Logo
Logo
×
   

Advertisement

লাইফ স্টাইল

পিঠ ও ঘাড়ের ব্যথা বাড়ছে? এড়িয়ে চলুন এই ৬ অভ্যাস

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৫ এএম

পিঠ ও ঘাড়ের ব্যথা বাড়ছে? এড়িয়ে চলুন এই ৬ অভ্যাস

ফাইল ছবি

Advertisement

বর্তমান সময়ে পিঠ ও ঘাড়ের ব্যথা বেশ সাধারণ হয়ে উঠেছে। আধুনিক জীবনযাত্রায় দিনের বড় একটি সময় মোবাইল, ল্যাপটপ বা টেলিভিশনের সামনে কাটানোর কারণে মেরুদণ্ড দীর্ঘসময় অস্বাভাবিক অবস্থানে থাকে। 

মোবাইলের ব্যবহারের সময় ঘাড় নিচু করে রাখা, ল্যাপটপে কাজ করার সময় কুঁজো হয়ে বসা কিংবা টেলিভিশন দেখার সময় সোফায় অস্বাভাবিক ভঙ্গিতে শুয়ে থাকার মতো অভ্যাসে ব্যথা ও মেরুদণ্ডে আঘাতের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

চিকিৎসকরা বলেন, মেরুদণ্ডের বিভিন্ন সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ হলো অলস জীবনযাপন। তিনি বলেন, আগের তুলনায় মানুষের জীবনযাত্রা অনেক কম সক্রিয় হয়েছে। শরীরের পেশি ও অস্থিসন্ধি শক্তিশালী রাখতে নিয়মিত নড়াচড়া প্রয়োজন।

যে ৬ অভ্যাসে সতর্ক হতে হবে

১. যানবাহনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা: গাড়ি, মোটরসাইকেল ও ভাড়ার গাড়ি সহজলভ্য হওয়ায় মানুষ আগের তুলনায় অনেক কম হাঁটেন। মেরুদণ্ড ও এর সহায়ক পেশি সুস্থ রাখার অন্যতম সহজ উপায় হলো হাঁটা।

২. দীর্ঘসময় বসে কাজ করা: অফিস কিংবা বাসা, দীর্ঘসময় ডেস্কে বসে কাজ করলে মেরুদণ্ড একই অবস্থানে আটকে থাকে। দীর্ঘসময় এভাবে থাকার চাপ মেরুদণ্ডের স্বাভাবিক নড়াচড়ার থেকে একেবারেই ভিন্ন।

৩. ব্যায়ামের অভাব: নিয়মিত ব্যায়াম না করলে মেরুদণ্ডকে সহায়তা করা পেশির শক্তি ও সহনশীলতা কমে যায়। এতে মেরুদণ্ডের ওপর সরাসরি বেশি চাপ পড়ে এবং আঘাতের ঝুঁকি বাড়ে।

৪. অপর্যাপ্ত পুষ্টি: ভিটামিন ডি৩ বা বি১২-এর ঘাটতি, ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি থাকা এবং নিয়মিত ফাস্টফুড খাওয়ার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে হাড় ও অস্থিসন্ধির স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলে।

৫. পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব: ঘুমের সময় শরীর নিজেকে মেরামত করে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে দিনের পরিশ্রম থেকে মেরুদণ্ড ও পেশির সুস্থ হতে প্রয়োজনীয় সময় কমে যায়।

৬. মোবাইল ব্যবহারে ঘাড়ের ভুল ভঙ্গি: দীর্ঘসময় ঘাড় সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে  মোবাইল ব্যবহার করলে সার্ভিক্যাল মেরুদণ্ডের ক্ষয় দ্রুত হতে পারে। বিশেষ করে তরুণ রোগীদের মধ্যেও এমন সমস্যা দেখা যাচ্ছে।

যেসব লক্ষণে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি

বিশেষজ্ঞের মতে, পিঠ বা ঘাড়ের ব্যথা ক্রমে বাড়তে থাকা, আগের ব্যথার চেয়ে ভিন্ন ধরনের ব্যথা অনুভূত হওয়া, আগে দ্রুত কমে যাওয়া ব্যথা এখন দীর্ঘসময় স্থায়ী হওয়া, পেশির খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে ঘন ঘন ব্যথানাশক খাওয়ার প্রয়োজন হওয়া এবং আগে যে কাজগুলোতে ব্যথা হতো না, সেগুলোতে ব্যথা শুরু হওয়া—এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়।

এ ছাড়া ব্যথার সঙ্গে জ্বর, অকারণে ওজন কমে যাওয়া বা ক্ষুধামন্দা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। এসব উপসর্গ কখনো সংক্রমণ বা বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর কোনো রোগের ইঙ্গিত হতে পারে। তাই শুধু ভুল ভঙ্গি বা শারীরিক পরিশ্রমের কারণে ব্যথা হচ্ছে মনে করে তা উপেক্ষা না করে ব্যথা স্থায়ী হলে বা ধরন পরিবর্তন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই জরুরি।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম