বুখারি ১৭৭৩)

আরেক হাদিসে হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

تَابِعُوا بَيْنَ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ، فَإِنَّهُمَا يَنْفِيَانِ الْفَقْرَ وَالذُّنُوبَ، كَمَا يَنْفِي الْكِيرُ خَبَثَ الْحَدِيدِ وَالذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ، وَلَيْسَ لِلْحَجَّةِ الْمَبْرُورَةِ ثَوَابٌ إِلَّا الْجَنَّةُ

‘ধারাবাহিকভাবে হজ ও ওমরাহ আদায় করতে থাকো। কারণ এ দুটি দারিদ্র্য ও গুনাহ দূর করে দেয়, যেমন হাঁপর লোহা, সোনা ও রুপার ময়লা দূর করে। আর মাবরুর হজের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া আর কিছু নয়।’ (নাসাঈ ২৬৩১; তিরমিজি ৮১০)

ওমরাহ এমন এক ইবাদত, যা মানুষের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে এবং আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে। হজের নির্ধারিত পাঁচ দিন ছাড়া বছরের প্রায় সব সময়ই এই ইবাদত আদায় করা যায়। তাই সামর্থ্যবান মুসলমানদের উচিত সুযোগ পেলেই আল্লাহর ঘরে হাজির হয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে ওমরাহ আদায় করা। কারণ একটি কবুল ওমরাহ মানুষের গুনাহ মোচন করে এবং তাকে আল্লাহর রহমতের আরও কাছে পৌঁছে দেয়।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

হজে আরও ২০ হাজার কোটা বাড়ানোর দাবি হাবের

হজে আরও ২০ হাজার কোটা বাড়ানোর দাবি হাবের

যে ৫ ক্ষেত্রে মানুষের দোষ গোপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

যে ৫ ক্ষেত্রে মানুষের দোষ গোপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

ল্যাবরেটরিতে তৈরি কৃত্রিম গোশত খাওয়া কি হালাল?

ল্যাবরেটরিতে তৈরি কৃত্রিম গোশত খাওয়া কি হালাল?

ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার না করলে ইমামের পেছনে নামাজ পড়ার হুকুম কী?

ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার না করলে ইমামের পেছনে নামাজ পড়ার হুকুম কী?

শর্ত কথা বলার কিন্তু মেসেঞ্জারে সালামের জবাব দিলে কি তালাক হবে?

শর্ত কথা বলার কিন্তু মেসেঞ্জারে সালামের জবাব দিলে কি তালাক হবে?

২০২৭ সালের হজে আরও ২০ হাজার কোটা দাবি হাবের

২০২৭ সালের হজে আরও ২০ হাজার কোটা দাবি হাবের

আরও পড়ুন

যে ৫ ক্ষেত্রে মানুষের দোষ গোপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

যে ৫ ক্ষেত্রে মানুষের দোষ গোপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

ল্যাবরেটরিতে তৈরি কৃত্রিম গোশত খাওয়া কি হালাল?

ল্যাবরেটরিতে তৈরি কৃত্রিম গোশত খাওয়া কি হালাল?

ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার না করলে ইমামের পেছনে নামাজ পড়ার হুকুম কী?

ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার না করলে ইমামের পেছনে নামাজ পড়ার হুকুম কী?

শর্ত কথা বলার কিন্তু মেসেঞ্জারে সালামের জবাব দিলে কি তালাক হবে?

শর্ত কথা বলার কিন্তু মেসেঞ্জারে সালামের জবাব দিলে কি তালাক হবে?

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম