Logo
Logo
×

Advertisement

লাইফ স্টাইল

শীতে একজিমার সমস্যা হতে পারে শিশুর ত্বকেও, যেভাবে যত্ন নেবেন বাবা-মা

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৩৬ পিএম

শীতে একজিমার সমস্যা হতে পারে শিশুর ত্বকেও, যেভাবে যত্ন নেবেন বাবা-মা

ফাইল ছবি

Advertisement

শীতকালে একজিমার মতো চর্মরোগের প্রকোপ বাড়ছে শিশুদের মধ্যেও। শীতের সময়ে ত্বক আরও শুকিয়ে র্যাশ ও ফুসকুড়ির সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই এ সময়ে শিশুর ত্বকের যত্নে বাবা-মাকে আরও বেশি সতর্ক থাকা উচিত। কারণ এটি সাধারণ দীর্ঘস্থায়ী চর্মরোগ, যা মূলত বংশগত ও অ্যাজমা বা অ্যালার্জির সঙ্গে সম্পর্কিত।

তবে এটি ছোঁয়াচে রোগ নয়, ত্বকে লালচে ভাব, চুলকানি, ফুসকুড়ি এবং শুষ্কতা সৃষ্টি করে। বিশেষ করে শীতকালে পানি ও সাবানের অতিরিক্ত ব্যবহার বাড়ে। সে কারণে ত্বক নষ্ট হয়ে যায়। এর চিকিৎসায় ত্বক আর্দ্র রাখা, কারণগুলো এড়িয়ে চলা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মলম ব্যবহার করা জরুরি।

শীতকালে শিশুদের কোমল ত্বকে একজিমার সমস্যা প্রতিরোধে নিচের কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন। শিশুকে খুব বেশি গরম পানিতে গোসল করাবেন না। কুসুম কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন। গোসলের সময় ৫-১০ মিনিটের বেশি হওয়া উচিত নয়। গোসলের পর শরীর পুরোপুরি শুকানোর আগেই (৩ মিনিটের মধ্যে) ভালো মানের ইমোলিয়েন্ট বা চাইল্ড-সেফ ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে দিনে ২-৩ বার এটি ব্যবহার করা উচিত।

শীতকাল বলে শুধু নয়, মৌসুমের যে কোনো সময়েই যদি শিশুর ত্বক শুষ্ক কিংবা খসখসে হয়ে গিয়ে র্যাশ বেরোতে থাকে, তাহলে সতর্ক থাকতে হবে অভিভাবকদের। ঠান্ডার সময়ে শিশুর ত্বক আরও বেশি স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে। যারা ডায়াপার পরে, তাদের র্যাশ-অ্যালার্জি হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। আবার অনেক সময়েই দেখা যায়, কোনো খাবার বা ধাতব জিনিস থেকে অ্যালার্জি হচ্ছে শিশুর। কিন্তু যদি দেখা যায়, ত্বক সবসময়েই শুষ্ক হয়ে খসখসে হয়ে যাচ্ছে কিংবা ত্বকে লালচে র্যাশ বেরোচ্ছে, তাহলে বুঝতে হবে— ত্বকেরই কোনো অসুখ বাসা বেঁধেছে। শিশুর ত্বকেও একজিমার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই শীতের সময়ে কীভাবে শিশুর ত্বকের যত্ন নিতে হবে, তা বাবা-মায়েদের জেনে রাখা উচিত।

শিশুর ত্বকে যদি মাঝে মধ্যে ফুসকুড়ি ও চুলকানির সমস্যা চলতেই থাকে, তাহলে গুরুত্ব নিয়ে দেখা প্রয়োজন বাবা-মায়ের। এমনকি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।

চলুন দেখে নেওয়া যাক, যা বাবা-মায়েদের করা উচিত—

১-৫ বছর বয়সের মধ্যে একজিমার সমস্যা দেখা দিতে পারে। হাত, পা ও কনুইয়ের কাছে লালচে র্যাশ বেরোতে পারে। বড বড় ফোসকার মতো দেখা দিতে পারে ত্বকে। গাল, থুঁতনি ও কানের পেছন দিকে লালচে র্যাশ বেরোতে পারে। পেট, কনুই, ঊরুতেও বড় বড় ফোসকা পড়বে অথবা ঘামাচির মতো দেখা যাবে। মাথার ত্বকে র্যাশ বেরোতে পারে। চামড়া খসখসে ও পুরু হয়ে যাবে। বেশিরভাগ অভিভাবকই একে সাধারণ র্যাশ বলে এড়িয়ে যান। সংক্রমণের জায়গায় বাজারচলতি ক্রিম বা পাউডার লাগিয়ে দেন। ফলে সমস্যা তো কমেই না, বরং উল্টো আরও বেড়ে যায়।

সে জন্য শিশুর শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দেখা দিলেই ভালো করে ময়েশ্চারাইজার মাখাতে হবে। শিশুর ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার কেনা জরুরি। সে ক্ষেত্রে প্রতি দিন অন্তত দুবার ভালো করে ময়েশ্চারাইজার মালিশ করতে পারলে ত্বক নরম ও কোমল থাকবে।

১. এক কাপের একটু কম হালকা গরম দুধ নিন। এরপর তাতে মেশান আধাকাপ ওটস। মিশ্রণটা ঠান্ডা হলে, তা শিশুর ত্বকে মালিশ করতে পারেন। সাবান বেশি না মাখিয়ে এই মাস্ক দিয়ে ত্বকের পরিচর্যা করলে র্যাশের সমস্যা দূর হবে।

২. শিশুর জামাকাপড় সবসময় পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সামান্য গরম পানি দিয়ে শিশুকে গোসল করাতে হবে। সেই সঙ্গে নরম সুতির জামা পরাতে হবে।

৩. ডায়াপার কেনার আগে অবশ্যই ভালো করে দেখে নিন এর কাপড়। প্রয়োজনে কথা বলুন চিকিৎসকের সঙ্গে।

৪. শিশুকে গোসল করানোর আগে অলিভ অয়েল কিংবা নারিকেল তেল মাখানো যেতে পারে।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

‘টু-ডু লিস্ট’ বানালেই মনে হয় কাজ শেষ, কেন এমন হয়?

‘টু-ডু লিস্ট’ বানালেই মনে হয় কাজ শেষ, কেন এমন হয়?

সাড়ে ৫ কোটি টাকার বিলাসবহুল ঘড়ি ‘শ্রীরামচন্দ্র’; কী আছে এতে?

সাড়ে ৫ কোটি টাকার বিলাসবহুল ঘড়ি ‘শ্রীরামচন্দ্র’; কী আছে এতে?

কোন রক্তের গ্রুপে কম বয়সে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি?

কোন রক্তের গ্রুপে কম বয়সে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি?

শিশুর খাবারে প্রোটিনের ঘাটতি? যে ৫ লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন

শিশুর খাবারে প্রোটিনের ঘাটতি? যে ৫ লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম