Logo
Logo
×
   

Advertisement

জাতীয়

হত্যা মামলা তুলে নিতে হুমকি, আদালতে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৫, ০২:৫১ এএম

হত্যা মামলা তুলে নিতে হুমকি, আদালতে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতীকী ছবি

Advertisement

রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় গৃহবধূ ফাহমিদা তাহসিন কেয়া হত্যা মামলা তুলে নিতে হুমকি ও অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালত মামলা হয়েছে।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে এ মামলা করেন। পরে আদালত মামলাটি গ্রহণ করে রমনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। 

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইসফাকুর রহমান গালিব বলেন, মামলা তুলে নেওয়ার জন্য এজাহারভুক্ত আসামিরা প্রাণনাশের হুমকি দেন। আসামিরা কেয়ার বাবাকে হত্যা ও অপহরণের উদ্দেশ্যে দুটি মাইক্রোবাস নিয়ে আসে। যার সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে। এভাবে ভিক্টিম পরিবারের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে ভবিষ্যতে অনেকে আইনি পদক্ষেপ নিতে ভয় পেতে পারেন। অবিলম্বে এজাহারভুক্ত আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারপূর্বক ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। 

এ মামলার আসামিরা হলেন-মনির, দিপা সিকদার ও মাহফুজ সিকদার। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গৃহবধূ ফাহমিদা তাহসিন কেয়াকে গত ১৩ আগস্ট তার শ্বশুরবাড়িতে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে মিরপুর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এরপর থেকেই আসামিপক্ষ কেয়ার মা ও বাবাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। গত ৪ সেপ্টেম্বর কেয়ার মাকে আসামী দিপা শিকদার ফোন করে প্রাণনাশের হুমকিসহ তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত হত্যা মামলা প্রত্যাহার করতে বলেন। এ ঘটনায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর রমনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করা হয়েছে।

পরবর্তীতে গত ৮ অক্টোবর সকাল ১১টা ৪০মিনিটের সময় ভিকারুন্নিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের ১২ নং গেটের সামনে কেয়ার বাবা বাজার করতে গেলে আসামি মনির, দিপা সিকদার ও মাহফুজ সিকদারসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জন সন্ত্রাসী কালো রংয়ের গাড়ীতে এসে সাত দিনের মধ্যে মামলা উঠিয়ে নিতে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এসময় আসামীরা তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেন।

পরবর্তীতে আসামীরা কেয়ার সন্তানদের অপহরণের উদ্দেশ্যে তার বাসার দিকে রওনা দিলে উপস্থিত জনতার প্রতিরোধের মুখে আসামিরা চলে যান। এ ঘটনায় গত ৮ অক্টোবর রমনা থানায় জিডি করলেও তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম