Logo
Logo
×

Advertisement

লাইফ স্টাইল

হরমোনের ভারসাম্যহীনতার ৭ লক্ষণ, যা নারীদের জানা জরুরি

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৬, ১১:১১ এএম

হরমোনের ভারসাম্যহীনতার ৭ লক্ষণ, যা নারীদের জানা জরুরি

ফাইল ছবি

Advertisement

ব্রণ, চুল পড়া, অতিরিক্ত ক্লান্তি কিংবা হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়াকে অনেকেই মানসিক চাপ বা ব্যস্ত জীবনযাপনের ফল বলে মনে করেন। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, এসব উপসর্গ অনেক সময় হরমোনের ভারসাম্যহীনতারও ইঙ্গিত হতে পারে। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে বহুল পরিচিত সমস্যা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস)-এর ক্ষেত্রে এ ধরনের লক্ষণ দেখা দেওয়া অস্বাভাবিক নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পিসিওএস নারীদের মাসিক চক্র, প্রজননক্ষমতা, বিপাকক্রিয়া এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে এর লক্ষণ সব সময় স্পষ্ট হয় না। ফলে অনেকেই সমস্যাটি দীর্ঘদিন বুঝতে পারেন না।

পুষ্টিবিদ নমামি আগরওয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে বলেন, ব্রণ, চুল পড়া, অতিরিক্ত ক্লান্তি, বারবার খাবারের প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা, এমনকি হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যাকে শুধু স্ট্রেসের ফল হিসেবে দেখলে ভুল হতে পারে। তার ভাষায়, পিসিওএসের কারণে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, যা পুরো শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে।

তিনি জানান, সঠিক খাদ্যাভ্যাস হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পর্যাপ্ত প্রোটিন, আঁশসমৃদ্ধ খাবার, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক খাবার নিয়মিত খেলে পিসিওএসের উপসর্গ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

তবে সবার জন্য একই ধরনের খাদ্যতালিকা কার্যকর নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি। প্রত্যেকের শারীরিক অবস্থা ভিন্ন হওয়ায় ব্যক্তিভিত্তিক পুষ্টি পরিকল্পনা গ্রহণ করলে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে।

এর আগে নমামি আগরওয়াল পিসিওএসে আক্রান্ত নারীদের জন্য আরও কিছু পরামর্শ দিয়েছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বেশি প্রোটিন ও আঁশযুক্ত খাবার রাখা, প্রদাহ কমাতে সহায়ক খাবার খাওয়া, নিয়মিত শরীরচর্চা করা এবং কার্ডিও ও শক্তিবর্ধক ব্যায়ামের সমন্বয় করা। পাশাপাশি অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত ও প্রদাহ বাড়াতে পারে এমন খাবার কম খাওয়ার পরামর্শও দেন তিনি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্রণ, অনিয়মিত মাসিক, ওজন বৃদ্ধি বা দীর্ঘদিনের ক্লান্তির মতো উপসর্গ অবহেলা করা উচিত নয়। এসব সমস্যা নিয়মিত দেখা দিলে নিজে থেকে চিকিৎসা বা খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনার পরিবর্তে একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ বা নিবন্ধিত পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ। দ্রুত রোগ শনাক্ত হলে সঠিক চিকিৎসা ও জীবনযাপনের পরিবর্তনের মাধ্যমে পিসিওএস অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

সূত্র: এনডিটিভি

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

প্রজননক্ষমতা নিয়ে কখন সতর্ক হবেন?

প্রজননক্ষমতা নিয়ে কখন সতর্ক হবেন?

চল্লিশের পর মানসিক স্বাস্থ্য এবং এর যত্ন

চল্লিশের পর মানসিক স্বাস্থ্য এবং এর যত্ন

দই খেলে কি কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমে?— যা বলছে গবেষণা

দই খেলে কি কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমে?— যা বলছে গবেষণা

ওজন কমানোর ওষুধে নখ খুলে যাওয়ার ঝুঁকি, গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

ওজন কমানোর ওষুধে নখ খুলে যাওয়ার ঝুঁকি, গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাতে ঘুম হচ্ছে না? কখন যাবেন চিকিৎসকের কাছে

রাতে ঘুম হচ্ছে না? কখন যাবেন চিকিৎসকের কাছে

যে কারণে কমতে পারে পুরুষের শুক্রাণুর মান, যা বাড়ায় বন্ধ্যত্বের ঝুঁকিও

যে কারণে কমতে পারে পুরুষের শুক্রাণুর মান, যা বাড়ায় বন্ধ্যত্বের ঝুঁকিও

আরও পড়ুন

মূত্রথলির ক্যানসার, যেসব লক্ষণে হবেন সতর্ক

মূত্রথলির ক্যানসার, যেসব লক্ষণে হবেন সতর্ক

বেড়াতে যাওয়ার আগে ব্যাগে তুলতে ভুলবেন না এই ৫ জিনিস

বেড়াতে যাওয়ার আগে ব্যাগে তুলতে ভুলবেন না এই ৫ জিনিস

মোবাইল ফোনে ব্রেন ক্যানসারের ঝুঁকি? — ৬৩ গবেষণায় যা মিলল

মোবাইল ফোনে ব্রেন ক্যানসারের ঝুঁকি? — ৬৩ গবেষণায় যা মিলল

পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যানসার কি নিরাময়যোগ্য?

পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যানসার কি নিরাময়যোগ্য?

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম