Logo
Logo
×
   

Advertisement

ইসলাম ও জীবন

রাশিফলে বিশ্বাস করার বিষয়ে শরয়ি বিধান কী

Advertisement

Icon

ইসলাম ও জীবন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম

রাশিফলে বিশ্বাস করার বিষয়ে শরয়ি বিধান কী

ফাইল ছবি

Advertisement

এক প্রশ্নকারী বলেন, আমাকে একজন বলেছে, সিংহ রাশি আর আমার রাশিতে গ্রহের সমস্যা আছে। আমি কোনো কাজ কিছু মাস বা দিন করে এরপর হঠাৎ সেটা ছেড়ে দিয়ে চলে যাই, করতে ভালো লাগে না, অথবা একটা কিছু সাজিয়ে-গুছিয়ে নিয়ে সেই কাজ নিয়ে আগাতে ইচ্ছা করে না। উনার কথার মিল পাই আমি। এগুলো কতটা সত্য জানতে চাই।

এসব বিষয়ে ঢাকার মোহাম্মদপুরের জামিআ মুহাম্মাদিয়া আরাবিয়া মাদরাসার মুফতী ও মুহাদ্দিস শফিকুল ইসলাম বলেন, রাশি আছে, এটা জ্যোতির্বিজ্ঞানের একটি নামমাত্র শ্রেণিবিভাগ হতে পারে; কিন্তু রাশি মানুষের ভাগ্য নির্ধারণ করে বা রাশি দেখে ভবিষ্যৎ জানা যায়—এ বিশ্বাস ইসলামে গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি বলেন, আর যদি কেউ বিশ্বাস করে নক্ষত্র/গ্রহ আল্লাহর স্বাধীন ক্ষমতার বাইরে নিজেরাই মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে, তাহলে বিষয়টি আরও গুরুতর—এটি তাওহিদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

‘আমি অমুক রাশির, তাই আমার আজ ভাগ্য এমন হবে।’ এ বিশ্বাস করা জায়েজ নয়।

আল্লাহ তাআলা বলেন,

قُلْ لَا يَعْلَمُ مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ الْغَيْبَ إِلَّا اللَّهُ

“বলুন, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যারা আছে তারা আল্লাহ ছাড়া গায়েব জানে না।”

— সূরা আন-নামল, ২৭:৬৫

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, 

«مَنْ اقْتَبَسَ عِلْمًا مِنَ النُّجُومِ اقْتَبَسَ شُعْبَةً مِنَ السِّحْرِ، زَادَ مَا زَادَ»

“যে ব্যক্তি নক্ষত্রবিদ্যা থেকে (নিষিদ্ধ ধরনের) জ্ঞান গ্রহণ করল, সে জাদুর একটি শাখা গ্রহণ করল—যত বেশি গ্রহণ করবে তত বেশি।”

— সুনান আবু দাউদ, ৩৯০৫;

«وَهَلْ يُرْجَعُ إِلَى قَوْلِ أَهْلِ الْخِبْرَةِ الْعُدُولِ مِمَّنْ يَعْرِفُ عِلْمَ النُّجُومِ الصَّحِيحُ أَنَّهُ لَا يُقْبَلُ ... وَلَا يَجُوزُ لِلْمُنَجِّمِ أَنْ يَعْمَلَ بِحِسَابِ نَفْسِهِ»

আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়্যা, ১/১৯৭

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম