Logo
Logo
×

Advertisement

জাতীয়

সেই ছাগলকাণ্ড নিয়ে আসিফ নজরুল

মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে বমি করে দিয়েছিল, দেড় দিন কিছু খায়নি

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৯ পিএম

মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে বমি করে দিয়েছিল, দেড় দিন কিছু খায়নি

অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। ফাইল ছবি

Advertisement

অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেছেন ছোট মেয়ের পোষা ছাগল চুরির ঘটনা ‘জীবনের অন্যতম হৃদয়বিদারক ঘটনা।’ 

সম্প্রতি ‘ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ টকশোতে অতিথি হয়ে ছাগল চুরির সেই ঘটনা নিয়ে কথা বলেন আসিফ নজরুল।

উপস্থাপকের এক প্রশ্নের জবাবে আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘কে বলেছে আমি জানি না। ছাত্রদের মধ্যে যারা ছাত্র অধিকার পরিষদ থেকে ছিল, নাহিদ, আসিফ, আখতার- তাদের সঙ্গে আমার অত্যন্ত অন্তরঙ্গ সম্পর্ক সবসময় ছিল। এখন যারা বাইরে থেকে আসে, তাদের সঙ্গে আমার যোগাযোগটা কম ছিল। যোগাযোগটা কম থাকার কারণে হয়তো একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। কিন্তু কোনোদিন আমার কাছে এটা সিরিয়াস মনে হতো না।’

ছাগল চুরির প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল বলেন, ‘ছাগলচুরি যে ব্যাপারটা, এটা আমি আসলে বলতে চাই না। এটা আমার জীবনে ঘটা অন্যতম হৃদয়বিদারক ঘটনা।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটা যদি কেউ আপনাকে বলে থাকে প্রতিশোধ হিসেবে করেছে, তাহলে তার মতো অমানুষ, পিশাচ, নির্মম, খারাপ কোনো মানুষ হতে পারে না। পুরো ঘটনাটা জাস্ট মজা করে করেছে।’

‘এটা বাচ্চার (সন্তানের) পালা (পালিত) ছাগল ছিল’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমার বাচ্চাটার বয়স ছিল সাড়ে ৯ বছর। সে যখন ফুলার রোড থেকে চলে যায় হেয়ার রোডে, তার বন্ধুবান্ধব কেউ ছিল না। সে প্রচণ্ড ট্রমাটাইজ হয়ে যায়।’

ছাগলটির সঙ্গে মেয়ের গভীর সম্পর্কের কথা তুলে ধরতে গিয়ে আসিফ নজরুল বলেন, ‘হেয়ার রোডে একা বাসা। তখন তাকে পালার জন্য একটা ছাগল আমরা কিনে দিই। এই ছাগলটা প্রত্যেকদিন বসে থাকত কখন সে স্কুলে যাবে। স্কুল থেকে আসার পর সে তার সঙ্গে খেলত। এবং ওর যে ফোন ছিল, সেখানে তার মায়ের ছবি বাদ দিয়ে ওই ছাগলটার গলা জড়িয়ে রাখছে, ওই ছবিটা রেখেছে।’

‘এই ছাগল চুরি ও খেয়ে ফেলার ঘটনাইয় আসিফ নজরুলের মনস্তাত্ত্বিক জগতে ভয়াবহ আঘাত লাগে। সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, তখন আমার মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে বমি করে দিচ্ছিল এবং সে প্রায় দেড় দিন কিছু খেতে পারে নাই। খুবই অসুস্থ হয়ে গেছিল এবং আজ পর্যন্ত কিন্তু জানে না ছাগলটাকে খাওয়া হয়েছে। আমরা বলেছি, বাবা দরজাটা খোলা ছিল; এটা পালায় চলে গেছে। আমি আসলে প্রসঙ্গটা কিছু বলতে চাই না, আপনি শুধু আমাকে ওই যে কথাটা বললেন- প্রতিশোধ হিসেবে, এজন্য আমি বললাম।’

যারা ছাগলটি চুরি করেছেন তাদের মতো ‘ইতর-পাষণ্ড পশু আর কেউ নেই’ বলে মনে করেন অন্তর্বর্তী সরকারের এ উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ‘এই ছাগলটাকে কাটা হয়েছে কীভাবে এটাও শুনতে হবে। আপনার ছাগলটা প্রথম বঁটি দিয়ে কাটা যাচ্ছিল না। তো অর্ধেক যখন কাটা হয়েছে, তখন নাকি কাওরান বাজার থেকে ধারালো বঁটি এনে ছাগলটাকে কাটা হয়। এরকম একটা ঘটনা আমি কোনোদিন কাউকে কিছু বলিনি। আপনি কথাটা তুললেন দেখে, কারণ আমি অ্যাওয়ার ছিল না এই কথাটা যে বলে বলছে, আপনাকে মজা করার জন্য।’

ছাত্রনেতাদের সঙ্গে তার কোনো ধরনের বিরোধ ছিল না দাবি করে তিনি বলেন, শেষ দিন পর্যন্ত নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ ও আখতার হোসেনের সঙ্গে তার হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক ছিল।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তে যা বললেন আসিফ নজরুল

বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তে যা বললেন আসিফ নজরুল

হাসিনাকে ভারতে বন্দি করে রাখা হয়েছে কিনা, যা বললেন আসিফ নজরুল

হাসিনাকে ভারতে বন্দি করে রাখা হয়েছে কিনা, যা বললেন আসিফ নজরুল

এবার সেই ছাগল চুরি নিয়ে মুখ খুললেন আসিফ নজরুল

এবার সেই ছাগল চুরি নিয়ে মুখ খুললেন আসিফ নজরুল

সেই ছাগলকাণ্ড নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

সেই ছাগলকাণ্ড নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

জয়ের নতুন বেশ দেখে যা বললেন আসিফ নজরুল

জয়ের নতুন বেশ দেখে যা বললেন আসিফ নজরুল

বহু বছর পর যোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে পাচ্ছি: আসিফ নজরুল

বহু বছর পর যোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে পাচ্ছি: আসিফ নজরুল

আরও পড়ুন

ভুয়া সনদে চাকরি, ২৩ শিক্ষককে দুদকে তলব

ভুয়া সনদে চাকরি, ২৩ শিক্ষককে দুদকে তলব

মিরপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও ক্লিনিকটি পুনরায় চালুর দাবি সুজনের

মিরপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও ক্লিনিকটি পুনরায় চালুর দাবি সুজনের

ফ্যামিলি কার্ডের ভাতা, প্রতি মাসের ২০-২৫ তারিখে পে-রোল পাঠানোর নির্দেশ

ফ্যামিলি কার্ডের ভাতা, প্রতি মাসের ২০-২৫ তারিখে পে-রোল পাঠানোর নির্দেশ

সেপটিক ট্যাংকের পাশে লাশ পুঁতে সবজি চাষ, ২ বছর পর বেরিয়ে এলো রেহানা হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য

সেপটিক ট্যাংকের পাশে লাশ পুঁতে সবজি চাষ, ২ বছর পর বেরিয়ে এলো রেহানা হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম