Logo
Logo
×

Advertisement

জাতীয়

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ১৯৯১ সালের উত্তেজনা এবারও কি ফিরবে?

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ০১:০৬ পিএম

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ১৯৯১ সালের উত্তেজনা এবারও কি ফিরবে?

ফাইল ছবি

Advertisement

প্রায় ৩৫ বছর পর বাংলাদেশে আবারও সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এর আগে সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯১ সালে। ওই নির্বাচনকে ঘিরে সংসদের ভেতরে তৈরি হয়েছিল উত্তেজনা ও বিতর্ক।

১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানে এরশাদ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যায়। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি সবচেয়ে বেশি আসন পেয়ে সরকার গঠন করে। আওয়ামী লীগ প্রধান বিরোধী দল হিসেবে সংসদে অবস্থান নেয়। এরপর ওই বছরই সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আয়োজন করা হয়।

১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস এবং আওয়ামী লীগ-সমর্থিত সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তারাই ছিলেন ওই নির্বাচনের একমাত্র দুই প্রার্থী।

তৎকালীন সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনসহ মোট ভোটার ছিলেন ৩৩০ জন সংসদ সদস্য। তবে ভোট দেন ২৬৪ জন। ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকেন ৬৬ জন। নির্বাচনে ১৭২ ভোট পেয়ে জয়ী হন আবদুর রহমান বিশ্বাস। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বদরুল হায়দার চৌধুরী পান ৯২ ভোট।

সংসদ কক্ষেই ভোটকেন্দ্র

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষকেই ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। স্পিকারের জন্য নির্ধারিত বড় চেয়ারটির পরিবর্তে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের জন্য সেখানে একটি ছোট চেয়ার রাখা হয়। তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আব্দুর রউফের তত্ত্বাবধানে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

দুপুর ২টায় ভোটগ্রহণ শুরু হলে সংসদ সদস্যরা একে একে ভোট দেন। অধিবেশন কক্ষের ভেতরে একাধিক বুথ স্থাপন করা হয়েছিল। নির্বাচন কর্মকর্তারা সেখানে ভোটগ্রহণের দায়িত্ব পালন করেন।

তবে ভোট শুরুর কিছুক্ষণ পরই সংসদে উত্তেজনা তৈরি হয়। আওয়ামী লীগের মতিয়া চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, সাজেদা চৌধুরীসহ কয়েকজন সংসদ সদস্য প্রকাশ্যে ভোটগ্রহণের বিরোধিতা করেন। তারা প্রকাশ্য ভোটের সমালোচনা করে হট্টগোল করেন এবং ‘শেইম, শেইম’ বলে প্রতিবাদ জানান।

যা নিয়ে বিতর্ক

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের প্রকাশ্যে ভোট দেওয়ার বিধান ছিল। ফলে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের অভিযোগ ছিল, ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা হচ্ছে না। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কেউ ভোট দিলে তা সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব।

নির্বাচন শেষে ভোট গণনা করে আবদুর রহমান বিশ্বাসকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। এরপর কয়েক দফা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হলেও একক প্রার্থী থাকায় ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয়নি।

দীর্ঘ বিরতির পর এবার আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এবারের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

নির্বাচনে দলের ভরাডুবি হলে ইরানে বড় হামলা চালাতে পারেন ট্রাম্প

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন নির্বাচনে দলের ভরাডুবি হলে ইরানে বড় হামলা চালাতে পারেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ভোট দিয়ে ইতিহাস গড়লেন পোপ লিও

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ভোট দিয়ে ইতিহাস গড়লেন পোপ লিও

ইসরাইলে নির্বাচন শেষে অচলাবস্থা, সরকার গঠনে সামনে ৪ পথ

সিএনএনের প্রতিবেদন ইসরাইলে নির্বাচন শেষে অচলাবস্থা, সরকার গঠনে সামনে ৪ পথ

‘আরবদের কথার কোনো মূল্য নেই’

‘আরবদের কথার কোনো মূল্য নেই’

ইসরাইলের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, কত আসন পেল নেতানিয়াহুর দল?

ইসরাইলের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, কত আসন পেল নেতানিয়াহুর দল?

ইসরাইলের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে নেতানিয়াহু

ইসরাইলের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে নেতানিয়াহু

আরও পড়ুন

লাইভে সংবাদপত্র ছেঁড়ার ব্যাখ্যা দিলেন রাশেদ খাঁন

লাইভে সংবাদপত্র ছেঁড়ার ব্যাখ্যা দিলেন রাশেদ খাঁন

তাহসিফের মৃত্যু ঘিরে তদন্তে নতুন মোড়, কে সেই রহস্যময় তরুণী?

তাহসিফের মৃত্যু ঘিরে তদন্তে নতুন মোড়, কে সেই রহস্যময় তরুণী?

আব্দুল কাদেরের পোস্ট লংমার্চ থেকে ফিরে আমিরে জামায়াত সংসদে দাঁড়িয়ে ঠিকই সরকারের সাফাই গাইবেন

লংমার্চ থেকে ফিরে আমিরে জামায়াত সংসদে দাঁড়িয়ে ঠিকই সরকারের সাফাই গাইবেন

মেধার প্রকৃত ও নির্মোহ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে: মাহদী আমিন

মেধার প্রকৃত ও নির্মোহ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে: মাহদী আমিন

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম