লিফট ব্যবহারে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি
Advertisement
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১১ পিএম
আধুনিক ভবনে চলাচলের অন্যতম সুবিধাজনক মাধ্যম লিফট।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
আধুনিক ভবনে চলাচলের অন্যতম সুবিধাজনক মাধ্যম লিফট। তবে সামান্য অসতর্কতা কখনো কখনো বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই নিরাপদে লিফট ব্যবহার করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে সচেতন থাকা প্রয়োজন।
লিফটের দরজা খোলা ও বন্ধ হওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটি মূলত সেন্সরের ওপর নির্ভরশীল। সাধারণ অবস্থায় দরজার সামনে কেউ থাকলে সেন্সর তা শনাক্ত করে দরজা বন্ধ হওয়া থেকে বিরত রাখে। কিন্তু প্রযুক্তিগত বা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সেন্সর সব সময় সঠিকভাবে কাজ নাও করতে পারে। এজন্য লিফটে প্রবেশের সময় দরজার গতিবিধি খেয়াল করা উচিত। কোনো ধরনের অস্বাভাবিকতা দেখা গেলে লিফট ব্যবহার না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো ভালো।
লিফটে ওঠার পর গন্তব্যের তলা নির্বাচন করার পাশাপাশি ভেতরে থাকা জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলো সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি। অধিকাংশ লিফটেই ইমার্জেন্সি অ্যালার্ম, কল বাটন বা জরুরি স্টপ সুইচ থাকে। বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা যান্ত্রিক সমস্যার মতো পরিস্থিতিতে এসব ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই আগে থেকেই এসব বাটনের অবস্থান ও ব্যবহার সম্পর্কে জেনে রাখা উচিত।
আগুন লাগা, ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়া বা অন্য কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে লিফট ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। এমন অবস্থায় লিফটের বিদ্যুৎ বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হতে পারে, যা ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়। তাই অগ্নিকাণ্ডের সময় ভবনের জরুরি সিঁড়ি ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ। একইভাবে ভূমিকম্প বা বড় ধরনের দুর্ঘটনার সময়ও লিফট ব্যবহার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
কোনো কারণে লিফট মাঝপথে থেমে গেলে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জোর করে দরজা খোলার চেষ্টা করা বা নিজ উদ্যোগে বের হওয়ার চেষ্টা বিপজ্জনক হতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে লিফটের ইমার্জেন্সি কল বাটন, অ্যালার্ম বা যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে সাহায্য চাওয়া উচিত। উদ্ধারকারী দল বা দায়িত্বশীল ব্যক্তির সহায়তা না পাওয়া পর্যন্ত ভেতরে অপেক্ষা করাই নিরাপদ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, লিফট ব্যবহারের সময় কয়েকটি সাধারণ নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চললে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

