Logo
Logo
×
   

Advertisement

লাইফ স্টাইল

খাবারে ফাইবার বাড়িয়ে পেট ফাঁপছে? যে ৫ ভুল এড়াবেন

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৯ এএম

খাবারে ফাইবার বাড়িয়ে পেট ফাঁপছে? যে ৫ ভুল এড়াবেন

ছবি: এআই জেনারেটেড।

Advertisement

ফাইবার শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। হজম শক্তি ভালো রাখা, মলত্যাগ নিয়মিত করা এবং পেটের স্বাভাবিক কার্যক্রমে এটি ভূমিকা রাখে। তবে খাবারে হঠাৎ করে ফাইবারের পরিমাণ বাড়িয়ে দিলে উপকারের বদলে দেখা দিতে পারে গ্যাস, পেট ফাঁপা কিংবা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা।

ভারতীয় গ্যাস্ট্রো এন্টেরোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠির মতে, ফাইবার বাড়ানোর সময় কিছু সাধারণ ভুলের কারণে গ্যাস, পেট ফাঁপা কিংবা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তার পরামর্শ, খাবারে ফাইবার যোগ করতে হবে ধীরে ধীরে এবং শরীরের প্রতিক্রিয়ার দিকে নজর রাখতে হবে।

সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের দৈনিক প্রায় ২৫ থেকে ৩৮ গ্রাম ফাইবার গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে অনেকেই এর তুলনায় কম ফাইবার খান। তাই হঠাৎ করে পরিমাণ বাড়ানোর পরিবর্তে ধীরে ধীরে অভ্যাস পরিবর্তন করাই ভালো।

যে পাঁচটি ভুল এড়াবেন

ফাইবার খেয়ে পর্যাপ্ত পানি না পান করা

ফাইবার বাড়ানোর পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করাও জরুরি। কারণ ফাইবার পরিপাকতন্ত্রে পানি শোষণ করে। শরীরে তরলের ঘাটতি থাকলে বেশি ফাইবার উলটো কোষ্ঠ্যকাঠিন্য ও পেট ফাঁপার কারণ হতে পারে। তাই ফাইবারযুক্ত খাবারের সঙ্গে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।

একদিনেই অনেক ফাইবার খাওয়া

দীর্ঘদিন কম ফাইবার খাওয়ার পর হঠাৎ করে বেশি খেলে অন্ত্রের জীবাণুগুলো নতুন খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পায় না। ফলে গ্যাস ও পেট ফাঁপার মতো সমস্যা হতে পারে।

ডা. শেঠির পরামর্শ, কয়েকদিন পর পর অল্প অল্প করে ফাইবারের পরিমাণ বাড়ানো। যেমন প্রতিদিন ১৫ গ্রাম ফাইবার খাওয়ার অভ্যাস থাকলে হঠাৎ ৩৫ গ্রামে না গিয়ে ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়ানো উচিত।

একবারে পুরো দিনের ফাইবার খাওয়া

দিনের প্রয়োজনীয় ফাইবার একবোরে খেয়ে নেওয়া ঠিক নয়। বরং সকালের নাশতা, দুপুর ও রাতের খাবারের মধ্যে ফাইবার ভাগ করে খাওয়া ভালো। এতে পরিপাকতন্ত্রকে একসঙ্গে অতিরিক্ত ফাইবার সামলাতে হয় না।

নিজের সমস্যার সঙ্গে মিল না রেখে ফাইবার বেছে নেওয়া

সব ফাইবার শরীরে একইভাবে কাজ করে না। দ্রবণীয় ফাইবার পাওয়া যায় ওটস ও ইসবগুলের মতো খাবারে। এটি পানিতে মিশে জেল তৈরি করে এবং হজমের গতি ধীর করতে পারে। অন্যদিকে গমের ভুসি ও  বিভিন্ন সবজির খোসায় থাকা অদ্রবণীয় ফাইবার মলের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে।

তাই ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য বা অন্য কোনো হজমের সমস্যা থাকলে নিজের লক্ষণ বুঝে ফাইবার বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

সমস্যা বাড়লেও জোর করে একই নিয়ম চালিয়ে যাওয়া

ফাইবার বাড়ানোর পর সামান্য গ্যাস বা পেট ফাঁপা হতে পারে।  তবে সমস্যা ক্রমেই বাড়তে থাকলে সেটিকে স্বাভাবিক ভেবে একইভাবে ফাইবার খেয়ে যাওয়া ঠিক নয়। খাদ্যাভ্যাস পর্যালোচনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করা উচিত।

বিশেষ করে ফাইবার বাড়ানোর পর পেট ফাঁপা, অস্বস্তি বা হজমের সমস্যা দীর্ঘদিন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম